নাইক্ষ্যংছড়িতে ‘লাল বিল্ডিংয়ে’ যাওয়ার পথ বন্ধ, দুর্ভোগে ১৫ পরিবার
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়িতে ‘লাল বিল্ডিংয়ে’ যাওয়ার পথ বন্ধ, দুর্ভোগে ১৫ পরিবার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ‘লাল বিল্ডিংয়ে’ যাওয়ার পথ বন্ধ, দুর্ভোগে ১৫ পরিবার
ছবি সংগৃহীত।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন মনির আহমদ।

তিনি জানান, নাইক্ষ্যংছড়ির জিয়া হোটেলের মালিক জিয়ার ফুফু ও একসময়ে স্থানীয় ফুটবল গোলরক্ষক সুমনের মা ফাতেমা বেগমের কাছ থেকে বাড়ি নির্মাণের জন্য জমি ক্রয় করেন তিনি। তবে জমিতে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় প্রথমে জমি কিনতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে ফাতেমা বেগম, জমির অন্য মালিক হালিমা বেগম (স্বামী ফরিদ আহমদ)সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে জমি বিক্রির পাশাপাশি যাতায়াতের রাস্তা বরাদ্দের বিষয়ে লিখিত চুক্তি ও পারস্পরিক সমঝোতা হয়।

এ বিষয়ে ফাতেমা বেগম, হালিমা বেগম, বদরুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম, দিদারুল ইসলাম ও মনির আহমদ—এই ছয়জনের মধ্যে একটি লিখিত হলফনামা সম্পাদিত হয়। হলফনামা অনুযায়ী, ফাতেমা বেগমের জমি থেকে ৬ কড়া, ২ থেকে ৫ নম্বর হলফকারীর খরিদা জমি থেকে সম্মিলিতভাবে ২ দশমিক ৫ কড়া এবং মনির আহমদের জমি থেকে ২ কড়া—সব মিলিয়ে সাড়ে ১০ কড়া প্রথম শ্রেণির জমি চলাচলের পথের জন্য নির্ধারণ করা হয়।

হলফনামার দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় তিনটি পৃথক চৌহদ্দিতে রাস্তার বিবরণ উল্লেখ রয়েছে। এতে প্রথম চৌহদ্দিতে উত্তর-দক্ষিণে ১৩৮ ফুট, দ্বিতীয় চৌহদ্দিতে পূর্ব-পশ্চিমে ২০ ফুট এবং তৃতীয় চৌহদ্দিতে উত্তর-দক্ষিণে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যের রাস্তার কথা বলা হয়েছে। প্রতিটি রাস্তার প্রস্থ সাড়ে ৭ ফুট নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি রাস্তার চারপাশের জমির মালিক ও সীমানার বিবরণও রয়েছে। হলফনামায় ভবিষ্যতে কেউ রাস্তার জমির ওপর মালিকানা দাবি কিংবা চলাচলে বাধা সৃষ্টি করবেন না বলেও অঙ্গীকার করা হয়।

মনির আহমদ বলেন, জমি ক্রয়ের পর জায়গাটি গর্ত, কাদামাটি ও পানিতে ভরা থাকায় চলাচলের অনুপযোগী ছিল। পরে নিজের অর্থায়নে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যয়ে জায়গাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করেন। এরপর সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেন, যা বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ‘লাল বিল্ডিং’ নামে পরিচিত। পরবর্তী সময়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে সড়কটিতে ইট বিছানো হয়।

তাঁর অভিযোগ, প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি ও সংশ্লিষ্ট জমির অন্য মালিকরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে আসছেন। কিন্তু বর্তমানে ফাতেমা বেগম তাঁর অর্থায়নে নির্মিত রাস্তার একটি অংশ, বিশেষ করে নিজের বাড়িতে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। এ পর্যন্ত চারবার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মনির আহমদ আরও জানান, ভবনটিতে প্রায় ১৫টি পরিবার বসবাস করে। এসব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। রাস্তা বন্ধ থাকায় তাঁদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে ফাতেমা বেগমের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ অবস্থায় জমি ক্রয়ের সময় সম্পাদিত লিখিত চুক্তি ও হলফনামার শর্ত অনুযায়ী যাতায়াতের পথ উন্মুক্ত করে দিতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মনির আহমদ।




২০২৭–২৮ সেশনে পুনরায় বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচিত এস এম আব্দুস সালাম আজাদ

২০২৭–২৮ সেশনে পুনরায় বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচিত এস এম আব্দুস সালাম আজাদ
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০২৭–২০২৮ সেশনের জন্য পুনরায় বান্দরবান জেলা আমির নির্বাচিত হয়েছেন এস এম আব্দুস সালাম আজাদ। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য। তাঁর পুনর্নির্বাচনের খবরে বান্দরবানের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এস এম আব্দুস সালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ২০০৪ সালে তিনি প্রথম বান্দরবান জেলা আমিরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে বান্দরবান জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

দীর্ঘ সাংগঠনিক জীবনে তিনি জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে দলিয় কার্যক্রম পরিচালনা ও দায়িত্ব পালন করেছেন। কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য হিসেবেও দলের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। নতুন সেশনে পুনরায় জেলা আমির নির্বাচিত হওয়ায় আগামী দুই বছর তিনি বান্দরবান জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবেন।

রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি লেখালেখিতেও রয়েছে তাঁর সম্পৃক্ততা। ইসলামী চিন্তা, ধর্মীয় অনুশাসন, নৈতিকতা, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘আমার নামাজ আমার জীবন’, ‘রাজনীতির রাজচক্র’, ‘আজকের প্রেক্ষাপটে উলামায়ে কেরামের ঐক্য’, ‘শিশু-কিশোর ছড়া’, ‘অমুসলিম ভাই-বোনও জামায়াতে ইসলাম করতে পারে’, ‘ভোট একটি পবিত্র আমানত’ এবং ‘আদর্শ নাগরিক সৃষ্টিতে রোজার ভূমিকা’।

এ ছাড়া তাঁর রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘শেষ জানাজা’, ‘অন্তরালে’ ও ‘প্রতিশোধ’। এসব লেখায় ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে। সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়েও তিনি তাঁর বহুমুখী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে তাঁর পুনর্নির্বাচনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বান্দরবানের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন সেশনে তাঁর নেতৃত্বে জেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

পুনরায় জেলা আমির নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের সফলতা কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেতাকর্মীরা।




জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বান্দরবানের এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গু

জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বান্দরবানের এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গু
ছবি সংগৃহীত।

জাতীয় পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বান্দরবানের এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গু। ‘অ্যাপেক্স বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্টার ক্লাব ডিবেট কম্পিটিশন-২০২৬’-এ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে পেছনে ফেলে জাতীয় চ্যাম্পিয়নের শিরোপা অর্জন করে ক্লাবটি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় ঢাকার গুলশান-২ এলাকার বাংলাদেশ চায়না ক্লাব লিমিটেডে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্ট থেকে বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ দলগুলো অংশ নেয়। ঢাকা, খুলনা, রংপুর ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলের দলগুলোর অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এতে যুক্তি, তথ্যনির্ভর বক্তব্য ও উপস্থাপনার দক্ষতায় এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে ডিস্ট্রিক্ট-৩-এর অন্তর্ভুক্ত এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গু, বান্দরবান।

বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন দলনেতা অ্যাপেক্সিয়ান মিজানুর রহমান মিলটন, প্রথম বক্তা অ্যাপেক্সিয়ান সুজন দে এবং দ্বিতীয় বক্তা অ্যাপেক্সিয়ান মো. ইয়াছিন আরাফাত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাপেক্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট অ্যাপেক্সিয়ান নাসিম আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাপেক্সিয়ান মো. নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান এবং সদ্য বিদায়ী ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট অ্যাপেক্সিয়ান অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম পান্না। প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব ও সার্বিক পরিচালনা করেন ন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যান্ড সিটিজেনশিপ ডিরেক্টর অ্যাপেক্সিয়ান মুস্তফা মো. নুরুল মতিন (সৈকত)।

বিজয়ী দলের দ্বিতীয় বক্তা অ্যাপেক্সিয়ান মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, “সারা দেশের সেরা বিতর্ক দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতীয় পর্যায়ে এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এটি শুধু আমাদের দলের সাফল্য নয়, এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গু, ডিস্ট্রিক্ট-৩ এবং পুরো বান্দরবানবাসীর অর্জন। আমরা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য, যুক্তি ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

প্রধান অতিথি অ্যাপেক্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট অ্যাপেক্সিয়ান নাসিম আহমেদ বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যুক্তিনির্ভর ও সচেতন সমাজ গঠনে বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তরুণদের চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বগুণ ও বক্তব্য উপস্থাপনের দক্ষতা বিকাশে অ্যাপেক্স বাংলাদেশ এ ধরনের জাতীয় আয়োজন অব্যাহত রাখবে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ট্রফি ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন অতিথিরা।

এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গুর এ সাফল্যে বান্দরবানের তরুণদের মেধা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের এ অর্জনে স্থানীয় অ্যাপেক্সিয়ানদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হাসান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক, বান্দরবান জেলা বিএনপি কমিটির সদস্য নুরুল আলম কোম্পানী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেত্রী হামিদা চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম বাহাদুর, প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ, যুবদল নেতা আবু সুফিয়ান, ছাত্রদল নেতা শাহাদাতসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন তৎকালীন অশান্ত পাহাড়ের শান্তির পায়রা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তিনি পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড়ি-বাঙালির মধ্যে সাম্য ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শান্তির পরিবেশ গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর সেই ভিত্তির কারণেই আজ পাহাড়ে পাহাড়ি-বাঙালি সবাই মিলেমিশে বসবাস করছেন।