জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
ছবি সংগৃহীত।

দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এবারের পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ– এই দুই গ্রেডে মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাচ্ছে।
এখন থেকে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ লিখে ফল জানতে পারবে। এ ছাড়া মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালেও ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে।

ফল ঘোষণার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।


জানা গেছে, এ বছর সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে গত ২৮ ডিসেম্বর একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিন বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি এবং ৩০ ডিসেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে ৩১ ডিসেম্বরের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষা ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ডভিত্তিক আনুপাতিক হারে এবং উপজেলা পর্যায়ে নির্ধারিত কোটার ভিত্তিতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বোর্ডের অধীনে মোট ৮৭ হাজার ৯৪৯ শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮০ হাজার ২১৮ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৯১ দশমিক ২ শতাংশ। নিবন্ধিতদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৩১ জন (৮ দশমিক ৮ শতাংশ) পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এ ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যেও সব বিষয়ে পরীক্ষা দেয়নি ১০ হাজার ৩০ জন। সব বিষয়ে অংশ নেয় ৭৭ হাজার ৯১৯ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৮৮ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী সব বিষয়ে পরীক্ষা দেয়নি।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার পর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ৪৩ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় (প্রায় ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ)। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লায় ৪০ হাজার ২১৯ জন (প্রায় ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুরে ৪০ হাজার ২৩১ জন (প্রায় ১১ দশমিক ৬১ শতাংশ) পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। এই দুই বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর ২৩ শতাংশের বেশি।

এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরে ৩৮ হাজার ৬৭৬ জন (প্রায় ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ), মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামে ২৯ হাজার ৫ জন (প্রায় ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ) পরীক্ষার্থী ছিল।

নতুন ও অপেক্ষাকৃত ছোট বোর্ডগুলোর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহে ২৩ হাজার ২০০ জন (প্রায় ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটে ২৩ হাজার ২২ জন (প্রায় ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ) পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এই দুই বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর ১৩ শতাংশের বেশি।

সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালে। এ বোর্ডে ২০ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় (প্রায় ৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ)।




পরীক্ষা-মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় সংস্কার আসছে, ঈদের পর রোডম্যাপ

পরীক্ষা-মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় সংস্কার আসছে, ঈদের পর রোডম্যাপ
ছবি সংগৃহীত।

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছে নতুন সরকার। ঈদুল ফিতরের পর এ কাজের রোডম্যাপ ঘোষণা করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এসময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ বলেন, আজ আমরা দিক-নির্দেশনা দিলাম। বাস্তবায়নের জন্য তিন ধাপের টাইমলাইন ধরে এগোবো। প্রথম ধাপ হবে এখন থেকে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত। এ ধাপে ‘বাজেট ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ডায়াগনস্টিক রিভিউ’; ‘উন্নয়ন বাজেটের ৫৩ শতাংশ ফেরত যাওয়ার কারণভিত্তিক রুট-কজ অ্যানালাইসিস’ এবং ‘শিক্ষকদের ট্যাব দেওয়া, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও ভাষা শিক্ষার পাইলট ডিজাইন’ করা হবে।

দ্বিতীয় ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে ঈদুল ফিতরের পর। ববি হাজ্জাজ বলেন, দ্বিতীয় ধাপে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মতি নিয়ে জাতীয় শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা করবো। সেটা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক, বিভাগভিত্তিক ও পরিমাপযোগ্য সূচকসহ।

তৃতীয় ধাপে হবে ১২ থেকে ৩৬ মাসের; অর্থাৎ এক বছর থেকে তিন বছর। এ ধাপের কাজের বর্ণনা তুলে ধরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃতীয় ধাপে আমরা পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বড় টেকনিক্যাল রি-ফর্ম করবো। কারিগরি, সাধারণ এবং মাদরাসা শিক্ষায় ব্রিজিং (সেতুবন্ধ) করা হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও ইনোভেশন গ্র্যান্ট স্কেল আপ করা হবে।




২ জানুয়ারির প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

২ জানুয়ারির প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
ছবি সংগৃহীত।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মহাপরিচালক জানান, রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির প্রতি সম্মান জানিয়ে পূর্বনির্ধারিত এই নিয়োগ পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার পরবর্তী সময়সূচি শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমরা এখনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করিনি। তবে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আগামী ৯ জানুয়ারি নিয়ে আলোচনা চলছে।"

উল্লেখ্য, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এই সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মসূচি ও নির্ধারিত পরীক্ষাগুলোর বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে।




গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি

গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি
ছবি সংগৃহীত।



জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গোপালগঞ্জে ২২ ঘণ্টার জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, আজ বুধবার রাত ৮টা থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।


গোপালগঞ্জ তো দেশেরই অংশ, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দায় সরকারের ওপর বর্তাবে
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া অস্থিরতা ও সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কারফিউ চলাকালীন সময়ে জনসাধারণের চলাচল সীমিত থাকবে এবং বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে


প্রসঙ্গত, জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ গোপালগঞ্জে পদযাত্রা ছিল দলটির। গতকাল মঙ্গলবার দলের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এই কর্মসূচিকে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ নাম দেওয়া হয়।

এই কর্মসূচি ঘিরে গোপালগঞ্জ সদরে আজ সকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। কাছাকাছি সময়ে হামলা করা হয় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি বহরেও। এ দুই ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে জানায় গোপালগঞ্জ পুলিশ।

দুপুর ১টা ৩৫ মনিটের দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় এনসিপির সমাবেশ মঞ্চে হামলা চালায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা মঞ্চে থাকা সাউন্ড বক্স, মাইক ও চেয়ার ভাঙচুর করেন এবং উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এনসিপির নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় সেখান থেকে সরে যান।

এ ঘটনার আধা ঘণ্টা পরে ওই সমাবেশ স্থলেই পুলিশি নিরপত্তায় সমাবেশ করে এনসিপি। সেখানে নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম ও আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষ হওয়ার পর এনসিপির নেতারা যখন গাড়ি বহর নিয়ে মাদারীপুর রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন আবার ছাত্রলীগের কয়েকশ নেতাকর্মী তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশও পিছু হটে। এনসিপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা এনসিপির সমাবেশ মঞ্চ এবং আশপাশের বিভিন্ন স্থানে চেয়ার-টেবিল ও আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। গোপালগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে এ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় বিজিবি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও বাড়তি জনবল নিয়োজিত করা হয়। বিকেলের দিকে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে হামলা ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এরপর সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ একযোগে হামলাকারীদের সরাতে অভিযান শুরু করে।