ছয় দিন পর সচল চট্টগ্রাম বন্দর, রবিবার পর্যন্ত আলটিমেটাম

টানা ছয় দিন অচল থাকার পর অবশেষে সচল হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের চলমান কর্মবিরতি দুই দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নৌপরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেয় বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর জানান, উপদেষ্টার আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করা হলেও দাবি আদায় না হলে আগামী রবিবার থেকে পুনরায় কর্মবিরতি শুরু হবে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে—এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বাতিল, বদলি হওয়া ৩১ কর্মচারীর আদেশ প্রত্যাহার এবং বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ।
টানা অচলাবস্থায় স্থবির হয়ে পড়েছিল বন্দরের জেটি ও টার্মিনাল। বর্তমানে বন্দরে ৩৭ হাজার ৩১২টি কনটেইনারের স্তূপ জমেছে। বহির্নোঙর ও জেটিতে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় আটকে আছে ৯৮টি জাহাজ। পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র সাবেক প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “এ অবস্থা চলতে থাকলে জাহাজগুলো কনটেইনার না নিয়েই বন্দর ত্যাগ করবে, যা পোশাক খাতে অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে।”
বেসরকারি ডিপোগুলোতেও (অফডক) আটকা পড়েছে প্রায় ১১ হাজার রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার। বার্থ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে একরাম চৌধুরী জানান, গত ছয় দিনে অপারেটরদের অন্তত কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ক্ষতি নিরূপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।











