ছদাহা আবুল হোসেন মিঞা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

ছদাহা আবুল হোসেন মিঞা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত

ছদাহা আবুল হোসেন মিঞা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত
ছবি সংগৃহীত।

যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে সাতকানিয়ার ছদাহা আবুল হোসেন মিঞা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হয়েছে।

গতকাল ২৬ আগস্ট (বুধবার) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং প্রধান শিক্ষক এস এম ইউসুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাতকানিয়া ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন হিরু। প্রধান বক্তা হিসেবে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা করেন সাতকানিয়া ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি মো. এরশাদুল হক চৌধুরী তাসলিম।

কোরআন তিলওয়াত, হামদ ও নাত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাতকানিয়া ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান বাবুল, কোষাধ্যক্ষ মকসুদুর রহমান, সাতকানিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আবছার, মোহাম্মদ তোয়াহা খোকা, ছদাহা ২ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ ফারুক ও মিজানুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সর্বশেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।




সাতকানিয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে আরমান নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু

সাতকানিয়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে আরমান নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ৬ নম্বর কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গাটিয়াডেঙ্গা এলাকার ওয়াহিদার পাড়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে আরমান উদ্দিন (৩০) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

গতকাল ২৬ আগস্ট বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত আরমান উদ্দিন সাতকানিয়া উপজেলার ৬ নম্বর কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গাটিয়াডেঙ্গা এলাকার ওয়াহিদার পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি এক কন্যাসন্তানের জনক বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরমান উদ্দিন একজন দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন। সেই সুবাদে বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতায়িত হয়ে তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে সাতকানিয়া থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম কেঁওচিয়ায় আরমান নামের এক ব্যক্তির বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




পটিয়ায় মাকে মারধরের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, ৬০ দিনের কারাদণ্ড

পটিয়ায় মাকে মারধরের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, ৬০ দিনের কারাদণ্ড
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়ায় মাকে মারধরের অভিযোগে নুরুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে ৬০ দিনের কারাদণ্ড দেন।

পটিয়া থানা-পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৫ আগস্ট সন্ধ্যায় মাদকাসক্ত ছেলে কর্তৃক মাকে মারধরের অভিযোগ পাওয়ার পর পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) জিয়াউল হকের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে এসআই (নিরস্ত্র) মো. আখতার হোছাইন সঙ্গীয় ফোর্সসহ নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তার নুরুল ইসলাম পটিয়ার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নাইখাইন এলাকার মৃত সামশুল আলমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিচালনাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ৬০ দিনের কারাদণ্ড দেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।




পটিয়ায় অভিভাবক সমাবেশ অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থী পরবর্তী ক্লাসে উঠতে পারবে না

পটিয়ায় অভিভাবক সমাবেশ অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থী পরবর্তী ক্লাসে উঠতে পারবে না
ছবি সংগৃহীত।

সন্তানদের অপরাধপ্রবণতা, মোবাইল-আসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ও কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ. টি. এম. তোহা। একই সঙ্গে এ বছর থেকে অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থীকে পরবর্তী শ্রেণিতে ওঠার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময়সভায় প্রধান শিক্ষক এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধান শিক্ষক এ. টি. এম. তোহা বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও পড়াশোনায় মনোযোগী করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাড়িতে অভিভাবকদের যথাযথ তদারকি না থাকলে এসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। সন্তানকে শান্ত রাখতে কিংবা পড়াশোনার বাইরে ব্যস্ত রাখতে অনেক অভিভাবক অবাধে স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছেন, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

তিনি বলেন, নির্দিষ্ট বয়স ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া শিক্ষার্থীদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়া উচিত নয়। সন্তান রাতে কী করছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী ধরনের বিষয় দেখছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত নজর রাখতে হবে।

প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় অবহেলা কিংবা শৃঙ্খলাভঙ্গের ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার্থীকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ করে অকৃতকার্য কোনো শিক্ষার্থীকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে না।

সভায় বক্তব্য দেন সিনিয়র শিক্ষক পীযূষকান্তি পাল, সহকারী প্রধান শিক্ষক সরোজিত দাশগুপ্ত, শিক্ষক নুরুল আবচার, মো. শরীফ ও মো. মিজানুল হক।

এ সময় উপস্থিত অভিভাবকেরা শিক্ষকদের কঠোর অবস্থানের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সভা শেষে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়ম-শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা মোবাইল-আসক্তির কারণে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটলে অভিভাবকদেরও এর দায় নিতে হবে। প্রয়োজনে শৃঙ্খলাভঙ্গকারী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা, এমনকি ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।