কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন

কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। 
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মন্ত্রী কেন্দ্রের পৌঁছলে উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার এর নেতৃত্বে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে কেন্দ্রের নিবাসী শিশুরা। এরপরই তিনি শিশুদের তৈরিকৃত আলোর পথযাত্রী শিরোনামে দেয়ালিকার চর্তুবিংশ সংখ্যা উন্মোচন করেন। অতঃপর সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার স্লাইড প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কেন্দ্রের সার্বিক সেবা কার্যক্রম এর প্রবাহ চিত্র উপস্থাপন করেন। কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার এর উপস্থাপনায় ও নিবাসী শিশু নিজাম উদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যেদিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ। আয়োজনে নিবাসী শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উশু ডেমো প্রদর্শনী উপভোগ করে ভূয়সী প্রসংশা করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিশুরা মন্ত্রীর হাতে তাদের তৈরিকৃত পুঁতির তৈরি তাজমহল শোপিস উপহার দেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে দেওয়া হয় বিশেষ সন্মাননা ক্রেস্ট। এছাড়া ও মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ,আবাসন ব্যবস্থা অফিস ব্যবস্থাপনাসহ নানাবিধ সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং কেন্দ্রের ছাদবাগানের জন্য আমলকির চারা রোপণ করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর এই পরিদর্শন কেন্দ্রের সেবা কার্যক্রমকে অধিক সমৃদ্ধ ও বেগবান করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি-মর্মে মন্তব্য করেন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার।

এ সময় চট্রগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইফুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আবুল কালাম চৌধুরী, প্রিন্টেড ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক পরিচালিত কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, বিপন্ন,পথ শিশুদের সমাজের মূলস্রোত ধারায় ফিরিয়ে আনার প্রয়াসে নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য, বস্ত্র ,মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা, জীবন দক্ষতা উন্নয়ন, মনোসামাজিক সহায়তা, কারিগরি প্রশিক্ষন চিত্ত বিনোদন, চাকুরীতে নিযুক্তকরণ, পুনর্বাসন/পুনএকত্রীকরণ ইত্যাদি নানাবিধ সেবা প্রদানের মাধ্যমে সমন্বিত সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।




ফের কক্সবাজারের হোটেলে আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক

ফের কক্সবাজারের হোটেলে আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিন্সেস’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পরপরই তারা সবাই নিরাপদে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পার্কিং এলাকার জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন  জানান, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুতই নিকটবর্তী ফায়ারসার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট সেখানে উপস্থিত হয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ধারণা করা হচ্ছে জেনারেটরের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে, তবে কেউ হতাহত হননি।

দ্য সি প্রিন্সেস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, আমাদের যথেষ্ট অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মীদের দক্ষতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, পর্যটকেরা নিরাপদে আছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ অক্টোবর (শনিবার) উখিয়ার ইনানী এলাকায় ‘টুপটুপ’ নামের একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়।




অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম সভাপতি ও মাওলানা শফিউল হক জিহাদী সেক্রেটারি: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠন

অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম সভাপতি ও মাওলানা শফিউল হক জিহাদী সেক্রেটারি: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠন
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম সভাপতি এবং ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

গত ২১ অক্টোবর কক্সবাজার পাবলিক হলে সম্মেলনে এই কমিটি ঘোষণা করেন শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মাদানী।

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতি একটি অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি ড. আবদুছ ছুবুর মাতুব্বর এবং কক্সবাজার জেলার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যাপক ফরিদুল আলম ও আলির জাহাল ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা রফিক বিন ছিদ্দিকীর যৌথ সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মাদানী আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলিয়া মাদ্রাসার ইতিহাস ও অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে বক্তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অতিথিবৃন্দ বলেন, দেশের শিক্ষা ও সমাজ গঠনে আলিয়া মাদ্রাসার দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। এ শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থ উপেক্ষা করা হলে শিক্ষকসমাজ তা মেনে নেবে না। মাদ্রাসা শিক্ষার অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সম্মেলনে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়।

নবগঠিত জেলা কমিটির নেতারা মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন, শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের কর্মকাণ্ড শক্তিশালী এবং সুসংহত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শফিউল হক জিহাদী।




চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতার দোকান থেকে উদ্ধার চট্টগ্রাম থেকে লুট হওয়া সাড়ে ৭ টন চিনি

চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতার দোকান থেকে উদ্ধার চট্টগ্রাম থেকে লুট হওয়া সাড়ে ৭ টন চিনি
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৩০০ বস্তা চিনিসহ কাভার্ডভ্যান গায়েবের ঘটনায় চকরিয়া থেকে আরও সাড়ে ৭ টন চিনির চালান উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের নোনাছড়ি এলাকার হারবাং ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেলের একটি বন্ধ দর্জির (টেইলার্স) দোকান থেকে এসব চিনি উদ্ধার করা হয়।

পটিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এখন পর্যন্ত লুণ্ঠিত ৩০০ বস্তার মধ্যে ২৮৪ বস্তা (১৪.২ টন) চিনি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাভার্ডভ্যান চালক মো. আলমগীর পরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে ১৫ টন চিনি আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে চকরিয়া ও আজিজনগর এলাকার অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে এসব চিনি বিক্রি করে দেওয়া হয়।

এই সিন্ডিকেটের অন্যতম মূলহোতা আজিজনগর বাজারের ‘রাজিব স্টোর’-এর মালিক মো. রাহাত উদ্দিন জুয়েল এবং চকরিয়ার নোনাছড়ির বন্ধ দোকানের মালিক রাসেল—যাঁরা সম্পর্কে দুই ভাই। রাসেল উদ্দিন হারবাং ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

বান্দরবানের আজিজনগর বাজারে জুয়েলের গোডাউন থেকে প্রথম দফায় ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়ার নোনাছড়িতে জুয়েলের ভাই রাসেলের বন্ধ টেইলার্সের দোকান থেকে আরও ১৫০ বস্তা চিনি উদ্ধার করে পুলিশ।

হারবাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল আহমদ জানান, উদ্ধার অভিযানের খবর পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ী জুয়েল ও রাসেল পরিবারসহ বাড়িঘর তালাবদ্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন।

গায়েব হওয়ার নাটক ভেস্তে যাওয়ার পর লুণ্ঠিত চিনির মালিক মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। মামলায় কাভার্ডভ্যান চালক আলমগীর ও মুদি দোকানি রাহাত উদ্দিন জুয়েলকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়।

বাদী মামলায় উল্লেখ করেন, চালক আলমগীর বিশ্বাস ভঙ্গ করে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে ১৬ লাখ টাকার চিনি আত্মসাৎ করেছেন।

পটিয়া থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, চালক আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান ও সিন্ডিকেটের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিং সংলগ্ন চট্টগ্রাম-আনোয়ারা সড়কের নবনির্মিত কর্ণফুলী উপজেলা ভবনের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় চিনিবিহীন কাভার্ডভ্যানটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং লুণ্ঠিত বাকি চিনির সন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।