উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন

উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
ছবি সংগৃহীত।

পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে ভারতের ঝাড়খন্ড ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আজ (শুক্রবার) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের সই করা ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, স্থল নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, নিম্নচাপটির প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।




সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় মৃত্যু বেড়ে ৮

সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় মৃত্যু বেড়ে ৮
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ট্যাংক থেকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়েসাত আট জনে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে প্রথমে তিন এবং পরে পাঁচ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফখরুল ইসলাম। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ফেরদৌস স্টিল শিপ ইয়ার্ডের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘শুক্রবার ইয়ার্ড বন্ধ রয়েছে। কিন্তু সকাল ১০টার সময় স্ক্র্যাপ এলএনজি জাহাজে একটি ট্যাঙ্ক লিকেজ হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় বহিরাগত কিছু লোক তা দেখতে আসে। এসময় জমে থাকা গ্যাসে কয়েকজনের মৃত্যু ও কয়েকজন আহত হন।’

মারা যাওয়া ৭ শ্রমিকের মধ্যে চারজনের নাম ও পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭) এবং দুই সহোদর মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। তারা সবাই ভাটিয়ারি এলাকার বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় এ ছাড়া আরও অন্তত তিন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় জেলেরা জানান, কারখানাটির ভেতর থেকে বের হওয়া গ্যাসের গন্ধের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে সাগরে ইলিশ ধরতে যাওয়া জেলেরা কারখানাটির পাশের খালে প্রবেশ করতে পারেননি। তাদের অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে ঘাটে নৌকা ভেড়াতে হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম মাহমুদ বলেন, হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে মানুষের চিৎকার শুরু হয়। তারা কারখানা এলাকায় গেলে দেখতে পান, অসুস্থ কিছু লোককে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এরপর জাহাজের ভেতরে কয়েকজন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে কারখানার ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আল মামুন জানান, উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমরা এখনো পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যুর কথা শুনেছি। এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।




মোটরযান পরিদর্শক আলাউদ্দীনের ছত্রছায়ায় চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালদের আধিপত্য

মোটরযান পরিদর্শক আলাউদ্দীনের ছত্রছায়ায় চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালদের আধিপত্য
ছবি সংগৃহীত।

কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে ছয় বছরের রামরাজত্ব

 

দালালি, ঘুষ বাণিজ্য ও কর্মকর্তাদের কব্জির জোরে গ্রাহক সেবা ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্র্তৃপক্ষ বিআরটিএর চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের। সংস্থাটিকে দালালমুক্ত করে গ্রাহক সেবা নিশ্চিতে সদর কার্যালয়ের বিভিন্ন নির্দেশনা থাকলেও দালালদের আধিপত্য, কর্মকর্তাদের ঘুষ বাণিজ্য এবং কব্জির জোরে পছন্দের সার্কেলে বদলি কোনোটাই নিয়স্ত্রণ করছে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি ।

চট্টগ্রাম বিআরটিএ’র দালাল সিন্ডিকেটের আধিপত্য কোনোভাবেই দমন হচ্ছে না। এই সিন্ডিকেটের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে সংস্থাটির মোটরযান পরিদর্শক মোঃ আলাউদ্দীন। গ্রাহক সেবা প্রদানে ঘুষ বাণিজ্যের পরেও নিয়ন্ত্রিত দালালদের কাছ থেকে মাসিক মাসোহারা পান তিনি।

সূত্র বলছে, ২০২১ সালের ৫ই ডিসেম্বর ২০১০ সংখ্যক স্মারকের অফিস আদেশ মোতাবেক আলাউদ্দীনকে বিআরটিএ’র চট্ট মেট্রা-২ সার্কেলে বদলি করে আদেশ জারি করেছিলেন সংস্থাটির সাবেক উপ পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ১৩৮ নং অফিস আদেশে কর্র্তৃপক্ষ তাকে চাঁদপুর সার্কেলে বদলি করে। কিন্তু আট মাসের মাথায় সংস্থাটির কতিপয় কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে চাঁদপুর থেকে বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে বদলি হয়ে যায়। বদলি আদেশে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে সংযুক্তির আদেশ করিয়ে নেয় এই কর্মকর্তা।
বিআরটিএ’র সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে মোটরযান পরিদর্শকের দুইটি পদ রয়েছে। সে পদগুলোতে কর্র্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর বিআরটিএর নড়াইল সার্কেল থেকে মোটরযান পরিদর্শক ফরহাদ হোসেনকে চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে বদলি করে। ২০২৬ সালের ৫ জুলাই আরেক আদেশে চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের শূণ্য পদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক রাসন চাকমাকে চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে বদলি করে সংস্থাটি। 
তবে দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক মোটরযান পরিদর্শক আলাউদ্দীনের সংযুক্তির অর্ডারটি বাতিল করেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে বিআরটিএর প্রশাসন বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একদিকে দালাল নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে দায় মুক্তির চেষ্টা করলেও দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেই বিআরটিএর চেয়ারম্যানের।

বিআরটিএর তথ্য বলছে, মোঃ আলাউদ্দীন চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের ফিটনেস শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। গত ১লা জুন থেকে গত ১২ই আগস্ট পর্যন্ত প্রায় আড়াই মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখা যায় তিনি অফিসের কোনো দায়িত্ব পালন না করেই শুধুমাত্র সিনিয়র কর্মকর্তাদের তোষামোদি ও দালাল নিয়šত্রণ এবং ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে গেছেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় শুধুমাত্র ৩০ শে জুন তারিখে তিনি ৩৮টি মোটরযানের ফিটনেস সনদ ইস্যু করেছেন। বিআরটিএর সদর কার্যালয়ের আশীর্বাদপুষ্ট এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (ইঞ্জিঃ) মাসুদ আলম ও চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের উপ পরিচালক (ইঞ্জিঃ) মাহাবুব কবির কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন না।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে মোটরযান পরিদর্শক পদে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্র্তৃপক্ষ বিআরটিএতে যোগদান করেন মোটরযান পরিদর্শক আলাউদ্দীন। সে সময়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত সচিব  (গ্রেড-১) নুর মোহাম্মদ মজুমদার। আলাউদ্দীনের বাড়ি চেয়ারম্যানের নিজ জেলা ফেনিতে হওয়ায় বিশেষ সুবিধায় নিয়োগকালীন প্রথম পোস্টিং পান চট্ট মেট্রো-২ সার্কেলে। সে সময়ে চট্ট মেট্রো-২ সার্কেলের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী পরিচলক (ইঞ্জিঃ) তৌহিদুল হোসেন এবং চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের দায়িত্বে ছিলেন রায়হানা আক্তার উর্থী। এই সকল কর্মকর্তাদের বাড়িও ফেনি জেলায় হওয়ায় চট্টগ্রাম বিআরটিএতে ভয়ংকর এক দালাল সিন্ডিকেট তৈরি করে রাম রাজত্ব কায়েম করেছিলেন মোটরযান পরিদর্শক আলাউদ্দীন।

২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ফেনি-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম হাজারীর ক্ষমতা ব্যবহার করে এবং ফেনি জেলার সিনিয়র কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম,  দুর্নীতি, দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। বর্তমানেও একই রকমভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এই বিষয়ে সংস্থাটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (ইঞ্জিঃ) মাসুদ আলমকে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।




চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী জিটু গাড়ি ও এসি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁও থেকে চকরিয়াগামী একটি নাম্বারবিহীন যাত্রীবাহী জিটু গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাল-সবুজ রঙের একটি যাত্রীবাহী এসি বাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮০৯০) জিটু গাড়িটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে জিটু গাড়িটির ছাদ আলাদা হয়ে যায় এবং গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।


দুর্ঘটনায় জিটু গাড়িতে থাকা নয়জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে পাঠান।


চিকিৎসাধীন অবস্থায় মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মানাযায় খুটাখালী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা এলাকার  মৃত মতিউর রহমানের পুত্র

 মো.জসিম উদ্দিন (২৫), এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারা যায় খুটাখালী নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের পুত্র মো. জিয়াবুল হক (২৫) । ঈদগাঁও পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র মো. রফিক (২৮),

চকরিয়া ফুলছড়ি সিয়ালপাড়া এলাকার

মৃত মঞ্জুর আলমের পুত্র মো. শাহেদ (২৭) ।


অন্যদিকে গুরুতর আহত জিয়াবুল হক (৪০), মো. সরোয়ার (১৯), সৈয়দ আলম (৫০) ও মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত সৈয়দ করিম (৩০) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়া ও আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।