বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠিত
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন

বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠিত

বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠিত
সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন সুমন চক্রবর্তী

বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে আইনজীবী প্রদীপ চৌধুরীকে সভাপতি ও লায়ন সুমন চক্রবর্তীকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আইনজীবী রাজীব চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এই কমিটি গঠন করা হয়। বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রঘুপতি সেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কমিটি গঠনকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা তাপস হোড়, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আইনজীবী রাজীব চক্রবর্তী, সিনিয়র সহসভাপতি কল্লোল হাজরা, সহসভাপতি গণেশ সাহা, সাধারণ সম্পাদক রঘুপতি সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল, ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক নির্মল সাহা, সহ-নারীবিষয়ক সম্পাদক জুবলী ভট্টাচার্য এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ইতিমা মণ্ডল প্রমুখ।

বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রঘুপতি সেন বলেন, “নবগঠিত কমিটি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি করবে। একই সঙ্গে সবার মতামতের ভিত্তিতে দ্রুতই পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করা হবে।”




ক্যানসার আক্রান্ত ২ সন্তানের জননী ইয়াসমিনকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন

ক্যানসার আক্রান্ত ২ সন্তানের জননী ইয়াসমিনকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন
ছবি সংগৃহীত।

একটি সচল ও স্বপ্নঘেরা পরিবারে নেমে এসেছে অমাবস্যার ঘোর অন্ধকার। ক্যানসারের নির্মম থাবায় থমকে গেছে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার ৮ নম্বর ঢেমশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খোন্দকার পাড়ার কামাল মাস্টার বাড়ির এক অসহায় পরিবারের স্বাভাবিক জীবন। মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করছেন স্থানীয় কামাল মাস্টারের বাড়ির মৃত নুরুল আনোয়ারের কন্যা ও দুই সন্তানের জননী ইয়াসমিন আক্তার। অর্থের অভাবে এখন বন্ধের পথে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা; থমকে যেতে বসেছে জীবনের চাকা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ইয়াসমিন আক্তারের শরীরে প্রথম ক্যানসার ধরা পড়ে। রোগ নির্ণয়ের পর থেকেই শুরু হয় বেঁচে থাকার এক কঠিন যুদ্ধ। এ পর্যন্ত পরিবারের সঞ্চয় ও স্বজনদের সহায়তায় প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা চালানো হয়েছে। কিন্তু ইয়াসমিন আক্তারের স্বামী হেলাল উদ্দিন পেশায় একজন দিনমজুর। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শ্রম বিক্রি করে যার সংসার চলে, তাঁর পক্ষে এ ধরনের ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ টানা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে তিনি সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দেশের একজন অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা যায়, ইয়াসমিনকে সুস্থ করে তুলতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আরও অন্তত ১০ লাখ টাকার জরুরি প্রয়োজন।

ছোট ছোট দুই সন্তানকে বুকে জড়িয়ে স্ত্রীর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে চান অসহায় স্বামী হেলাল উদ্দিন। চোখের জলে ভাসতে ভাসতে তিনি বলেন, "আমার ছোট শিশু দুটি অবুঝ, ওরা প্রতিদিন মায়ের সুস্থতার পথ চেয়ে থাকে। দিনমজুরের আয় দিয়ে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোটে না, সেখানে ১০ লাখ টাকা জোগাড় করা আমার সাধ্যের বাইরে। আপনাদের একটু সহযোগিতায় হয়তো আমার সন্তানরা তাদের মাকে ফিরে পাবে।"

ক্যানসার আক্রান্ত ইয়াসমিন আক্তারের জীবন বাঁচাতে ও তাঁর অকালপ্রয়াণ রোধে সরকার, বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সংগঠন এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানানো হচ্ছে।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:

  • রোগীর বিকাশ নম্বর: ০১৮৮৭-৭৫৯২০৮ (ইয়াসমিন আক্তার)

(আপনার সামান্য সহানুভূতি ও অনুদান বাঁচিয়ে দিতে পারে দুটি শিশুর প্রিয় মায়ের জীবন। আসুন, এই কঠিন সময়ে অসহায় পরিবারটির পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।)




পটিয়া পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে আমেজ: মাঠে সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা

পটিয়া পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে আমেজ: মাঠে সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা
ছবি সংগৃহীত।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে পটিিয়া পৌরসভায় ধীরে ধীরে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হতে শুরু করেছে। আগামী অক্টোবর মাসে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনার পর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে নানা ধরনের সামাজিক, সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় আয়োজন, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের পরিচিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পৃথক দল (টিম) গঠন করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর উদ্যোগও নিয়েছেন অনেকেই। ফলে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আলোচনা দিন দিন জোরালো হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, পটিিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা মেয়র ও কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ, পরিকল্পিত নালা (ড্রেনেজ) ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক নগরসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো নানা সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। এসব সমস্যা সমাধানে আগামী নির্বাচনে যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রত্যাশা করছেন পৌরবাসী।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি সংযুক্ত আরব আমিরাত (আবুধাবি) শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজি মোহাম্মদ আবুল বশর সিআইপি, পটিয়া পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র আলহাজ নুরুল ইসলাম সওদাগর, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আবু তাহের, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ তৌহিদুল আলম এবং ইসলামী ফ্রন্টের নেতা আলহাজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের নাম স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই কাউন্সিলর পদে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে।

সম্ভাবনা ও প্রস্তুতির বিষয়ে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হাজি মোহাম্মদ আবুল বশর সিআইপি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য কাজ করে আসছি। সবার সহযোগিতা নিয়ে আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যয় নিয়েছি। পৌরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি। আশা করি, পৌরবাসী উন্নয়নের জন্য আমাকেই বেছে নেবেন।”

সাবেক মেয়র ও পটিয়া পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ নুরুল ইসলাম সওদাগর বলেন, “আমি অতীতেও পৌরবাসীর সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। পৌরবাসী যদি আমাকে আবারও দায়িত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে আমি নির্বাচন করব। সবার দোয়া ও সহযোগিতা পেলে আশা করি বিপুল ভোটে জয়লাভ করব।”

পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী আবু তাহের বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি। ভবিষ্যতেও পৌরবাসীর সেবা করার সুযোগ পেলে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আশাকরি পৌরবাসী আমাকে মেয়র পদে নির্বাচিত করবেন।”

অপর সম্ভাব্য প্রার্থী মোহাম্মদ তৌহিদুল আলম বলেন, “গত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় আমি বিএনপির মেয়র প্রার্থী ছিলাম। পরিকল্পিতভাবে আমাকে পরাজিত করা হয়েছিল। পৌরবাসী আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমি মাঠপর্যায়ে কাজ করছি। আশা করছি, পৌরবাসী তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে মেয়র পদে নির্বাচিত করবেন।”

ইসলামী ফ্রন্টের নেতা আলহাজ মোহাম্মদ আলী হোসাইন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কাজ নিয়ে পৌরবাসীর পাশে ছিলাম। আগামী নির্বাচনে পৌরবাসীর সেবা করতে মেয়র পদপ্রার্থী হতে চাই। যোগ্যতার মাপকাঠিতে বিবেচনা করে এবং একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় পৌরবাসী আমাকেই বেছে নেবেন বলে বিশ্বাস করি।”

এদিকে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তত বাড়ছে। কে হবেন পটিয়া পৌরসভার পরবর্তী মেয়র, কার হাতে থাকবে পৌরবাসীর নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের দায়িত্ব—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ কৌতূহল দেখা যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন, নির্বাচনী পরিবেশ এবং ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে পটিয়া পৌরসভার আগামী নেতৃত্ব।




পটিয়ায় মিনিবাস খাদে পড়ে ১০ যাত্রী আহত

পটিয়ায় মিনিবাস খাদে পড়ে ১০ যাত্রী আহত
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়কের পটিয়া উপজেলার বাদামতল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী মিনিবাস সড়কের পাশে খাদে পড়ে উল্টে গেছে। এতে অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে মনসা বাদামতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৫টার দিকে মিনিবাসটি মনসা বাদামতল এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিছু দূর যাওয়ার পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে চিৎকার করতে থাকেন। দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পটিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহতদের মধ্যে পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী এলাকার খোরশেদ আলম (৫০), আনোয়ারা উপজেলার মোকাররম হোসেন (১৭) ও মো. হারুনুর রশিদকে (৫৫) পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বোয়ালখালীর বেঙ্গুরা এলাকার জান্নাতুল ফেরদৌস (৩৬) নামের এক নারীসহ একই পরিবারের তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যান্য আহত ব্যক্তি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

পটিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট ওমর ফারুক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে উল্টে গেলেও ভাগ্যক্রমে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারে কাজ চলছে।"

দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়কে কিছু সময়ের জন্য স্থানীয়দের ভিড় দেখা যায়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।