সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে যেসব নিয়ম
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন

সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে যেসব নিয়ম

সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে যেসব নিয়ম
ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন। একই সঙ্গে সৌদি কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা মেনে চলা এবং সংঘাত-সংশ্লিষ্ট ছবি, ভিডিও ও স্পর্শকাতর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ ও প্রতিপালন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, চলমান পরিস্থিতি-সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারণ, আদান-প্রদান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই সৌদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি-সংক্রান্ত ছবি, ভিডিও কিংবা স্পর্শকাতর তথ্য ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ, মোবাইলে সংরক্ষণ ও অন্যের সঙ্গে আদান-প্রদান থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ মিশন।

এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো প্রয়োজনে প্রবাসীদের বাংলাদেশ মিশনের নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

প্রবাসীদের নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে বাংলাদেশ মিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ অনুসরণ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহত হওয়ার খবর প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা এবং যাচাইহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল স্থানসমূহ এড়িয়ে চলার জন্য পরামর্শ প্রদান করা যাচ্ছে। যে কোন তথ্যের জন্য দূতাবাসের নিম্নোক্ত হটলাইনে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো- ৮০০১০০০১২৫ (শ্রম সংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর), ৮০০১০০০১২৬ (পাসপোর্ট সংক্রান্ত টোল ফ্রি নম্বর), ৮০০১০০০১২৪ (ডিপ্লোম্যাটিক উইং সংক্রান্ত), মৃত্যু সংক্রান্ত হটলাইন নাম্বার +৯৬৬৫৭০২১২১৮০। এছাড়া নিয়মিত আপডেটের জন্য দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ফলো করুন। ভেরিফায়েড পেজের লিংকঃ https://www.facebook.com/bdembassyriyadh




দিল্লি ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য

দিল্লি ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি/সিজেপি), বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ও অন্যান্য সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন প্রায় ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য অন্তত এক মাস দিল্লিতে অবস্থান করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, চলমান বিক্ষোভের পাশাপাশি সামনে উৎসবের মৌসুমের বিষয়টিকেও বিবেচনায় নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সময় বাজার ও বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাই বিপুলসংখ্যক আধাসামরিক সদস্যের মোতায়েন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদিকে দিল্লিতে বিক্ষোভের জন্য নতুন করে তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো—রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দান। এতদিন শহরের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তর ছিল বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান। তবে এখন থেকে সেই স্বীকৃতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সূত্রের দাবি, নতুন নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত নিরীক্ষা শেষ হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের দিকে ইন্ডিয়া জোটের পদযাত্রা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দিতে আজ সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের দিকে পদযাত্রা করেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার নেতারা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এ পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।

বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির সীমান্ত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া জমায়েত ঠেকানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

শহরের সীমান্তবর্তী এলাকায় যানবাহনে তল্লাশি বাড়িয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি হোটেল, অতিথিশালা, লজ ও ধর্মশালায় পরিচয় যাচাইয়ের অভিযানও জোরদার করা হয়েছে।

২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে নয়াদিল্লি জেলা

আধাসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের হাজার হাজার সদস্যকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার সমন্বয়ের জন্য নয়াদিল্লি জেলাকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে।

প্রতিটি এলাকায় মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুগ্ম কমিশনার, উপকমিশনার ও অতিরিক্ত উপকমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।

রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা

সোমবারের (১২ অক্টোবর) বিক্ষোভে আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কৌশল পরিবর্তন করেছে ইন্ডিয়া জোট। কর্মসূচিটিকে কেবল রাজনৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে তুলে না ধরে ‘গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। তবে পরে কর্মসূচির বার্তায় পরিবর্তন এনে শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকেও এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা প্রস্তুতি, বিক্ষোভস্থল পরিবর্তন ও বিপুলসংখ্যক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন—সব মিলিয়ে দিল্লিতে আগামী কয়েক সপ্তাহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি




শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন মানবাধিকার কর্মী নাভেনথাম নাভি পিলাই। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

নোবেল কমিটি জানিয়েছে, শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টার কারণে তাকে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

কমিটি আরও জানিয়েছে, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যাকারীরা যেন বিচারের মুখোমুখি হয় সেটি নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নাভেনথাম।

দক্ষিণ আফ্রিকায় যখন বর্ণ বৈষম্য চলছিল তখন ডারবানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তামিল পরিবারে জন্ম হয় নাভেনথামের। তিনি পরবর্তীতে আইনজীবী ও আইনি ক্ষেত্রে অগ্রদূত হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তিনি সমাজে থাকা অবকাঠামোগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় বর্ণবাদবিরোধী নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যান্যদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন জীবনের শুরুতে। এরপর বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সব আদালতে।

তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের বিচারকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে কাজ করেছেন।


সম্প্রতি তিলি ফিলিস্তিনের দখলকৃত ভূখণ্ডে দখলদার ইসরায়েলের অপরাধ তদন্তে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনেও কাজ করেছেন।

আর বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আছেন যেখানে গণহত্যায় অভিযুক্ত মিয়ানমারের বিচার চলছে।

এরআগে গত বছর শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশটিকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতান্ত্রিক পথে নেওয়ার আন্দোলনের জন্য তাকে নোবেল দেওয়া হয় বলে জানায় নোবেল কমিটি।

২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফ জাই। তার চেয়ে কম বয়সে আর কেউ নোবেলে ভূষিত হয়নি। অপরদিকে ১৯৯৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন জোসেফ রোটব্লাট।

নোবেল কমিটি বলেছে এ বছর নাভেনথামকে নোবেলে ভূষিত করে তারা বিশ্বকে মনে করিয়ে দিতে চান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন মিলে সেই সিস্টেম গড়ে তোলে যেগুলো দিয়ে আমরা অসহিংসভাবে দ্বন্দ্বের সমাধান এবং শান্তি সমুন্নত রাখতে পারি।




বাব এল মান্দেব প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ নিলো ইয়েমেনি বাহিনী

বাব এল মান্দেব প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ নিলো ইয়েমেনি বাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট বাব এল মান্দেব প্রণালির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে নিয়েছে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী। এরসঙ্গে প্রণালিতে থাকা পেরিম দ্বীপও পুনর্দখল করেছে তারা।

ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর টানা কয়েকদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর হুথিরা প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এর আগে এক মাস আগে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে বাব এল মান্দেব ও পেরিম দ্বীপ দখল করেছিল তারা।

এরমধ্যে ধুরাব এলাকার কাছে হুথিদের একাধিক যোদ্ধাকে আটক করেছে সরকারি বাহিনী।

ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে গত সপ্তাহে অভিযান শুরু করে ইয়েমেনি বাহিনী। তাদের লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো পুনর্দখল করা, যেখান থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক রুট।

হুথিরা প্রণালিটি দখল করার পর সৌদি আরবের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছিল।

সরকারি বাহিনীর একটি সূত্র শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জানিয়েছে, যখন তাদের সেনারা বাব এল মান্দেব নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছিল তখন হুথিরা ব্যাপক হামলা চালিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় মিসাইল ও ড্রোন ছুড়ে বিদ্রোহীরা। তবে তাদের হামলা প্রতিহত করা হয় এবং অপারেশন ডন অব ইয়েমেনের অধীনে লড়াই অব্যাহত থাকে।

বাব এল মান্দেব লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। পেরিম দ্বীপটি প্রণালির ঠিক প্রবেশদ্বারে অবস্থিত। ফলে এটি সেখানকার আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: আল-আরাবিয়া