লোহাগাড়ায় অবৈধ ইটভাটায় সতর্কতামূলক লিফলেট বিতরণ
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন

লোহাগাড়ায় অবৈধ ইটভাটায় সতর্কতামূলক লিফলেট বিতরণ

লোহাগাড়ায় অবৈধ ইটভাটায় সতর্কতামূলক লিফলেট বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়া উপজেলায় অবৈধ ইটভাটায় আগুন না দেওয়া এবং জ্বালানি কাঠ ও কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করতে সচেতনতামূলক লিফলেট করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইটভাটার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস উপস্থিত বলেন,  উপ-পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ ইটভাটা, বিশেষ করে সনাতন প্রযুক্তির ড্রাম চিমনি ও ফিক্সড চিমনি বিশিষ্ট ইটভাটায় আগুন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে আগাম সতর্ক করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ ও কৃষিজমির টপসয়েল ব্যবহার না করার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো এবং কৃষিজমির উর্বর মাটির সুরক্ষায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 




পটিয়ায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন

পটিয়ায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়া উপজেলায় চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর চিকিৎসাসেবার মান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং রোগীদের অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

পটিয়া উপজেলার সাধারণ মানুষ যাতে সহজে সঠিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। এ ধরনের পরিদর্শনের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার মান বজায় রাখা এবং রোগীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর নজরদারির মাধ্যমে পটিয়ার বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে।




মির্জাখীল দরবারশরিফে তিন দিনব্যাপী হজরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিনের প্রথম ওরস

মির্জাখীল দরবারশরিফে তিন দিনব্যাপী হজরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিনের প্রথম ওরস
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ঐতিহ্যবাহী মির্জাখীল দরবারশরিফে আগামী ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর ২০২৬ (বুধবার থেকে শুক্রবার) তিন দিনব্যাপী হজরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিন সৈয়দ মাওলানা মুহাম্মদ আরেফুল হাই (ক.)-এর প্রথম ওরসশরিফ ও ওফাত দিবস পালিত হবে। এ উপলক্ষে আনোয়ারা উপজেলার হাজার হাজার ভক্ত, মুরিদ ও আশেকান ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

সিলসিলা-ই-আলিয়া জাহাঙ্গীরিয়ার প্রধান আধ্যাত্মিক কেন্দ্র মির্জাখীল দরবারশরিফের বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত শাহ জাহাঙ্গীর ইমামুল আরেফিন সৈয়দ মাওলানা ড. মুহাম্মদ মকসুদুর রহমান (ক.)-এর তত্ত্বাবধানে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ওরস উপলক্ষে কোরআন তিলওয়াত, দোয়া মাহফিল, ফাতিহা পাঠ এবং হজরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিনের জীবন, সাধনা ও ধর্মীয় অবদান নিয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।

মির্জাখীল দরবারশরিফ সিলসিলা-ই-আলিয়া জাহাঙ্গীরিয়ার দীর্ঘ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে। এ দরবারে হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী পূর্ববর্তী পীর-মাশায়েখদের ওরসশরিফ পালনের পাশাপাশি প্রতিদিন ও প্রতি মাসে নিয়মিত ফাতিহা ও বিভিন্ন ধর্মীয় মাহফিলের আয়োজন করা হয়। খতমে কোরআন, খতমে গাউসিয়া, মিলাদ ও সামা মাহফিল এ ধারার উল্লেখযোগ্য আয়োজন।

সিলসিলার পীর-মাশায়েখগণ শরিয়তের অনুশাসন, তরিকতের সাধনা, হাকিকতের উপলব্ধি ও মারেফতের শিক্ষার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি এবং নৈতিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন। তাঁদের আধ্যাত্মিক শিক্ষা ও কর্মধারায় মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা, পীর-মুর্শিদের নির্দেশনা অনুসরণ এবং মানবসেবার আদর্শ বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, তিন দিনব্যাপী এ ওরসশরিফে দেশ-বিদেশের মুরিদ, ভক্ত, আশেকান ও ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে দরবারশরিফে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হবে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে হজরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিন (ক.)-এর স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হবে।

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, আত্মশুদ্ধির সাধনা এবং মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে এ ওরসশরিফের আয়োজন করা হয়েছে।




আনোয়ারায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছে ৭৬,২৭২ পরিবার, টাকা দাবির বিষয়ে সতর্কতা

আনোয়ারায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছে ৭৬,২৭২ পরিবার, টাকা দাবির বিষয়ে সতর্কতা
আনোয়ারায় প্রেস কনফারেন্সে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হলেও চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৭৬ হাজার ২৭২টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে। কার্যক্রমের প্রথম দিন উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিওরি গ্রাম থেকে এটি শুরু করা হবে।

সরকারের প্রশিক্ষিত ও পরিচয়পত্রধারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করবেন। এ কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে দেশের মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জার মাধ্যমে প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রিজওয়ান আহমেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু জাফর মজুমদার, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের ব্যক্তিগত সহকারী ও বিএনপি নেতা আখতার নবী চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের প্রশিক্ষিত ও পরিচয়পত্রধারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এসব তথ্যের ভিত্তিতে কোন পরিবারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা হবে। এ কারণে পরিবারগুলোর প্রকৃত আর্থসামাজিক অবস্থা তুলে ধরে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৩টি করে ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম চলবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সমাজসেবা কর্মকর্তা জানান, জনবল ও সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে উপজেলার সব ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে একই সঙ্গে কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলে কেউ টাকা দাবি করলে তা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তা বলেন, "ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেউ টাকা চাইলে তা বিশ্বাস করা যাবে না। তথ্য প্রদানের জন্য কোনো অর্থের প্রয়োজন নেই।"