লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ

লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে চরম দরিদ্রতা ও অসহায়ত্বকে পুঁজি করে দুই বোনের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। একই জমি একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি এবং বিক্রির পর জমির দলিল হস্তান্তর না করায় চরম জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

অভিযুক্ত দুই বোন হলেন—লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ফাদুরছড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবদু ছালাম ও মৃত খুরশিদা খাতুনের মেয়ে মদিনা বেগম (৫০) ও জরিনা বেগম (৪৭)। অন্যদিকে তাঁদের অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে একটি দালাল চক্র ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে নানা ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম, হামিদা আক্তার, মো. লালু, নুরুল কবির ও জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সরেজমিনে জানা যায়, মদিনা বেগম ও জরিনা বেগমের বাবা মৃত আবদু ছালাম লামা উপজেলার ৩০৬ নম্বর ফাইতং মৌজার ফাদুরছড়া এলাকায় আর/৩৩০ নম্বর হোল্ডিং সূত্রে ৫ একর ৩য় শ্রেণির জমির মালিক ছিলেন। ২০১৭ সালে ‘মক্কা মদিনা ব্রিকস’ (এমএমবি) নামের একটি ইটভাটা স্থাপনের জন্য মূল মালিক আবদু ছালামের স্ত্রী খুরশিদা খাতুন ও দুই মেয়ে মদিনা বেগম ও জরিনা বেগম ৫ বছরের জন্য উক্ত জমি ভাড়া দেন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দুই বোন স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে উক্ত জমি রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন (১৪ এপ্রিল ২০১৯ তারিখের ২৮৮/২০১৯ নম্বর চুক্তিনামা দলিলসূত্রে ৪ একর ৯০ শতক)। এ নিয়ে পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমা হলে দেওয়ানি আদালত রুহুল আমিনকে জমির বৈধ মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

ইটভাটার মালিক মুমিনুল ইসলাম ও গিয়াস উদ্দিন জানান, উক্ত জমিতে ইতোমধ্যে 'এমএমবি' ইটভাটা গড়ে ওঠায়, ইটভাটার মালিক ওয়াহিদুল ইসলাম বায়নানামা দলিল (৩০৫/২০২১ ও ২৪২/২০২২ নম্বর) সূত্রে রুহুল আমিনের কাছ থেকে ৩ একর ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ইটভাটার অপর অংশীদার ফরিদ উদ্দিন রুহুল আমিনের বাকি অংশ ক্রয় করেন। এছাড়া জমির মূল মালিক মৃত আবদু ছালামের দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানরাও এই সম্পত্তির অংশীদার হওয়ায় ভাটার অন্য অংশীদার গিয়াস উদ্দিন তাঁদের কাছ থেকেও তাঁদের প্রাপ্য অংশ কিনে নেন। পাশাপাশ পার্শ্ববর্তী আলী আহমদের ছেলে আলী হোসেনের কাছ থেকেও ইটভাটার জন্য ৫ একর জমি ভাড়া নেওয়া আছে। তাঁদের ভাষ্য, "রেকর্ডপত্রে যে পরিমাণ জমি রয়েছে, বর্তমানে আমাদের দখলে ততটুকু নেই। তা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা আমাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নিতে না পেরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।"

অভিযোগ রয়েছে, রুহুল আমিনের কাছে ৪ একর ৯০ শতক জমি বিক্রির পরেও মদিনা ও জরিনা তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে স্থানীয় স্ট্যাম্পে (গ্রাম্য কাগজে) আরও ৯০ শতক জমি বিক্রি করেন। এর মধ্যে আবু বক্কর ছিদ্দিকের স্ত্রী মমতাজ বেগমের কাছে ৩০ শতক, জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ৩০ শতক, হামিদা বেগমের কাছে ১০ শতক, মো. লালুর কাছে ১০ শতক এবং নুরুল কবিরের কাছে ১০ শতক জমি বিক্রি করা হয়।

ভুক্তভোগী ক্রেতারা জানান, জমি বুঝিয়ে দেওয়া হলেও তাঁদের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও দুই বোন বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন। ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম বলেন, "দুই বোন এখন এলাকায় থাকেন না। জমি বিক্রি করে অন্যত্র চলে গেছেন। বর্তমানে কিছু ভূমিদস্যু ও দালালের সহায়তায় ইটভাটা মালিক ও আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তাঁরা মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন।"

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মদিনা বেগম বলেন, "এই জমি আমাদের। আমরা কারও কাছে জমি বিক্রি করিনি। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা জমি উদ্ধার এবং জালিয়াতিতে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।"

এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইছার হামিদ জানান, "বিষয়টি মূলত জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ। আদালতই এই সমস্যার আইনি সমাধান দেবেন। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেজন্য ফাইতং পুলিশ ক্যাম্পকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে।"




মানবতার হাত বাড়িয়ে বান্দরবানে ১৮ পরিবারকে টিন দিল 'আমরা কক্সবাজার বৌদ্ধ তরুণ-তরুণী সংগঠন'

মানবতার হাত বাড়িয়ে বান্দরবানে ১৮ পরিবারকে টিন দিল 'আমরা কক্সবাজার বৌদ্ধ তরুণ-তরুণী সংগঠন'
ছবি সংগৃহীত।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘর পুনর্নির্মাণে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কক্সবাজারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'আমরা কক্সবাজার বৌদ্ধ তরুণ-তরুণী'। সংগঠনটির উদ্যোগে বান্দরবানে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি মারমা, বড়ুয়া ও মুসলিম পরিবারের মধ্যে গৃহনির্মাণ সামগ্রী হিসেবে এক বান করে টিন বিতরণ করা হয়েছে।

'সংসারে সব প্রাণী সুখি হোক, মানবতার জয় হোক'—এই স্লোগান সামনে রেখে সম্প্রতি এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘর পুনর্নির্মাণে কিছুটা হলেও সহায়তা করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মানবিক কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন স্পেনে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকরা এবং স্পেন সার্বজনীন বৌদ্ধবিহারের দায়ক-দায়িকারা। এ ছাড়া কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন স্পেন সার্বজনীন বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ কুশলায়ন ভিক্ষু।

টিন বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর জ্ঞান বিকাশ বিহারের অধ্যক্ষ ও 'আমরা কক্সবাজার বৌদ্ধ তরুণ-তরুণী' সংগঠনের সভাপতি ভদন্ত তিষ্যানন্দ ভিক্ষু, স্পেনপ্রবাসী নয়ন বড়ুয়া ও তাঁর সহধর্মিণী জয়া বড়ুয়া, চট্টগ্রাম নিবাসী শাওন বড়ুয়া ও তাঁর সহধর্মিণী মুক্তা বড়ুয়া।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক সুব্রত বড়ুয়া, শুভম বড়ুয়া অপু এবং বান্দরবান থেকে মানবিক কার্যক্রমে সহযোগিতাকারী সমাজকর্মী রিমন বড়ুয়া।

উদ্যোক্তারা বলেন, দুর্যোগ কিংবা সংকটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতার মূল শিক্ষা। ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম বিওপির সফল অভিযান: বিপুল ইয়াবা ও বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম বিওপির সফল অভিযান: বিপুল ইয়াবা ও বিদেশি পিস্তল উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

বিজিবির বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ২,৪৬,০০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) ঘুমধুম বিওপির একটি টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপি জানতে পারে যে, বিওপির দায়িত্বপূর্ণ নয়াপাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারীরা বিদেশি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মেহেদী হাসান আশিকের নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল ১০ আগস্ট সোমবার ভোরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পিলার-৩১ থেকে আনুমানিক ১৩০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়াপাড়া নামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১টি বিদেশি অস্ত্র, ৫ রাউন্ড গুলি এবং ২,৪৬,০০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা ট্যাবলেটের বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অধিনায়ক জানান, “বিজিবি কেবল সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য, রিজিয়ন সদর দপ্তর, কক্সবাজার এবং সেক্টর সদর দপ্তর, রামুর দিকনির্দেশনায় কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকসহ নানা অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে। এসব অভিযানের ফলে কক্সবাজারবাসীর মনে আস্থা ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।




বান্দরবান কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে রোয়াংছড়িতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

বান্দরবান কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে রোয়াংছড়িতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ কৃষকদের মাঝে প্রায় ১৮ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলার উ সারা লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হাজী আবুল বশর। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩০০ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলাম।

এ সময় পাল্পউড প্লান্টেশন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু ইউসুফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এহসানুল হক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সা শৈ প্রু এবং কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, রোপণ করা গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বনজ ও ফলদ গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি কৃষকদের মাঝে ফলদ ও বনজ চারা বিতরণ করা হলে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি কৃষকরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারবেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থী ও সাধারণ কৃষকদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১৮ হাজার গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন আয়োজকরা।