ভূমির অধিকার ও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন

ভূমির অধিকার ও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন

ভূমির অধিকার ও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

দৈনিক মজুরি ১৮৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা নির্ধারণ, শ্রমিকস্বার্থবিরোধী গেজেট ও ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বাতিল, বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (বি-৭৭) স্বাধীন নির্বাচন এবং চা-শ্রমিকদের ভূমির আইনগত মালিকানা নিশ্চিত করার দাবিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কর্ণফুলী চা-বাগানে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন চা-শ্রমিকেরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন কর্ণফুলী চা-বাগানে প্রায় দুই ঘণ্টা কাজ বন্ধ রেখে এ কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকেরা।

বাগানের পঞ্চায়েত কমিটি ও চা-শ্রমিকদের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে শ্রমিকেরা বিভিন্ন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে বাগান এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

চা-শ্রমিক চট্টগ্রাম ভ্যালির সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টুর সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী চা-বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি বিপ্লব কুমার দে-র সঞ্চালনায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন চা-বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রমিকেরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজারমূল্যে ১৮৭ টাকা মজুরি দিয়ে পরিবারের ন্যূনতম জীবনযাপন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের পড়ালেখার ব্যয় বহন করা তো আরও কঠিন। তাঁদের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

চা-শ্রমিক শুকতারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় চা-শ্রমিকদের মজুরি বাড়েনি। ফলে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি জানান তিনি।

শ্রমিক মনিশা ও অন্য শ্রমিকেরা মজুরি বৃদ্ধির দাবির পাশাপাশি অভিযোগ করে বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম চা-বাগানে বসবাস ও শ্রম দিলেও অধিকাংশ শ্রমিকের বসতভিটার জমির ওপর আইনগত মালিকানা নেই।

চা-শ্রমিক চট্টগ্রাম ভ্যালির সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টু বলেন, প্রায় দুই শতাব্দী ধরে চা-বাগানকেন্দ্রিক জনপদে বসবাস করেও অধিকাংশ শ্রমিক নিজেদের বসতভিটার জমির মালিকানা থেকে বঞ্চিত। শুধু মজুরি বাড়ালেই চা-শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সংকটের সমাধান হবে না; তাঁদের ভূমির অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে।




ভূমির অধিকার ও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ভূমির অধিকার ও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চা-শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

দৈনিক মজুরি ১৮৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা নির্ধারণ, শ্রমিকস্বার্থবিরোধী গেজেট ও ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বাতিল, বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (বি-৭৭) স্বাধীন নির্বাচন এবং চা-শ্রমিকদের ভূমির আইনগত মালিকানা নিশ্চিত করার দাবিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কর্ণফুলী চা-বাগানে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন চা-শ্রমিকেরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন কর্ণফুলী চা-বাগানে প্রায় দুই ঘণ্টা কাজ বন্ধ রেখে এ কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকেরা।

বাগানের পঞ্চায়েত কমিটি ও চা-শ্রমিকদের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে শ্রমিকেরা বিভিন্ন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে বাগান এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

চা-শ্রমিক চট্টগ্রাম ভ্যালির সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টুর সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী চা-বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি বিপ্লব কুমার দে-র সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন চা-বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিকেরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজারমূল্যে ১৮৭ টাকা মজুরি দিয়ে পরিবারের ন্যূনতম জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের পড়ালেখার ব্যয় বহন করা তো আরও কঠিন। তাঁদের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

চা-শ্রমিক শুকতারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে; কিন্তু সে তুলনায় চা-শ্রমিকদের মজুরি বাড়েনি। ফলে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি জানান তিনি।

শ্রমিক মনিশা ও অন্য শ্রমিকেরা মজুরি বৃদ্ধির দাবির পাশাপাশি অভিযোগ করে বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম চা-বাগানে বসবাস ও শ্রম দিলেও অধিকাংশ শ্রমিকের বসতভিটার জমির ওপর আইনগত মালিকানা নেই।

চা-শ্রমিক চট্টগ্রাম ভ্যালির সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টু বলেন, প্রায় দুই শতাব্দী ধরে চা-বাগানকেন্দ্রিক জনপদে বসবাস করেও অধিকাংশ শ্রমিক নিজেদের বসতভিটার জমির মালিকানা থেকে বঞ্চিত। শুধু মজুরি বাড়ালেই চা-শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সংকটের সমাধান হবে না; তাঁদের ভূমির অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে।




ভূজপুর মামলার গ্লানি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে হাজারো নিরীহ বিএনপি-হেফাজত কর্মী: প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

ভূজপুর মামলার গ্লানি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে হাজারো নিরীহ বিএনপি-হেফাজত কর্মী: প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
ছবি সংগৃহীত।

২০১৩ সালের ‘ভূজপুর ট্র্যাজেডি’কে কেন্দ্র করে দায়ের করা অবশিষ্ট মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটির দাবি, এসব মামলায় দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে শত শত মানুষ হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

গত ৯ আগস্ট ফটিকছড়ির বাবুনগরে সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিটি দেওয়া হয়। একই সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল ফটিকছড়ির ভূজপুর কাজিরহাট এলাকায় সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি, হেফাজতে ইসলাম ও তৎকালীন জোটের নেতাকর্মীসহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়। সংগঠনটির দাবি, এসব মামলায় অনেক নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে।

ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদ জানায়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সরকারি উদ্যোগের আওতায় কয়েকটি মামলা প্রত্যাহার করা হলেও ‘ভূজপুর ট্র্যাজেডি’কে কেন্দ্র করে দায়ের করা আটটি মামলা এখনো চলমান। এসব মামলায় শত শত মানুষ আসামি রয়েছেন। কয়েকটি মামলা সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে এবং কয়েকটি রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলো চলমান থাকায় আসামি ও তাঁদের পরিবারগুলো আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেককে দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। কারও কারও কারাবরণ করতে হয়েছে। আত্মগোপনে থাকার কারণে অনেকে নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুতে জানাজা ও দাফনেও অংশ নিতে পারেননি বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

মামলার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত আদালতে হাজিরা, আইনজীবীর খরচ ও যাতায়াত ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারগুলো আর্থিক সংকটে পড়েছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এ অবস্থায় মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন সংগঠনটির নেতারা। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মামলা ও হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ দিদারুল আলম ও মহাসচিব মাওলানা আজগর সালেহীর পক্ষে স্মারকলিপিটি দেওয়া হয়।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।




দেশে আর কোনো স্বৈরাচার সৃষ্টি হতে দেব না, সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব

দেশে আর কোনো স্বৈরাচার সৃষ্টি হতে দেব না, সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব
ছবি সংগৃহীত।

সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বিএনপি সরকার। আর কখনো কোনো স্বৈরাচারী গোষ্ঠী তৈরি হতে দেওয়া হবে না। বিএনপি সরকারের পাশে থাকবেন—এই মর্মে দুহাত তুলে সমর্থন চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাটহাজারী পার্বতী সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠের বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, "নির্বাচনের আগে দেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে বিএনপি সরকার। এ সরকার জনগণের সরকার। আপনাদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। তাই আমরা নারীদের পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে চাই, তাঁদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে চাই। সে জন্যই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম; সরকার গঠনের সাথে সাথেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। একই সাথে কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ডের কথা বলেছিলাম, তাও বাস্তবায়ন করেছি। ওয়াদা করেছিলাম, সারা বাংলাদেশে যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ আছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে। সরকার গঠনের এক সপ্তাহের মধ্যেই তা করা হয়েছে। এতে প্রায় ১৩ লাখ কৃষক ঋণমুক্ত হয়েছেন।"

তিনি আরও বলেন, "গ্রাম ও পাহাড়ের মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৩১ শয্যার হাসপাতাল করেছিলেন, পরে বেগম খালেদা জিয়া তা ৫০ শযয়ায় উন্নীত করেছিলেন। বর্তমান সরকার সারা দেশের ৫০১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শযয়ায় উন্নীত করে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে, যাতে দেশের মানুষ উপযুক্ত চিকিৎসা পায়। শিক্ষাখাতের উন্নয়নের জন্য সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পোশাক তৈরি করে দেওয়া হবে।"

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে হাটহাজারী পার্বতী সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। তাঁর আসার আগেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সরকার গঠনের ছয় মাসের মধ্যে এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারীতে এলেন।

এর আগে বেলা দুটার দিকে তিনি ফটিকছড়ি উপজেলার বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন। সেখান থেকে বিকেল ৫টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসায় প্রবেশ করে হেফাজতে ইসলামের সাবেক প্রয়াত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) ও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর (রহ.) কবর জিয়ারত করেন। এ সময় হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মুফতি খলিল আহমদ কাসেমীসহ মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

ফটিকছড়ি থেকে বুলেটপ্রুফ বাসে আসার সময় নাজিরহাট-হাটহাজারী সড়কের দুই পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মী জমায়েত হয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরবর্তীতে চট্টগ্রামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি হাটহাজারী ত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ দলীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।