বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে এবং দেশটি এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। তিনি বলেন, এ বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে, যা মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।

আজ (শনিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয় থেকে জানানো হয়েছে, বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। এর ইঙ্গিত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল এডভাইসারীর ইতিবাচক সংশোধন করেছে।

তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। এ ছাড়া, আগামী মাসে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসনের (এফডিএ) সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। গোর আশ্বাস দেন যে বাংলাদেশে এফডিএর পরীক্ষাকার্য পুনরায় শুরু করার বিষয়ে তিনি সহায়তা করবেন।

এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশনের (ডিএফসি) মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

বিশেষ দূত জানান, বাংলাদেশে ডিএফসির বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবে কাজ করবে। ঢাকায় মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই একটি ইউএস ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজন করতে আগ্রহী। তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে নিজে কাজ করছেন বলেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গম এবং অন্যান্য কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশের বিশেষ আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। বিশেষ দূত বলেন, এ খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এ বিষয়ে তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে জানান।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ দূত কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার আগের দিনের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে আসে। এ জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। তিনি এ লক্ষ্যে আসিয়ান ও প্রতিবেশী দেশগুলোসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।




ধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতের প্রত্যাশা: শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিত করা

ধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতের প্রত্যাশা: শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিত করা
ছবি সংগৃহীত।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও প্রবীণ আলেম আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা। এই সাক্ষাৎকে দেশের শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বির সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন তারা।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, “হেফাজতে ইসলামের আমির ও আমাদের শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া নিতে আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের একজন প্রধান দেশের শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বির সান্নিধ্যে আসছেন—এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাব।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা, দেশের মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারেন। সামাজিক হানাহানি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে যেন দেশ মুক্ত থাকে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে।”

দেশে ইসলামবিদ্বেষী কোনো শক্তি যাতে মানুষের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়েও সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন হেফাজতের এই মুখপাত্র।

মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আরও বলেন, “আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব ও দাবি আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।” তবে এই সাক্ষাৎকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি। তিনি বলেন, “আজকের এই অনুষ্ঠানটি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হুজুরের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ ও দোয়ার অনুষ্ঠান।”

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের শীর্ষ আলেমদের এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।




জোট নয়, ইসলামের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা: ইসলামাবাদী

জোট নয়, ইসলামের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা: ইসলামাবাদী
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাক্ষাৎকে স্বাগত জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। এ সাক্ষাতে ইসলামের স্বার্থে কোনো আইন না করা এবং চট্টগ্রামে আরও একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শেখ হুসাইন মুহাম্মদ ইসলামাবাদী।

রবিবার (৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হুসাইন মুহাম্মদ ইসলামাবাদী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, এতে আমরা খুবই খুশি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মেহমান হিসেবে আসছেন; তাই আমাদের কোনো রাজনৈতিক দাবি থাকবে না। তবে ইসলাম ও দেশের স্বার্থে দুটি বিষয় তুলে ধরব।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো আইন যেন সংসদে পাস না হয়, এটি আমাদের প্রথম দাবি। ইসলামের মৌলিক মূল্যবোধ ও কোরআন-হাদিসের পরিপন্থী কোনো আইন প্রণয়ন না করার বিষয়ে আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই।’

দ্বিতীয় দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ফটিকছড়িতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের আদলে বা এর আওতায় আরও একটি বড় ও আধুনিক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানাব। চট্টগ্রামের মানুষের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণের জন্য এটি প্রয়োজন।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে হেফাজতের অন্য নেতাদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। তবে কর্মসূচির বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএনপি বা সরকারের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কোনো জোটের আলোচনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসলামাবাদী বলেন, ‘এটি কোনো জোটের আলোচনা নয়। মাদ্রাসা ও আলেম-ওলামাদের সঙ্গে সরকারের যে সম্পর্ক রয়েছে, সেই সম্পর্কের জায়গা থেকে আলোচনা হবে। ভবিষ্যতের জন্য কীভাবে কাজ করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশ ও ইসলামের স্বার্থে আমরা সব সময় সরকারের সহযোগিতা করতে চাই। তবে ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো কাজ হলে আমরা তার প্রতিবাদ করব এবং প্রয়োজন হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’

প্রধানমন্ত্রী ও হেফাজতে ইসলামের আমিরের এ সাক্ষাৎ দেশের স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।




হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা—নিরাপত্তার চাদরে পুরো এলাকা

হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা—নিরাপত্তার চাদরে পুরো এলাকা
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফটিকছড়ি সফরকে ঘিরে পুরো এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সফরস্থল, সংযোগ সড়ক ও আশপাশের এলাকায় চলছে কঠোর নজরদারি।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগরের সংশ্লিষ্ট সড়কে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় আড়াই থেকে তিন হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সফরস্থল একাধিকবার পরিদর্শন করে নিরাপত্তার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেছেন।

ফটিকছড়ির পাইন্দংয়ের পেলাগাজী দিঘি হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা চৌকি ও কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সফরপথের আশপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে বিপুলসংখ্যক মানুষ সড়কের পাশে অবস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন।

তবে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের কয়েকটি ভেন্যুতে সফর রয়েছে। সফর উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভেন্যু ও সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আড়াই থেকে তিন হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।’