বাঁশখালীতে পূজা মণ্ডপের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন পূজা কমিটির নেতারা
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

বাঁশখালীতে পূজা মণ্ডপের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন পূজা কমিটির নেতারা

বাঁশখালীতে পূজা মণ্ডপের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন পূজা কমিটির নেতারা
বাঁশখালীতে পূজা মণ্ডপে প্রস্তুতি পরিদর্শন করছেন পূজা কমিটির নেতারা।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আসন্ন দুর্গাপূজার প্রস্তুতি হিসেবে পূজা মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছেন পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা।

পূজা উদযাপন পরিষদ বাঁশখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি লায়ন অ্যাডভোকেট শেখর দত্তের নেতৃত্বে কমিটির নেতারা শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার পুকুরিয়া, সাধনপুর, কালীপুর, নাপোড়া ও জলদীসহ বিভিন্ন এলাকার পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা (CCTV Camera) স্থাপনের বিষয়টি তদারকি করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা দিলিপ দত্ত, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা দিপু সেন, পুকুরিয়া ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি সুবল কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অজিত ধর, বাণীগ্রাম জগন্নাথ ধাম সার্বজনীন মণ্ডপের স্বরাজ ভট্টাচার্য, পুকুরিয়া বেলগাঁও চা বাগান রংপুর টিলা মণ্ডপের সভাপতি মিলন তাঁতি, পূর্ব টিলা মণ্ডপ কমিটির সভাপতি মিটন দেব, সাধারণ সম্পাদক নিরেন ওরাং এবং বাঁশখালী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতলব কালু প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে টিমটি পুকুরিয়া হাজীগাঁও মহামায়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করে এবং মন্দিরের সংলগ্ন অসুস্থ ডা. বিমল শীলকে দেখতে যান। তারা ডা. বিমল শীলের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।




মনছুরের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লোহাগাড়ায় মানববন্ধন

মনছুরের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লোহাগাড়ায় মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

সৌদি আরবের জিদ্দায় লোহাগাড়ার প্রবাসী মনছুর আলমের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হোটেল মাশাবির সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মনছুর আলমের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।  মনছুর লোহাগাড়া উপজেলার দক্ষিণ সুখছড়ি আকিকার পাড়ার নুরুল কবিরের ছেলে। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- খোরশেদ আলম, মো. সাব্বির, মু. শাহজাহান, জাহেদুল ইসলাম, সোলতানা  ও খালেদা বেগম।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত রবিবার রাতে সৌদি আরবের রিয়াদে তার চাচাতো ভাইয়ের বাসা থেকে মনছুরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন সে দেশের পুলিশ। সৌদি আরবের মদিনায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে মনছুর আলমের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয় এবং তাকে বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ ও হয়রানি করা হয়। একপর্যায়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তারা।

বক্তারা মনছুর আলমের ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে শওকত, রেজাউল ও সোহেলের নাম উল্লেখ করে তাদের সৌদি আরবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান। একই সঙ্গে মনছুরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং কেউ দায়ী হলে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তারা। তারা আরো বলেন মনছুর আলম (৩০) প্রায় তিন বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে যান। সেখানে মদিনায় কয়েকজন অংশীদারের সঙ্গে মুদি দোকানের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন তিনি। ব্যবসার হিসাব-নিকাশ নিয়ে অংশীদারদের সঙ্গে মনছুরের বিরোধ দেখা দেয়। পরে তার বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ তোলা হয় এবং তাকে মারধর করে দোকান থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনার পর তিনি মদিনা থেকে রিয়াদে তার চাচাতো ভাইয়ের কাছে চলে যান। সেখানেও ফোন ও ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে তাকে চাপ দেওয়া হতো বলে পরিবারের দাবি। এসব ঘটনায় মনছুর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে সৌদি আরবে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তবে মনছুরের ব্যবসায়িক অংশীদার শওকত, রেজাউল ও সোহেলের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। 
 




পটিয়ার শ্রীমতি খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

পটিয়ার শ্রীমতি খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়ায় শ্রীমতি খাল থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ১৫ নম্বর ছনহরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীমতি খাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শ্রীমতি খালে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। এ সময় আশপাশের এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত যুবকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে এবং তিনি কীভাবে শ্রীমতি খালে এলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, শ্রীমতি খাল থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হবে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।




বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার সহায়তা দিল সরকার

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার সহায়তা দিল সরকার
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারের ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে এসব চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপিকে হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই এবং জনগণের পাশে থেকেই কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও-বিষয়ক প্রধান ও বাঁশখালীর কৃতি সন্তান ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে মোট প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, সরকারের উদ্যোগে বাঁশখালীর সড়ক, কালভার্ট ও বেড়িবাঁদের উন্নয়নকাজ দ্রুত শুরু হবে। একই সঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির চট্টগ্রাম সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত পুনর্বাসনের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।