ফলোআপ: নাইক্ষ্যংছড়ির গহীন পাহাড়ে মুরুং শিশুদের হামে আক্রান্তের খবরে ১৫০ শিশুর দ্রুত চিকিৎসা শুরু
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

ফলোআপ: নাইক্ষ্যংছড়ির গহীন পাহাড়ে মুরুং শিশুদের হামে আক্রান্তের খবরে ১৫০ শিশুর দ্রুত চিকিৎসা শুরু

ফলোআপ: নাইক্ষ্যংছড়ির গহীন পাহাড়ে মুরুং শিশুদের হামে আক্রান্তের খবরে ১৫০ শিশুর দ্রুত চিকিৎসা শুরু
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম পাহাড়ি জনপদ ইয়াংনি মুরুং পাড়ায় হামের প্রাদুর্ভাবের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিনটি পাড়ার ১৫০ শিশুকে দ্রুত চিকিৎসা দিয়েছে ১১ বিজিবি ও নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। তারা যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ চিকিৎসা প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা. মো. আবুল মনজুর জানান, খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে তারা ইয়াংনি পাড়ায় দুটি মেডিকেল টিম পাঠান। এছাড়া ১১ বিজিবি ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার পুক্রাত পাড়া ও মাস্টার পাড়াসহ মোট তিনটি পাড়ার ১৫০ শিশু-কিশোরকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

এ মেডিকেল ক্যাম্পে হাম, চর্মরোগ, ঠান্ডাজনিত সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেন উপস্থিত চিকিৎসকরা।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ও পাহাড়ি এলাকায় হাম রোগে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর আপাতত তাদের কাছে নেই। সবকিছু ঠিকঠাক মতোই রয়েছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে নেতাকর্মীদের উৎসবমুখর পরিবেশে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিংপ্রু জেরী

নাইক্ষ্যংছড়িতে নেতাকর্মীদের উৎসবমুখর পরিবেশে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিংপ্রু জেরী
ছবি সংগৃহীত।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দলমত ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে তাঁর প্রথম সরকারি সফরে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

দিনব্যাপী সরকারি সফরে মন্ত্রী উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সফরের শুরুতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অংশ নেন পার্বত্য মন্ত্রী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, যোগাযোগব্যবস্থা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং স্থানীয় জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল করিম, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাম্মেল হকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা সভায় মন্ত্রী বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি একটি সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরে মন্ত্রী উপজেলা কমপ্লেক্সে আয়োজিত মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় স্থানীয় মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যজীবীদের উৎসাহিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। স্থানীয় জলাশয়ে পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এরপর পার্বত্য মন্ত্রী উপজেলা সদরের একটি বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে পার্বত্য এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহাবস্থান ও স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতা থাকতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সফরের শেষ পর্যায়ে রেস্ট হাউস চত্বরে স্থানীয় রাজনৈতিক ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন পার্বত্য মন্ত্রী। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়ির যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সীমান্ত এলাকার সমস্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন, অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা এবং স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন দাবিদাওয়া গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে মন্ত্রীর সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নুরুল কাশেম ও সদস্যসচিব সাইফুদ্দিন বাহাদুর সার্বিকভাবে সমন্বয় ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাশৈ প্রু, মুজিবুর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবুল হাসেম, জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম কোম্পানি, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কামাল, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া খান মামুন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান চৌধুরী, যুবদল নেতা আমিরুল কবির রাকিব, যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময়কালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা নাইক্ষ্যংছড়ির যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনগণের বিভিন্ন দাবিদাওয়া মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরীর নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রথম সরকারি সফরটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর এই সফরের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-প্রত্যাশার বিষয়গুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

দিনব্যাপী আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা, মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ ও বিতরণ, বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরীর নাইক্ষ্যংছড়ি সফর শেষ হয়। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী কর্মসূচিগুলো সম্পন্ন হয়।




পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব বান্দরবান গড়াই আমাদের লক্ষ্য- পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব বান্দরবান গড়াই আমাদের লক্ষ্য- পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পরিকল্পিত, টেকসই, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি।

বুধবার বিকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সদর উপজেলা কনফারেন্স হলে বান্দরবান ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের মূল সুফল যেন স্থানীয় জনগণ পায়, সেজন্য তাদের সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সাথে পরিবেশ সুরক্ষা ও পর্যটনের টেকসই মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও এলজিইডি-সহ সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

বান্দরবানকে একটি আদর্শ পর্যটননগরী হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব বান্দরবান নগরী গড়ে তোলা। দেশ-বিদেশের অগণিত পর্যটক এই শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। তাই আমাদের ব্যবসায়ী ও পর্যটন খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে উন্নত পেশাদারি আচরণ, বিনয় ও আতিথেয়তার কৌশল রপ্ত করতে হবে।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, হোটেল-মোটেলের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, কিচেন ও টয়লেট জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বিদেশি পর্যটকদের আন্তর্জাতিক মানে আপ্যায়ন করা জরুরি। শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমেই বান্দরবানকে বিশ্বদরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়নের কথা উল্লেখ করে সাচিং প্রু এমপি জানান, পার্বত্য অঞ্চলের কৃষি ও প্রান্তিক চাষিদের অর্থনৈতিক ভাগ্যোন্নয়নে ইতিপূর্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং কৃষি মন্ত্রীর সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকগুলোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের কাজুবাদাম, কফি, আদা, হলুদ ও আনারসের মতো সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত দেশি মুরগি পালন, সাতিফসল চাষ এবং পাহাড়ি সেচব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়ের কৃষকদের দেশের মূল অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি।

বান্দরবান ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি হাফেজ মোঃ আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌস, বান্দরবান পৌরসভার পৌর প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক এবং বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফা সুলতানা খান হীরা।




লামায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক দুই কিশোর

লামায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক দুই কিশোর
ছবি সংগৃহীত।

 

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই কিশোরকে আটক করেছে আজিজনগর ফাঁড়ির পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে আজিজনগর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ইসলামপুরে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

আটক দুইকিশোর ইসলামপুর আতিক্কা পাড়া এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে নুরুল কবির (১৪) এবং আরেক জন নুরুল আমিন বৈদ্যের ছেলে নাজিমুল ইসলাম(১২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া যায়, দুপুর দুইটার দিকে খাওয়া দাওয়া শেষে ভিকটিমের মা ৬ বছরের মেয়েকে পাশের বাসায় রেখে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে আনতে যায়। মেয়েটি বাড়ির পাশে অন্যান্য ছোট ছোট মেয়েদের সাথে খেলছিল। তখন অভিযুক্ত দুই কিশোর তাকে খেলা থেকে ডেকে নিয়ে পাশের একটি বাগানে ধর্ষণ করে।

মেয়েটির প্রচুর রক্তপাত হওয়ায় সাথে সাথে তাকে চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানান আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম।

সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়সার হামিদ জানান, এই ঘটনায় দুই কিশোরকে আটক করা হয়েছে তাদের বিরুদ্বে আইনী কার্যক্রম চলমান।