জমকালো আয়োজনে লামায় দৈনিক কালবেলার বর্ষপূর্তি উদযাপন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

জমকালো আয়োজনে লামায় দৈনিক কালবেলার বর্ষপূর্তি উদযাপন

জমকালো আয়োজনে লামায় দৈনিক কালবেলার বর্ষপূর্তি উদযাপন
ছবি সংগৃহীত।

জমকালো আয়োজনে বান্দরবানের লামায় দৈনিক কালবেলার ৪র্থ বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে লামা প্রেস ক্লাবের ৩য় তলার হলরুমে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে দৈনিক কালবেলার লামা প্রতিনিধি বিপ্লব দাশের আয়োজনে ঝাঁকঝমকপূর্ণভাবে ৪র্থ বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—সহকারী তথ্য অফিসার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল হামিদ, লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম আরমান, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও জিটিভি প্রতিনিধি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন রিটু, লামা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি তৈয়ব আলী, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সাঙ্গু প্রতিনিধি বেলাল আহমদ, লামা মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক পূর্বকোণ প্রতিনিধি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও আলোকিত সকাল প্রতিনিধি মোহাম্মদ আবুল হাসেম, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক সংগ্রাম প্রতিনিধি মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সহ-সভাপতি উজ্জ্বল বড়ুয়া, সিনিয়র সাংবাদিক এস কে খগেশ চন্দ্র খোকন, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, কালবেলার আলীকদম প্রতিনিধি সুজন চৌধুরী, দৈনিক দৈনন্দিন প্রতিনিধি মো. হাসান, দৈনিক সংবাদ দিগন্ত প্রতিনিধি ইনতাজ হোসেন, সাংবাদিক আব্দুল ওহাব, টিআই মাহামুদ, এস এম আকাশ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আরমানসহ অন্যান্যরা।

দৈনিক কালবেলার লামা প্রতিনিধি বিপ্লব দাশ বলেন, "কালবেলার নবযাত্রার চার বছরে পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। মানুষের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতায় জনগণের পক্ষেই পত্রিকাটি সংবাদ পরিবেশন করে আসছে।"

সহকারী তথ্য অফিসার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, "বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সঠিক ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রচার করা অত্যন্ত জরুরি। কালবেলা তার প্রিন্ট সংস্করণের পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমেও পাঠকদের দ্রুত সঠিক তথ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা আশা করি, আগামী দিনগুলোতেও দৈনিক কালবেলা কোনো অন্যায়ের কাছে আপস না করে, গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে তার এই সাহসী অভিযাত্রা অব্যাহত রাখবে।"

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ বলেন, "বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য কালবেলা ইতোমধ্যে পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছে। কালবেলা সেই নীতি অনুসরণ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে, যা প্রশংসনীয়।" তিনি পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।




শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সদা প্রস্তুত বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সদা প্রস্তুত বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)
ছবি সংগৃহীত।

শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দীর্ঘ ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বান্দরবানের থানচিতে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) অধিনায়কের সার্বিক নেতৃত্ব, দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি, দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমে পূজাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী বান্দরবান সদর ও থানচি উপজেলার ৪টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) দায়িত্ব পালন করবে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে ৩টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব বেইজ ক্যাম্পের মাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার, নিয়মিত টহল পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান করা হবে।

১৬ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় বান্দরবান সদর ও থানচি উপজেলায় ব্যাটালিয়নের মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি সরকারি নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন।

বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) অধিনায়ক ও পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন (বিপিএমএস, পদাতিক) বলেন, “ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা বিজিবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ব্যাটালিয়ন পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকা এবং যেকোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে নিকটস্থ বিজিবি বেইজ ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, “বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জননিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা জনগণের পাশে রয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ও উৎসবের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে ব্যাটালিয়নের প্রতিটি সদস্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ।”




নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ কচ্ছপিয়ার আজিম আটক

নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ কচ্ছপিয়ার আজিম আটক
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নুরুল আজিম (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত টমটম (ইজিবাইক) জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের সামনের পাকা সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে একটি টমটমে তল্লাশি চালিয়ে এর পেছনের অংশে ঢালাই করে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছয় কাটে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত টমটমটিও জব্দ করা হয়।

আটক নুরুল আজিম (২০) কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোরাকাছা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মুক্তার আহমেদ এবং মায়ের নাম মমতাজ বেগম।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।




নাইক্ষ্যংছড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ১১ বিজিবির অধিনায়ক

নাইক্ষ্যংছড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ১১ বিজিবির অধিনায়ক
ছবি সংগৃহীত।

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে উদযাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ও বাইশারী ইউনিয়নসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বিজিবি সদস্যরা। এর মধ্যে এক প্লাটুন সদস্য পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছেন এবং অপর প্লাটুন নিয়মিত টহল পরিচালনা করছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী সার্বজনীন হরিমন্দির পূজামণ্ডপ এবং বাইশারী এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে বিজিবির অধিনায়ক দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজো শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পাদন নিশ্চিত করতে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) নবাগত উপ-অধিনায়ক মেজর তাহসিন উদ্দিন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ দমন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করে আসছে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তায় বাহিনীটি সর্বদা নিয়োজিত রয়েছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় উৎসব নিরাপদ ও আনন্দমুখর করতে এ ধরনের নিরাপত্তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

লেখাটি কোনো নির্দিষ্ট সংবাদপত্রের প্রকাশের জন্য পাঠাতে চাইলে বা শিরোনামে আরও কোনো বৈচিত্র্য আনতে চাইলে জানাতে পারেন!