চোরাই রাবার নিয়ে সংবাদ, সাঙ্গু প্রতিনিধিকে হত্যার হুমকির অভিযোগ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন

চোরাই রাবার নিয়ে সংবাদ, সাঙ্গু প্রতিনিধিকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

চোরাই রাবার নিয়ে সংবাদ, সাঙ্গু প্রতিনিধিকে হত্যার হুমকির অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

চোরাই রাবার উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সাঙ্গুর ফটিকছড়ি উত্তর প্রতিনিধি ও ফটিকছড়ি উত্তর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি সাংবাদিক আজগর সালেহীকে অপহরণ করে হত্যা এবং লাশ গুমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ভূজপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

জিডিতে অভিযুক্ত মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলামকে উপজেলার ২ নম্বর দাঁতমারা ইউনিয়নের হাসনাবাদ মুন্সিপাড়ার মোহাম্মদ রফিকের ছেলে হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে তাঁকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নেতা বলেও উল্লেখ করা হয়।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর ‘ভূজপুরে ১৫ লাখ টাকার রাবার জব্দ, কভার ভ্যানসহ আটক ৩’ শিরোনামে দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই দিন চট্টগ্রাম শহরে পাচারের সময় একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার কেজি চোরাই রাবার উদ্ধার করে দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল। এ সময় তিনজনকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় রাবার বাগান কর্তৃপক্ষ জাহেদুল ইসলামসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ভূজপুর থানায় চুরির মামলা করে। মামলাটির নম্বর ১৭, তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৬।

জিডিতে বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জাহেদুল ইসলাম, রাসেলসহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে। প্রশাসনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক আজগর সালেহী।

অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশের জেরে গত ২১ অক্টোবর রাত ১০টা ১২ মিনিট ও ১০টা ১৪ মিনিটে ০১৭৭৭-৪০৭৭৭৭ নম্বর থেকে তাঁর মোবাইল ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে কল করা হয়। এ সময় তাঁকে অপহরণ করে হত্যা এবং লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জিডিতে আরও বলা হয়, ফোনে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা আবু তৈয়বের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁদের একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে সংবাদ সংগ্রহের কাজে দাঁতমারা ও বাগানবাজার ইউনিয়নসহ উত্তর ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় গেলে আজগর সালেহীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ছাড়া অভিযুক্তের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সরকারবিরোধী ফেস্টুন ও ব্যানারসংবলিত পোস্ট এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে আন্দোলনের আহ্বানসংক্রান্ত পোস্ট থাকার বিষয়টিও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সাংবাদিক আজগর সালেহী বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সংবাদ প্রকাশের কারণে এ ধরনের হুমকি তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করার ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একজন সাংবাদিক, সংগঠক ও শিক্ষক হিসেবে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোহাম্মদ লিটন মিয়া বলেন, “জিডিটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মোহাম্মদ জমির উদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে সাংবাদিককে হত্যার হুমকির ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফটিকছড়ি উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

তাঁরা বলেন, সংবাদ প্রকাশের জেরে একজন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়া স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাহীন পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।




ফটিকছড়িতে বিনা মূল্যে চোখের চিকিৎসা নিলেন তিন শতাধিক রোগী

ফটিকছড়িতে বিনা মূল্যে চোখের চিকিৎসা নিলেন তিন শতাধিক রোগী
ছবি সংগৃহীত।

চোখের নানা সমস্যায় ভোগা মানুষের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবার আয়োজন করেছে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ফিনিক্স। বুধবার (২৮ অক্টোবর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বারৈয়ারহাট এলাকায় নজরুল আদর্শ সংঘ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তিন শতাধিক মানুষ চক্ষু চিকিৎসা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের সেবা নেন।
কর্মসূচিতে রোগীদের চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী, অস্ত্রোপচার প্রয়োজন এমন প্রায় ৫০ জন রোগীর চোখের অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে পরবর্তী সময়ে সম্পন্ন করা হবে।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কক্সবাজারের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মুর্তজা রেজা হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসিম হায়দার।
আয়োজকেরা জানান, সাধারণ মানুষের কাছে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া, চক্ষুস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং অস্ত্রোপচার প্রয়োজন এমন রোগীদের পরবর্তী চিকিৎসা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। নজরুল আদর্শ সংঘের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রায় ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডা. দীপক কুমার রায়, ডা. এস কে রায় নান্টু, ডা. অজিত চন্দ্র দে, সাবেক কাউন্সিলর এহসানুল করিম, ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম এবং বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ব্যাংকের জোনাল হেড মুজতবা আলী হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ফিনিক্সের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রিজিয়ন চেয়ারপারসন (হেডকোয়ার্টার অ্যাডমিন) লায়ন মো. মাহাবুবুল ইসলাম, লায়ন আব্দুল্লাহ আল কাদের, রিজিয়ন চেয়ারপারসন লায়ন ইঞ্জিনিয়ার অশোক কুমার চৌধুরী, উপদেষ্টা লায়ন ইঞ্জিনিয়ার হোসেন ইমাম, ক্লাব সেক্রেটারি লায়ন ইঞ্জিনিয়ার শেখ কাওছার মাছুম, জোন চেয়ারপারসন লায়ন মো. মামুনুর রশিদ (এমজেএফ), ট্রেজারার লায়ন ওমর ফারুক ও ডিস্ট্রিক্ট অবজারভার লায়ন মো. কামরুল হাসান।
নজরুল আদর্শ সংঘের সভাপতি মাহফুজুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানবীর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠনটির কার্যকরী পরিষদ, স্থায়ী পরিষদ ও স্কাউট দলের সদস্যরা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন।




ফটিকছড়ির হেঁয়াকোতে টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা, ধাওয়া খেয়ে সুয়াবিলে আটক ৫

ফটিকছড়ির হেঁয়াকোতে টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা, ধাওয়া খেয়ে সুয়াবিলে আটক ৫
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হেঁয়াকো এলাকায় মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে চুরির চেষ্টা চালিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন তাঁদের ধাওয়া করে নাজিরহাট পৌরসভার সুয়াবিল টেকের দোকান এলাকা থেকে আটক করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁদের মারধর করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি নোহা গাড়ি নিয়ে পাঁচ ব্যক্তি হেঁয়াকো এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তাঁরা ধাওয়া দেন। এ সময় ওই ব্যক্তিরা গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সেখান থেকে ধাওয়া করে নাজিরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুয়াবিল টেকের দোকান এলাকায় গাড়িসহ তাঁদের আটকে ফেলেন স্থানীয়রা।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঢাকার কেরানীগঞ্জের আটিবাজার এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সাইদুল ইসলাম শিমুল (৩২), কুমিল্লার লাকসামের মৃত রফিকের ছেলে সামশু উদ্দিন (৪১), একই এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোজাম্মেল হক (৩২), চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের সিরাজুলের ছেলে ইউনুস (৪২) এবং কুমিল্লার লাকসামের তৈয়ব আলীর ছেলে সোহাগ (৩৪)।

খবর পেয়ে উদালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জ্যোতিষ চন্দ্র দেব ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে ভূজপুর থানায় নিয়ে যান।

ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়রা পাঁচজনকে আটক করেন। পরে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”




ফটিকছড়িতে একদিনে ৭ হাজার বৃক্ষরোপণ, সবুজায়নে নতুন উদ্যোগ

ফটিকছড়িতে একদিনে ৭ হাজার বৃক্ষরোপণ, সবুজায়নে নতুন উদ্যোগ
ছবি সংগৃহীত।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এক দিনে সাত হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচি ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভার আয়োজনে বারৈয়ারহাট এলাকার উৎসব কমিউনিটি সেন্টারে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘এক দিনে ১ লক্ষ বৃক্ষ, সবুজ পরিবেশ আমাদের লক্ষ্য’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম।

কর্মসূচিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্ল্যাহ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব চারা রোপণ করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, “একটি চারা রোপণ করা মানে শুধু একটি গাছ লাগানো নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মল বাতাস, নিরাপদ পরিবেশ ও সবুজ পৃথিবীর ভিত্তি তৈরি করা। তবে বৃক্ষরোপণের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে চারাগুলো বাঁচিয়ে রাখা এবং সঠিক পরিচর্যার ওপর।”

তিনি আরও বলেন, “চারা রোপণের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা, সেচ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে। বাড়ির আঙিনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যার দায়িত্বও নিতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার মাধ্যমে ফটিকছড়িকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এক দিনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে নিয়মিত পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে রূপ দিতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”