চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন

চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান

চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে প্রত্যাখ্যান করে লাল কার্ড প্রদর্শন ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সকালে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকেন তারা। এছাড়া নতুন উপাচার্যের প্রবেশ ঠেকাতে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে পালাক্রমে পাহারাও দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, তাদের গ্রাফিতি কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া। দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চললেও দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা হতাশ।

তারা বলেন, ‘আমরাও দ্রুত ক্লাসে ফিরতে চাই। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবন ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই ক্যাম্পাসে গ্রাফিতি আঁকা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অধ্যাপক সায়েমকে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি ভালোভাবে কাজ করছিলেন উল্লেখ করে ওই শিক্ষার্থী বলেন, তাঁকে কাজ করার জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। রাতে নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে সেখানে পাহারায় বসেন তাঁরা।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চুয়েট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনও।

গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া শাটডাউন কর্মসূচির কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। বন্ধ রয়েছে ক্লাস ও পরীক্ষা।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে অনলাইনে উপাচার্য পদে যোগ দেন অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। ওই দিন রাতে ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে নতুন উপাচার্যকে চুয়েটে না চাওয়ার কথা জানান শিক্ষক সমিতির সভাপতি।

চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম গত ২৭ জুলাই উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে ২১ সেপ্টেম্বর তাঁকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে মূল ফটকে তালা দিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ, যার প্রভাবে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।




হালদা নদীর সংযুক্ত খালে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজকে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

হালদা নদীর সংযুক্ত খালে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজকে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড
ছবি সংগৃহীত।

হাটহাজারীর ফতেয়াবাদের ছড়ারকূল এলাকায় হালদা নদীর সংযুক্ত খালে কারখানার দূষিত পানি সরাসরি নির্গমন করে পরিবেশ দূষিত করার অভিযোগে গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট। সোমবার(৫অক্টোবর) মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এ জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুবিন।এসময় তার নেতৃত্বে আল রাজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরেজমিন পরিদর্শন করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: আল আমিন হোসেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সুত্রে জানা যায়, মেসার্স গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ পরিবেশের ছাড়পত্র ব্যতিরেকে কেমিক্যাল গুদামজাতকরণ এবং কেমিক্যালযুক্ত পানি সরাসরি ড্রেনের মাধ্যমে ছড়ারকূল খালে নির্গমণ করে হালদা নদীর সংযুক্ত খালে কারখানার দূষিত পানির কারনে পরিবেশ দূষিত করার অভিযোগের সত্যতা পায়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এক লক্ষ জরিমানা করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের প্রসিকিউশন টিম এবং হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ।

হালদা নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় নদীর সংযুক্ত খাল-ছড়ায় কেমিক্যাল, অপরিশোধিত বর্জ্য কিংবা যেকোনো দূষণকারী পদার্থ নির্গমনের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতিসাধন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে ইউএনও আবদুল্লাহ আল মুবিন জানান।




হিসাব-নিকাশসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ফটিকছড়িতে মাদ্রাসা পরিচালক বহিষ্কার

হিসাব-নিকাশসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ফটিকছড়িতে মাদ্রাসা পরিচালক বহিষ্কার
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির পাইন্দং বাইতুছ ছালাম জামে মসজিদ ও হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) নূরানী মাদ্রাসা ও হিফজখানার সুপার ও পরিচালক মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি। একই সঙ্গে তাঁকে প্রতিষ্ঠানের সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদ্রাসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ মফিজুল আলম। তিনি বলেন, মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া, ব্যাংক হিসাব না খোলা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সনদপত্র কমিটির কাছে উপস্থাপন না করা এবং পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত না মানাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

সভাপতি মফিজুল আলম বলেন, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে মাসুম বিল্লাহকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। পরে প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ওয়াকফ এস্টেটভুক্ত করার জন্য সরকারি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। ওই প্রক্রিয়া শেষে মোতোয়াল্লি ও পরিচালনা কমিটি অনুমোদন পেয়েছে।

তিনি জানান, গত ২৭ আগস্ট ও ৫ সেপ্টেম্বর পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য অপারেটর নিয়োগের রেজুলেশন করা হয়। কিন্তু এরপরও মাসুম বিল্লাহ প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশ ও ব্যাংকসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য কমিটির কাছে হস্তান্তর করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের হিসাব না দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ নিজস্ব স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার ভবন ও জায়গা ব্যবহারে অনিয়ম এবং কমিটির সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ সেপ্টেম্বর পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাসুম বিল্লাহকে মাদ্রাসার সব দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিষয়টি ঢাকা ওয়াকফ অফিস, চট্টগ্রাম অঞ্চল, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পর মাসুম বিল্লাহ বিভিন্নভাবে হুমকি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এ কারণে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের প্রায় আড়াই মাসের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ও মসজিদের পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে নিয়ে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা না করার জন্যও তাঁকে সতর্ক করা হয়।

জানা যায়, মসজিদ ও মাদ্রাসার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর মাদ্রাসার মহাপরিচালক শাহ মুহাম্মদ ছালাহ উদ্দিন নানুপুরীকে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এবং মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা জুনায়েদকে নায়েবে মোহতামিম করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি নুরুল আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, শফিউল আলম সওদাগর, আলহাজ শামসুল আলম, অর্থ সম্পাদক বদিউল আলম, সিরাজুল ইসলাম, নুরুল হুদা কোম্পানি ও প্রবাসী তাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




সীতাকুণ্ডে কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সংবর্ধনার প্রস্তুতি সভা, ২৫৫ সদস্যের কমিটি গঠন

সীতাকুণ্ডে কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সংবর্ধনার প্রস্তুতি সভা, ২৫৫ সদস্যের কমিটি গঠন
ছবি সংগৃহীত।

সীতাকুণ্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সংবর্ধনা, প্রকাশনা উৎসব এবং মিলনমেলা সফল করতে ২৫৫ সদস্যের উদ্যাপন কমিটি গঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে সীতাকুণ্ড পৌর সদরস্থ উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশাল মিলনমেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গঠিত হয়েছে ১৮টি বিষভিত্তিক উপকমিটি।

উদ্যাপন পরিষদের আহ্বায়ক মো. মনঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. নুরুল আবছারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি লায়ন মো. গিয়াস উদ্দিন। সভায় বক্তারা সীতাকুণ্ডের শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যায়নে এ উদ্যোগকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে তা সফল করতে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা আহ্বান জানান।

সভায় সংবর্ধনা আয়োজন ও প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে বিভিন্ন উপকমিটির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এতে যুক্ত রয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন এডভোকেট মো. সরোয়ার হোসাইন লাভলু, অর্থ উপকমিটির সদস্য সচিব লায়ন মফিজুর রহমান সাজ্জাদ, প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য সচিব সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু, অভ্যর্থনা উপকমিটির আহ্বায়ক আলহাজ রাজু কামাল ও সদস্য সচিব মাস্টার ইকবাল হুসাইন, এবং শান্তি-শৃঙ্খলা উপকমিটির সদস্য সচিব মো. ওমর ফারুক।

এছাড়া সংবর্ধিত অতিথি নির্বাচনের গুরুদায়িত্ব পালন করবেন গুণীজন সংবর্ধনা উপকমিটির সদস্য প্রফেসর ড. মো. ফসিউল আলম, মাস্টার আবুল কাশেম, এডভোকেট আবুল হাসান সাহাবুদ্দিন, মুহাম্মদ আবুল হাসনাত ও পলাশ কুমার চৌধুরী। উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী দিনে সীতাকুণ্ডে শিক্ষার আলো ও সমাজসেবার ধারা অব্যাহত রাখতে কাজ করবে এই কমিটি।