’গলাকাটা বিল’ আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রের দাবি চকরিয়া জমজম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

’গলাকাটা বিল’ আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রের দাবি চকরিয়া জমজম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের

’গলাকাটা বিল’ আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রের দাবি চকরিয়া জমজম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ার জমজম হাসপাতাল পিএলসি তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ‘গলাকাটা বিল’ আদায়ের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, একটি চক্র চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে হাসপাতালের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এবং প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন হাসপাতালের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ও সিইও গোলাম কবির।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, জমজম হাসপাতাল এই এলাকার অন্যতম বৃহৎ চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। এখানে সাতজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সার্বক্ষণিক সেবা দিয়ে থাকেন।

হাসপাতালটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ফি ৫০০ টাকা এবং মেডিকেল অফিসারের (এমবিবিএস) ফি ২০০ টাকা। ভর্তি রোগীদের প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিদর্শন করেন। এক দিনের চিকিৎসক ফি, সার্ভিস চার্জ ও সিট ভাড়া—প্রতিটি ৭০০ টাকা করে নির্ধারিত রয়েছে, যা প্রায় এক বছর ধরে কার্যকর। অসচ্ছল রোগীদের ক্ষেত্রে বিলে ছাড়ও দেওয়া হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই তিন দিন বয়সী নবজাতক আফরা মনি শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞের অধীনে ভর্তি হয়। চিকিৎসা শেষে ২ আগস্ট তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। চার দিনের পরিবর্তে তিন দিনের বিল করা হয় এবং মোট ৮ হাজার ৫০ টাকা থেকে দুই দফায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা মওকুফ করে ৬ হাজার ۷০০ টাকা রাখা হয়। রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের বিরোধ বা অভিযোগের ঘটনা ঘটেনি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মূল বিলের একটি অংশ কেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হয়েছে। ২ হাজার ১০০ টাকা সার্ভিস চার্জ ও ২ হাজার ১০০ টাকা চিকিৎসক ফি আদায়ের মতো মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, প্রতি শুক্রবার হাসপাতালে ২০ জনের বেশি অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী দেখেন। চট্টগ্রাম ও ঢাকার তুলনায় এখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ফি কম রাখা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালটিতে সিটি স্ক্যান, ডায়ালাইসিস ইউনিট, ফিজিওথেরাপি, ট্রমা সেন্টার, উন্নত ল্যাবসহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে।

এ ধরনের ভিত্তিহীন প্রচারণা অব্যাহত থাকলে তা অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চকরিয়ায় সেবা দিতে নিরুৎসাহিত করবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাওলানা আব্দুল করিম, পরিচালক জি এম রুকন উদ্দিন, ডা. ফয়জুর রহমান, ডা. নাসিমা আক্তার, ডা. হেনরিয়েটা গোমেজ, ডা. ফখরুল আনাম ও সামশুদ্দিন আহমদ।




বন্যার্তদের পাশে ছওয়াব: চকরিয়ায় ৬০৫ ও বাঁশখালীতে ২০০ পরিবার পেল জরুরি খাদ্যসহায়তা

বন্যার্তদের পাশে ছওয়াব: চকরিয়ায় ৬০৫ ও বাঁশখালীতে ২০০ পরিবার পেল জরুরি খাদ্যসহায়তা
ছবি সংগৃহীত।

বন্যা ও পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে ছওয়াব (সোশ্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট ইন বাংলাদেশ)। দেশি ও বিদেশি দাতা সংস্থার অর্থায়নে কক্সবাজারের চকরিয়া ও বাঁশখালী উপজেলার বন্যাদুর্গত ও অসহায় মানুষের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী, হাইজিন কিট, পোশাক, জুতা, ব্যাগ ও শিশুদের খেলনাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেছে সংস্থাটি।

গত ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে বন্যা শেষ হওয়ার পরপরই চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দী ৬০৫টি পরিবারের মাঝে ৬০৫টি জরুরি ফুড প্যাক বিতরণ করা হয়। প্রতিটি ফুড প্যাকে প্রায় ২২ কেজি খাদ্যসামগ্রী ছিল। এর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ২ কেজি মসুর ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ৪ কেজি আটা, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি, ২ প্যাকেট বিস্কুট ও ১ কেজি মুড়ি।

ফুড প্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শাহীন দেলোয়ার।

এ ছাড়া ছওয়াবের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবু সাঈদ মোল্লা, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাহমুদ ভূঁইয়া, কক্সবাজার সহকারী জেলা সমন্বয়ক আতাউল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জরুরি খাদ্যসহায়তার পাশাপাশি চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল, ফাঁসিয়াখালী, হারবাংসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ১৪ হাজার পরিবারের মাঝে দুই কনটেইনার ইনকাইন্ড গিফট হিসেবে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এসব সামগ্রীর মধ্যে ছিল বিভিন্ন ধরনের পোশাক, জুতা, ব্যাগ, হাইজিন কিট এবং শিশুদের খেলনা।

অন্যদিকে, বাঁশখালী উপজেলার আচ্ছাফিয়াপাড়া ও জালিয়াপাড়া এলাকায় ছওয়াব দলের উপস্থিতিতে এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় ২০০ পরিবারের মাঝে ২০০টি ফুড প্যাক ও ১০০টি হাইজিন কিট বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ পেয়ে উপকারভোগীরা ছওয়াবের এই মানবিক উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, বন্যার কারণে ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকটে পড়েছে। এমন কঠিন সময়ে ছওয়াবের পক্ষ থেকে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেয়ে তারা অনেকটা স্বস্তি পেয়েছেন।

উপকারভোগীরা আরও বলেন, দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও ছওয়াব যেন আরও বৃহৎ পরিসরে বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে, তাঁরা এমন প্রত্যাশা জানান।

স্থানীয় ব্যক্তিরাও ছওয়াবের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দুর্যোগের সময়ে সরকারি-বেসরকারি ও স্থানীয় উদ্যোগের সমন্বিত প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দ্রুততম সময়ে দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ছওয়াবের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

ছওয়াবের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জরুরি সময়ে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া ছওয়াবের অন্যতম অঙ্গীকার। মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যতেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে সংস্থাটি।




চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতা নিহত, আহত ২; উপজেলা ছাত্রদলের শোক

চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতা নিহত, আহত ২; উপজেলা ছাত্রদলের শোক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মোহাম্মদ মিজান উদ্দিন (২২) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরও দুজন আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর স্টেশনের শাহপুরা এলাকায় বদরখালী-চিরিঙ্গা আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ মিজান উদ্দিন চিরিঙ্গা ইউনিয়নের পালাকাটা ২ নম্বর ওয়ার্ডের মরহুম নুরুল ইসলাম সওদাগরের ছেলে। তিনি চিরিঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজান উদ্দিনসহ তিনজন একটি মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি ডাম্পার তাঁদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়।

এতে মোটরসাইকেলে থাকা তিন আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজান উদ্দিনের মৃত্যু হয়। আহত দুজন হলেন—চিরিঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মমতাজ মিয়ার ছেলে মিসকাত এবং দক্ষিণ বুড়িপুকুর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে তামিম। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মিজান উদ্দিনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




অবৈধ বালু পরিবহনে সড়কের বেহাল দশা, গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন

অবৈধ বালু পরিবহনে সড়কের বেহাল দশা, গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

অবৈধভাবে পাহাড় ও সমতল কেটে বালু-মাটি উত্তোলন এবং তা পরিবহনের কারণে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী মুসলিমনগর এলাকার সড়কগুলোর বেহাল দশা হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, নারী, বয়োবৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন বালুবাহী ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। সাধারণ মানুষও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন না। এমনকি কোনো নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে হাসপাতালে নিতে কাঁধে করে বহন করতে হয় বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

এদিকে অবৈধভাবে পাহাড় ও সমতল কেটে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের প্রতিবাদ করলে স্থানীয়দের ওপর হামলার অভিযোগও তুলেছেন এলাকাবাসী। এতে ক্ষোভ আরও বাড়ছে বলে জানান তারা।

সড়ক দ্রুত সংস্কার, অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন বন্ধ এবং বালুবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী মুসলিমনগর এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তারা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং অবিলম্বে বালু পরিবহন বন্ধ করে সড়ক সংস্কারের দাবি জানান।

মানববন্ধনে স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাহাড় ও সমতল কেটে বালু-মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব বালু-মাটি ভারী যানবাহনে করে পরিবহনের কারণে এলাকার সড়কগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

তারা অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী বনবিট কর্মকর্তা খসরুল আমিন বলেন, "আমার আওতাধীন কোনো জায়গাতে বালু উত্তোলন হচ্ছে না।"

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, "এসব বালু-মাটি লুটের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে।"