এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
ছবি সংগৃহীত।

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বলতে থাকা দাবানলের কারণে আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তারা বলছে, আগামী মাসগুলোতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, দ্রুত তীব্রতর হতে থাকা এল নিনো আগামী মাসগুলোতে বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার ধরনে আধিপত্য বিস্তার করবে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পর্যায়ক্রমিক জলবায়ুগত ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ, খরা ও বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, এই প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দাবানল ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে চলমান বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এল নিনো শুধু আমাদের দোরগোড়ায় নয়, এটি ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে এবং তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি কেবল একটি প্রস্তুতি পর্ব। এল নিনো আরও শক্তিশালী হচ্ছে, যা ইতিমধ্যেই জ্বলতে থাকা অঞ্চলগুলোতে ইন্ধন যোগাচ্ছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের জলের এই অস্বাভাবিক উষ্ণতা আবহাওয়া ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করবে এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

এল নিনোর প্রভাব মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মিলিত হওয়ায় গুতেরেস দেশগুলোকে জলবায়ু কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বিশেষভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির সম্প্রসারণকে সংকট বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং নতুন কয়লা, তেল ও গ্যাস প্রকল্প অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বিশ্বের প্রায় সব স্থলভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রার পূর্বাভাস দিয়েছে। এর সবচেয়ে তীব্র প্রভাব আফ্রিকা, দক্ষিণ ইউরোপ, ভারতীয় উপমহাদেশ, পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় দেখা যেতে পারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো বলেন, ‘এল নিনোর ওপর নিবিড় নজর রাখা হলেও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলোকে আগাম সতর্কবার্তাগুলো বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তর করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পূর্বাভাস নিজে থেকে বিপদ প্রতিরোধ করে না; মানুষকেই সেটা করতে হয়। আজ আমরা যে সিদ্ধান্তগুলো নেব, তা-ই আগামীকালের প্রভাব নির্ধারণ করবে।’

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এল নিনো যখন চরমে পৌঁছাবে, তখন এর তীব্রতা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে কম্পিউটার মডেলের পূর্বাভাস এখনো অনিশ্চিত।

সূত্র: আল জাজিরা 




হাসিনার বক্তব্যকে আমরা সমর্থন করি না : ভারত

হাসিনার বক্তব্যকে আমরা সমর্থন করি না : ভারত
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও গত ৫ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলতে দেয় ভারত সরকার। এ নিয়ে ঢাকা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানায়।

হাসিনার প্রেস ব্রিফিংয়ের দুইদিন পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ভারত। আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন এ সাংবাদিক। জবাবে তিনি প্রথমে দাবি করেন, হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আর হাসিনা ওইদিন বাংলাদেশ সরকারকে নিয়ে যা যা বলেছেন সেটিতেও নয়াদিল্লির সমর্থন নেই।

রণধীর বলেন, “একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এতে সরকারের কোনো অবদান নেই। আমি বিষয়টি আবারও পুনর্ব্যক্ত করছি।”

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখা হাসিনা ও অন্যান্যদের কথার প্রতি ভারতের কোনো সমর্থন নেই উল্লেখ করে এ কূটনীতিক বলেছেন, “ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা কোনো কথাকেই (ভারত) সরকার সমর্থন করে না, বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের ব্যাপারে দেওয়া কোনো মন্তব্য তো নয়ই।”

হাসিনাপুত্র সজিব ওয়াজেদ ওইদিন মন্তব্য করেন ভারতের পূর্ব দিকের অঞ্চল (বাংলাদেশ) এখন  পাকিস্তানে পরিণত হচ্ছে এবং বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ বিস্তার লাভ করছে। এ ব্যাপারে রণধীরকে অপর এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন জয় যে কথা বলেছে সেটিকে ভারত সমর্থন করে কি না, এ ব্যাপারে তারা কোনো কিছু করছেন কি না।

জবাবে রণধীর বলেন, “আমরা আমাদের একদম পাশের প্রতিবেশীর ওপর গভীর নজর রাখি, বিশেষ করে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেগুলো সেগুলোর ওপর। আর এ ক্ষেত্রে যেসব পদক্ষেপ নিতে হয় আমরা সেগুলো নেই।”




থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭

থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭
ছবি সংগৃহীত।

থাইল্যান্ডে একটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলায় ৭ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ওই স্কুলের এক শিক্ষক এবং হামলাকারী নিজেও আছে।

আজ শুক্রবার সকালে থাইল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ ননথাবুরির বাং কুরাই জেলার একটি সুপরিচিত স্কুলে এই ঘটনা। হামলার সময় স্কুলটির দৈনন্দিন কার্যক্রম চলছিল।

ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের শীর্ষ নির্বাহী দেচরাপি কংদি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কমপক্ষে ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন। হামলাকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করেননি তিনি, তবে বলেছেন যে নবম গ্রেডে পড়ত ওই শিক্ষার্থী এবং তার বয়স আনুমানিক ১৪ বছর।

দেচরাপি কংদি আরও জানান, স্কুলভবনের তৃতীয় তলার একটি ফাঁকা কক্ষ থেকে গুলি ছুড়েছিল ওই শিক্ষার্থী। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সে নিজে আত্মঘাতী হয়।

গুলি শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা স্কুল থেকে সরে পড়েছিলেন।

পাসাকর্ন চাইতাউইয়ং নামের আরেক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। কী কারণে ওই শিক্ষার্থী এমন হামলা করল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাদেশিক পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে আগ্নেয়য়াস্ত্রের মালিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে বর্তমানে সাধারণ নাগরিক পর্যায়ে ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে এবং দেশটিতে বসবাসকারী প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজন আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক।

সূত্র : এএফপি




নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের ঝাড়খণ্ডে এবার নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টানা ১২ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা। এতে সমর্থন জানিয়েছে ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দোলনটি ইতোমধ্যে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। রাজধানী রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে শত শত মানুষ অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন।

গত ৫ জুলাই ১৪তম ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (জেপিএসসি) প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর এ প্রতিবাদ শুরু হয়। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবিতে দিনরাত প্রতিবাদ এবং অনির্দিষ্টকালের অবস্থান ধর্মঘট করে আসছেন।
ক্রমবর্ধমান এ আন্দোলন শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য করেছে।

বুধবার রাঁচির মহকুমা কর্মকর্তা (এসডিও) কুমার রজত বিক্ষোভস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সরকারের আগ্রহের কথা জানান। এ জন্য পাঁচ থেকে সাতজনের একটি প্রতিনিধি দল গঠন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেমন্ত সোরেন সরকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। রজত জানিয়েছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মসংক্রান্ত অভিযোগগুলো ইতোমধ্যে তদন্তাধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

এদিকে শিক্ষার্থীরা রুদ্ধদ্বার বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে ও প্রকাশ্যে পরিচালিত হলেই তারা আলোচনায় রাজি হবেন। সরকারের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা গণমাধ্যম ও ক্যামেরার উপস্থিতিতে হওয়া উচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা অনিয়মের বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সিআইডি ইতোমধ্যে তদন্ত করছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

বুধবার রাজ্য পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা টিডিপিএলের হিসাবরক্ষক রক্ষক সিংকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তিনি পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার সদস্য ছিলেন। সিআইডি তাকে লখনউ থেকে গ্রেপ্তার করে রাঁচিতে নিয়ে এসেছে।

মামলায় সিআইডি আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় অন্তত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, নিয়োগসংক্রান্ত অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ উদ্ঘাটনে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) দায়িত্ব পালন করছে। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ডিজিটাল রেকর্ড, আবেদনপত্রের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা করেছে।

আন্দোলনে সিজেপির সমর্থন
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বুধবার ঝাড়খণ্ডের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আন্দোলন একটি ‘চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী’ হিসেবে কাজ করবে।

মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে নিজ শহরে সিজেপির কোর টিমের বৈঠকের আগে দীপকে বলেন, সিজেপির সদস্যরা চাকরিপ্রার্থীদের সমর্থন জানাতে ঝাড়খণ্ডে যাবেন।

তিনি বলেন, মানুষ বিচার বিভাগ, রাজনীতি, গণমাধ্যম এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা হারিয়েছে। আমাদের আন্দোলন দেশব্যাপী সমর্থন পেয়েছে। আন্দোলন যত বেড়েছে, সমর্থন কেবল শিক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এসব প্রতিষ্ঠানকে ঘিরেও সমর্থন বেড়েছে। তাই, এসব প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রয়োজন রয়েছে।

সূত্র : এনডিটিভি