আনোয়ারা উপজেলায় বাড়তি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি, চার ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আনোয়ারায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি এবং বৈধ ক্রয়-রসিদ সংরক্ষণ না করার দায়ে দুই ডিলারসহ চার ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কালাবিবির দীঘি ও চাতরী চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালিয়ে এই অর্থদণ্ড আদায় করেন আনোয়ারা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু জাফর মজুমদার।
অভিযান সূত্র জানায়, কালাবিবির দীঘি এলাকায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী দুই ডিলারকে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাঁরা হলেন—বিনিময় ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী খোরশেদ আলম (৪৪) এবং সাদিম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সাদিম উদ্দিন (২৯)।
একই দিনে চাতরী চৌমুহনী বাজারে সিলিন্ডারের বৈধ ক্রয়-রসিদ না থাকা এবং বেশি দামে গ্যাস বিক্রির দায়ে আরও দুই খুচরা ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তাঁরা হলেন—জহির স্টোরের স্বত্বাধিকারী জহির উদ্দিন আহমদ (৪০) এবং ইব্রাহিম স্টোরের স্বত্বাধিকারী ইব্রাহিম (৫৮)।
জানা যায়, খুচরা বিক্রেতার কাছে ক্রয়-রসিদ না থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রসিদ না থাকলে বোঝার উপায় থাকে না যে তিনি ডিলারের কাছ থেকে ঠিক কত দামে সিলিন্ডার কিনেছেন। আর সেই হিসাব না থাকলে বাড়তি দাম নেওয়ার দায় কেবল দোকানির, নাকি তাঁর আগের ধাপের—তা নির্ধারণ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
চট্টগ্রামের বাজারে সাম্প্রতিক এলপিজি সংকটে খুচরা বিক্রেতারা বরাবরই বলে আসছেন, ডিলারের কাছ থেকেই তাঁদের চড়া দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এবারের অভিযানে ডিলার পর্যায়ের দুই প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের জরিমানা করা সেই অনিয়মের শৃঙ্খলের দিকেই ইঙ্গিত করে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু জাফর মজুমদার বলেন, ‘সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে জনস্বার্থে আনোয়ারা উপজেলায় এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’









