অবৈধ বালু পরিবহনে সড়কের বেহাল দশা, গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন

অবৈধ বালু পরিবহনে সড়কের বেহাল দশা, গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন

অবৈধ বালু পরিবহনে সড়কের বেহাল দশা, গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

অবৈধভাবে পাহাড় ও সমতল কেটে বালু-মাটি উত্তোলন এবং তা পরিবহনের কারণে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী মুসলিমনগর এলাকার সড়কগুলোর বেহাল দশা হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, নারী, বয়োবৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন বালুবাহী ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। সাধারণ মানুষও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন না। এমনকি কোনো নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে হাসপাতালে নিতে কাঁধে করে বহন করতে হয় বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

এদিকে অবৈধভাবে পাহাড় ও সমতল কেটে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের প্রতিবাদ করলে স্থানীয়দের ওপর হামলার অভিযোগও তুলেছেন এলাকাবাসী। এতে ক্ষোভ আরও বাড়ছে বলে জানান তারা।

সড়ক দ্রুত সংস্কার, অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন বন্ধ এবং বালুবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী মুসলিমনগর এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তারা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং অবিলম্বে বালু পরিবহন বন্ধ করে সড়ক সংস্কারের দাবি জানান।

মানববন্ধনে স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাহাড় ও সমতল কেটে বালু-মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব বালু-মাটি ভারী যানবাহনে করে পরিবহনের কারণে এলাকার সড়কগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

তারা অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী বনবিট কর্মকর্তা খসরুল আমিন বলেন, "আমার আওতাধীন কোনো জায়গাতে বালু উত্তোলন হচ্ছে না।"

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, "এসব বালু-মাটি লুটের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে।"




মাতারবাড়ি আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে তারেক রহমান

মাতারবাড়ি আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে তারেক রহমান
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ি আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান।

সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। পাশাপাশি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি দেশীয় প্রকৌশলী ও কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন এবং তাঁদের উৎসাহিত করেন। এ সময় প্রকল্প এলাকায় একটি নিমের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিট নিয়ে গঠিত মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। এতে আধুনিক টষঃৎধ-ঝঁঢ়বৎপৎরঃরপধষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (ঔওঈঅ) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

ব্রিফিং শেষে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শুরু করেন। দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় পৌঁছান। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন।

এ সময় প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও প্রধানমন্ত্রীকে দেখানো হয়। পরে তিনি এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এবং প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শনকালে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনায় অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে এসব অবকাঠামো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি থেকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থানও পরিদর্শন করেন।

দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষ করেন। পরে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি ত্যাগ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।




চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নারীদের নামাজের স্থান বন্ধ, ধর্মপ্রাণ নারীদের ক্ষোভ

চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নারীদের নামাজের স্থান বন্ধ, ধর্মপ্রাণ নারীদের ক্ষোভ
ছবি সংগৃহীত।

এবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নারীদের নামাজের স্থানটি। কিছুদিন আগেও হাসপাতালের নির্ধারিত এই নামাজের স্থানে ময়লা-পানি ও বিভিন্ন জিনিসপত্র রেখে নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর এবার আরও একধাপ এগিয়ে নামাজের স্থানটি থেকে পর্দা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেয়ালে থাকা ‘নারীদের নামাজের স্থান’ লেখা সাইনবোর্ডটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত নারী রোগী ও তাঁদের স্বজনদের জন্য নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সরেজমিনে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা নারী রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ধর্মীয় ইবাদতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নামাজের স্থানটি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাপ্রতিষ্ঠানে নারী রোগী ও স্বজনদের নামাজ আদায়ের ন্যূনতম সুযোগটুকুও কি থাকবে না?

তবে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. জয়নুল আবেদীন বলেন, “নামাজের স্থানটি সংস্কারের জন্য জিনিসপত্রগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নামাজের আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ক্রয় করে আবার নামাজের ব্যবস্থা করা হবে।”

নামাজের ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালে আসা অনেক রোগীর স্বজন।




স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন: ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন: ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের মানুষ কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতি গ্রহণ করবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে? মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়। তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কি না। বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তাদের এসব রাজনীতি গ্রহণ করবে না।’

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ৫০০ শয্যার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) আবাসিক ফ্ল্যাট উন্নয়ন প্রকল্প-১-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসম্পদ ও সমুদ্রবন্দরকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হবে। নীল অর্থনীতির (ব্লু ইকোনমি) সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজারের অপরিসীম পর্যটন সম্ভাবনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখা সম্ভব বলেও জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইতিপূর্বে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ইচ্ছেমতো বিভিন্ন এলাকাকে ইসিএ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। জরিপকার্য পরিচালনার মাধ্যমে পর্যটনের বিকাশের জন্য এসব এলাকা পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করে পর্যটনের উন্নয়নে সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শুধু উঁচু ইমারত নির্মাণই পর্যটন হতে পারে না। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সব এলাকাজুড়েই পর্যটনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। বিশ্বব্যাপী কক্সবাজারের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণকে গুরুত্ব না দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করেই পর্যটন সম্প্রসারণের চেষ্টা করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে উচ্চশিক্ষা ও সামুদ্রিক গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার একটি মেরিন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামুদ্রিক শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ সন্ধ্যায় বিমানযোগে তার ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।