অধিকার, স্বীকৃতি ও স্থায়ী শান্তির প্রত্যাশা: তিন কমিটিকে স্বাগত জানাল পার্বত্যবাসী

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার, ন্যায্য স্বীকৃতি, দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারগঠিত তিনটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটিকে স্বাগত ও অভিনন্দন জানিয়েছে পার্বত্যবাসী।
গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশিত এসব কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান, সব জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পার্বত্যবাসীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধান ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ অতীতে দেখা যায়নি। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কমিটি গঠন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সবার প্রতি এ উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, গঠিত তিনটি কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য ও অধিকারসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে কার্যকর ও টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করবে; একই সঙ্গে পাহাড়ে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় কমিটিগুলোর সদস্যদের সুস্থতা ও সফলতা কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা হয়, যাতে তারা সাহস, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে কাঙ্ক্ষিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারেন।
গেজেট অনুযায়ী গঠিত তিনটি কমিটি হলো—
১. পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি
২. পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক নির্বাহী কমিটি
৩. পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক পরামর্শক কমিটি









