৫৫ বছরেও সেতু নেই, টোলে সাঁকো পাড়ি ১০ গ্রামের মানুষ
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন

৫৫ বছরেও সেতু নেই, টোলে সাঁকো পাড়ি ১০ গ্রামের মানুষ

৫৫ বছরেও সেতু নেই, টোলে সাঁকো পাড়ি ১০ গ্রামের মানুষ
ছবি সংগৃহীত।

ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার নারায়ণহাটে হালদা নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি আজকের নয়। স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় ৫৫ বছর ধরে এলাকার মানুষ একটি সেতুর আশায় প্রহর গুনছে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে, কিন্তু নারায়ণহাটের হালদা নদীর দুই পাড়ের অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের হাজারো মানুষের ভাগ্যে এখনো জোটেনি একটি নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে প্রতিদিন টোল দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো কিংবা নৌকায় পারাপার করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।


নারায়ণহাট বাজার সংলগ্ন হালদা নদী নারায়ণহাট ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। নদীর দক্ষিণ পাশে রয়েছে জমিদারপাড়া, সুন্দরপুর, হাপানিয়া, রাজারটিলা, আনিচারখিল, খালাছিপাড়া, সন্দ্বীপপাড়া, পিলখানা, সুন্দর শাহ ছিলাইসহ একাধিক গ্রাম। অন্যদিকে উত্তর পাশে রয়েছে নারায়ণহাট বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ, ভূমি অফিস, বাসস্টেশন, নারায়ণহাট ডিগ্রি কলেজ, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মহিলা মাদ্রাসা, বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


এছাড়া সেতুর দক্ষিণ পাশেই অবস্থিত নারায়ণহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, নারায়ণহাট দাখিল মাদ্রাসা, হাপানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুনাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এ গণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নারায়ণহাট ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস এবং হযরত শাহ সুন্দর (রহ.)-এর ঐতিহাসিক আস্তানা শরীফ। এসব শিক্ষা, ধর্মীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত করতে হয়।


দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সাঁকোই ছিল দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র ভরসা। সাঁকোটি ব্যবহার করতে প্রতিদিন টোলও দিতে হয় স্থানীয়দের। কিন্তু সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সাঁকোটির একটি অংশ একাধিক বার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো ও নৌকায় নদী পার হতে হচ্ছে। শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও রোগীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।


স্থানীয়দের মতে, প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিকাজ ও অন্যান্য প্রয়োজনে এ পথে যাতায়াত করেন। কিন্তু একটি স্থায়ী সেতু না থাকায় জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া, কৃষিপণ্য বাজারজাত করা কিংবা মৃত ব্যক্তির মরদেহ গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। ব্যক্তিগত গাড়ি কিংবা মালবাহী যানবাহন সরাসরি গ্রামে প্রবেশ করতে না পারায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।


বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে জোয়ার-ভাটার প্রভাবে নদী উত্তাল হয়ে উঠলে পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। নৌকার স্বল্পতা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে প্রতিদিন পথ চলতে হয় সাধারণ মানুষকে। অনেক শিক্ষার্থীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় নদী পার হওয়ার জন্য। এতে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, গত জুলাই থেকে একটি পক্ষের বাধার কারণে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিতভাবে যেতে পারছেন না চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ। ফলে জনসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের অনেক সমস্যারও কার্যকর সমাধান হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “চেয়ারম্যান সাহেব যদি নিয়মিত পরিষদে থাকতে পারতেন, তাহলে হয়তো এতদিনে আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যারই সুরাহা বের হয়ে আসত। কিন্তু আদালতের রায় পাওয়ার পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় তিনি অফিস করতে পারছেন না, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তির ওপর।”


এলাকাবাসীর দাবি, নারায়ণহাট বাজার সংলগ্ন হালদা নদীর ওপর প্রায় ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি আধুনিক সেতু নির্মাণ করা হলে অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।


এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, গত সরকারের আমলে এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব ও প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছিল সেটি কার্যকর না হওয়ায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় একটি বেইলি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনাও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। তবে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা, সাময়িক সমাধান নয়; বরং একটি টেকসই ও স্থায়ী সেতুই পারে এ অঞ্চলের কয়েক দশকের বঞ্চনার অবসান ঘটাতে।


চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ বলেন, নারায়ণহাট বাজার সংলগ্ন হালদা নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। তিনি জানান, সেতুটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি ইতিপূর্বে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ ও তদ্বির করেছেন। তিনি বলেন, “সেতুটি অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করতে গিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তাই জনস্বার্থে দ্রুত সেতুটি নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”


২নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হালিম বলেন, হালদা নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। সেতুর অভাবে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ করা হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।


সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের প্রতি এলাকাবাসীর দাবি, নারায়ণহাটের হালদা নদীর ওপর দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে হাজারো মানুষের নিরাপদ যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও উন্নয়নের অধিকার নিশ্চিত করা হোক।
 




ফটিকছড়ি উত্তরের গজারিয়া স্কুলের সভাপতি হলেন এড. ইউচুপ আলম মাসুদ

ফটিকছড়ি উত্তরের গজারিয়া স্কুলের সভাপতি হলেন এড. ইউচুপ আলম মাসুদ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার গজারিয়া জেবুন্নেছা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চার সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বোর্ড মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট ইউচুপ আলম মাসুদ।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বোর্ডের প্রবিধান অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস অথবা নিয়মিত পরিচালনা কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ কমিটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

অনুমোদিত কমিটিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন এ জেড এম আলমগীর, অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে খোরশেদ আলম এবং সদস্য সচিব হিসেবে পদাধিকারবলে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রবিধান অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি পরিচালনা কমিটির সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করতে পারবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী এ কমিটি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

নবনিযুক্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউচুপ আলম মাসুদ বলেন, এই দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় আমানত। শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং কমিটির সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, সুশাসন, শৃঙ্খলা, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য হবে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার মেধা ও সম্ভাবনার সর্বোচ্চ বিকাশের সুযোগ পাবে।




উত্তর ফটিকছড়িতে কথিত প্রেমিকসহ যুবলীগ নেত্রী আটক

উত্তর ফটিকছড়িতে কথিত প্রেমিকসহ যুবলীগ নেত্রী আটক
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে এক যুবলীগ নেত্রী ও তাঁর কথিত প্রেমিককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাবারড্যাম ডলু আড়ালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন—নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির মহিলা সদস্য রাশু বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রী। তাঁর সঙ্গে আটক হন একই ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া নাজিরখিল এলাকার বাচা মিয়ার ছেলে মো. হাসেম (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে হাসেম রাশু বেগমের বাড়িতে গেলে বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা। পরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে দুজনকে আটক করে ভুজপুর থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোহেল মুন্সি বলেন, “রাশু বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তাঁকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তা আমলে নেননি। সর্বশেষ একই ধরনের ঘটনার অভিযোগে স্থানীয়রা তাঁকে ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।”

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”




ফটিকছড়ির হাইদচকিয়ায় উচ্চ বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ফটিকছড়ির হাইদচকিয়ায় উচ্চ বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির অভিষেক সভা এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সরওয়ার হোসেন স্বপন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুনব বড়ুয়া, অভিভাবক সদস্য জাহেদ হাসান গণি, শিক্ষক প্রতিনিধি কাজী মুহাম্মদ মাহতাব উদ্দিন, মো. জসিম উদ্দিন, মাস্টার রতন কান্তি চৌধুরী, আব্দুল মতিন, কৃষকদল নেতা নাজমুল হাসান চৌধুরী লিটনসহ গভর্নিং বডির সদস্য, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তুলতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

নবনিযুক্ত সভাপতি ও চেয়ারম্যান এ কে এম সরওয়ার হোসেন স্বপন বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, পরিবেশবান্ধব ও সচেতন নাগরিক গড়ে তোলার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।