৩০ কোটি ৬১ লাখ পাঠ্যবই ছাপাবে এনসিটিবি, খরচ ১৭০০ কোটি টাকা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

৩০ কোটি ৬১ লাখ পাঠ্যবই ছাপাবে এনসিটিবি, খরচ ১৭০০ কোটি টাকা

৩০ কোটি ৬১ লাখ পাঠ্যবই ছাপাবে এনসিটিবি, খরচ ১৭০০ কোটি টাকা
ছবি সংগৃহীত।


আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এবার ৩০ কোটি ৬১ লাখেরও বেশি বই ছাপানো হবে। ৫৯৬টি লটে এসব বই ছাপা, বাঁধাই ও সরবরাহে দরপত্র আহ্বান করা হবে। এতে খরচ হবে এক হাজার ৭০০ কোটি টাকারও বেশি।

পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির পর জুনে ধাপে ধাপে পাঠ্যবই ছাপা ও বিতরণে দরপত্র আহ্বান করা হবে। দরপত্র মূল্যায়ন, চুক্তি শেষে আগস্ট থেকে ছাপাখানা মালিকরা বই ছাপা ও বাঁধাইয়ের কাজ শুরু করবেন। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব বই ছাপানো শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর উপজেলা পর্যায়ে বই সরবরাহ করা হবে।

মাধ্যমিকে ২২ কোটি বই, খরচ হবে ১২৫৪ কোটি
ষষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির জন্য এবার ২২ কোটি ১০ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৩ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। ৪৫৬ লটে দরপত্র আহ্বান করা হবে। এরমধ্যে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ৭৫ লট করে মোট ২২৫ লট। শুধু নবম-দশমে ১৮০ লট। এছাড়া ইবতেদায়ি শ্রেণিতে ৩৬ এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৩৬ লট ব্রেইল বই ছাপানো হবে। মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ির এসব বই ছাপা, বাঁধাই ও সরবরাহে ব্যয় হবে মোট এক হাজার ২৫৪ কোটি টাকা।

প্রাথমিকে সাড়ে ৮ কোটি বই, ব্যয় ৪৬০ কোটি
প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৮ কোটি ৫১ লাখ ৫৫ হাজার ১৭৮ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। এরমধ্যে প্রাক-প্রাথমিকের বইয়ের সংখ্যা ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০ কপি। আর প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপা হবে ৭ কোটি ৯৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৩৮ কপি বই। মোট ১৪০ লটে এসব বই ছাপানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হবে। এরমধ্যে ১১০ লট প্রাথমিকের ও ৩০ লট হবে প্রাক-প্রাথমিকের বই। এসব বই ছাপা, বাঁধাই ও সরবরাহে সরকারের খরচ হবে ৪৬০ কোটি টাকা।

বছরের প্রথমদিনে বই হাতে পাবে সব শিক্ষার্থী
২০১০ সালে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই দেওয়া শুরু করে সরকার। সে বছর সব বই ছাপা ও বিতরণ শেষ হয়েছিল ২১ জুলাই। অর্থাৎ, বই পেতে বছরের অর্ধেক সময় চলে যায়। বিনামূল্যে বই ছাপা ও বিতরণে প্রথম বছরের সেই ব্যর্থতা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি কোনো সরকার।

টানা ১৬ বছর শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের শুরুতে বই তুলে দিতে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। চলতি শিক্ষাবর্ষেও সব বই বিতরণে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লেগেছে। এতে শিক্ষাবর্ষ দেরিতে শুরু হচ্ছে, প্রয়োজনের চেয়েও কম ক্লাস হচ্ছে। সিলেবাস শেষ না করেই পরীক্ষা দিয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উঠছে শিক্ষার্থীরা। বাড়ছে শিখন ঘাটতি, আর তলানিতে নামছে শিক্ষার মান।

তবে, এবার পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আগে সব ব্যর্থতা কাটিয়ে বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই তুলে দিতে চায়। এবার এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) পদে নতুন দায়িত্বে এসেছেন অধ্যাপক আবু নাসের টুকু। তিনি উৎপাদন নিয়ন্ত্রক হিসেবে ২০২৬ (চলতি বছর) শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের বই সফলভাবে জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। এবার তার কাঁধে বড় দায়িত্ব।

অধ্যাপক আবু নাসের টুকু বলেন, আমরা একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। সেটা হলো- ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব বই ছাপানোর কাজ শেষ করা হবে। পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যেই সব উপজেলা শিক্ষা অফিসে বই পৌঁছে দেওয়া হবে। সেখান থেকে স্কুলে বই পাঠানো হবে। তাহলে ১ জানুয়ারি আমরা সব শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিতে পারবো।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা কাজ করছি। জুনে টেন্ডার হবে, আগস্টে বই ছাপার চুক্তি করা শুরু হবে। চুক্তির পর হয়তো দুই মাসের মতো সময় পাবেন ছাপাখানা মালিকরা। সেক্ষেত্রে নভেম্বরের মধ্যেই সব বই ডেলিভারি দিতে হবে। এটা করতে পারলেই বই বিতরণে আর দেরি হবে না। আমরা সবাই মিলে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি। আশা করি, আমরা সফল হবো।




এইচএসসির রুটিন নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক করলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

এইচএসসির রুটিন নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক করলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
ছবি সংগৃহীত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের নামে ছড়িয়েপড়া বিজ্ঞপ্তিকে সম্পূর্ণ ভুয়া, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির নামে একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আগামী ২৭ জুলাই ২০২৬ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ দাবির কোনো সত্যতা নেই।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রচারিত ওই বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কিংবা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সম্পর্ক নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা-সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা বা বিজ্ঞপ্তি শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। পাশাপাশি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।




এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না, সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড

এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না, সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের কথা ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের প্রস্তুতিও নিচ্ছিল। তবে প্রশাসনিক ব্যস্ততায় তা কিছুটা পিছিয়ে যাচ্ছে। নতুন দিনক্ষণ জানা না গেলেও চলতি মাসে এ ফল প্রকাশ করা হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে তিনি  বলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা বোর্ডগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। বোর্ডও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে অংশীজনরা ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজ প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে খুব বেশি দেরি হবে না।
চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ সম্ভব কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘আশা করছি, সেটা আমরা পারবো। এ মাসের মধ্যেই আমাদের কাজ গুছিয়ে ফল প্রকাশ করতে পারবো।’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।




আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি

আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি
ছবি সংগৃহীত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।

এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।

অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।

অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ‍শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।