২০২৭ সালে এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

২০২৭ সালে এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালে এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন
ছবি সংগৃহীত।

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ও সমমানেন পরীক্ষা ৬ জুন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে সেশন গ্যাপ কমে আসছে। এরা যখন এইচএসসি পরীক্ষা দেবে, তখন ডিসেম্বরেই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যাবে। কোনো গ্যাপ থাকবে না। সেজন্য আমরা বলছি, আর মাত্র দুই বছর পরই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নিতে পারবো। তখন কারও আপত্তি থাকবে না।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তাবিত বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে।

রুটিন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে। এরপর ৯ জানুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এবং ১৬ জানুয়ারি গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ের তত্ত্বীয় পরীক্ষাগুলো শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আর তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বোর্ড জানিয়েছে, মোট ৩৩টি পত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ১৫ দিন সময় প্রয়োজন হবে।

অন্যদিকে, প্রস্তাবিত রুটির অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন (রোববার) থেকে। প্রথম দিন সকালে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ৮ জুন বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১০ জুন ইংরেজি প্রথম পত্র এবং ১২ জুন ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ জুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা শেষে বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় বিষয়গুলোর পরীক্ষা শুরু হবে। ১৩ জুলাই সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে অনলাইনে নম্বর এন্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ডগুলো।

এইচএসসিতে মোট ৭৭টি পত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ২১ দিন সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।
উভয় পরীক্ষার ক্ষেত্রেই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই সময়সূচি পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় বিশেষ পরিস্থিতিতে এই তারিখগুলো পরিবর্তিত হতে পারে।

এসময় মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।




এইচএসসির রুটিন নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক করলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

এইচএসসির রুটিন নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক করলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
ছবি সংগৃহীত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের নামে ছড়িয়েপড়া বিজ্ঞপ্তিকে সম্পূর্ণ ভুয়া, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির নামে একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আগামী ২৭ জুলাই ২০২৬ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ দাবির কোনো সত্যতা নেই।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রচারিত ওই বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কিংবা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সম্পর্ক নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা-সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা বা বিজ্ঞপ্তি শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। পাশাপাশি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।




এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না, সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড

এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না, সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের কথা ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের প্রস্তুতিও নিচ্ছিল। তবে প্রশাসনিক ব্যস্ততায় তা কিছুটা পিছিয়ে যাচ্ছে। নতুন দিনক্ষণ জানা না গেলেও চলতি মাসে এ ফল প্রকাশ করা হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে তিনি  বলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা বোর্ডগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। বোর্ডও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে অংশীজনরা ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজ প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে খুব বেশি দেরি হবে না।
চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ সম্ভব কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘আশা করছি, সেটা আমরা পারবো। এ মাসের মধ্যেই আমাদের কাজ গুছিয়ে ফল প্রকাশ করতে পারবো।’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।




আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি

আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি
ছবি সংগৃহীত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।

এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।

অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।

অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ‍শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।