হাটহাজারীতে আগুনে পুড়ে সর্বস্ব হারাল ৬ পরিবার

হাটহাজারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সরওয়ার চেয়ারম্যান এলাকার মোবারক তালুকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে টিনশেডের ছয়টি বসতঘর পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে পরিবারগুলো। প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ভূমি ও পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ছয়টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান, সহসভাপতি ডা. রফিকুল ইসলাম ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোর্শেদ।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো— মো. এমরান, মো. মামুন, মো. শহিদ, মো. নজরুল, মো. রিয়াদ ও আসিফ।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টিনশেড বসতঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। প্রায় আধা ঘণ্টা পর হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে ছয়টি টিনশেড বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ঘর থেকে কোনো কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। এতে হতদরিদ্র ছয়টি পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, “আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের টিম ও এলাকাবাসী দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ৬টি টিনশেড বসতঘর পুড়ে যায়।”
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। এলাকাবাসীও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।








