হাইকোর্টে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

হাইকোর্টে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন

হাইকোর্টে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন
ছবি সংগৃহীত।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন করা হয়। পরে আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী।

গত ২ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি নিয়ে অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব।গ্রেপ্তারের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ওই সময় যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট দেখা দেয় এবং দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। অন্যদিকে লাগেজ পেতে দেরি এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। 




মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড, আওয়ামী লীগের আরও ৩ নেতার যাবজ্জীবন

মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড, আওয়ামী লীগের আরও ৩ নেতার যাবজ্জীবন
ছবি সংগৃহীত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফকে মত‍্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে অপর তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনাল আসামি মো. মাহবুবউল আলম হানিফকে তার বিরুদ্ধে ১ নং চার্জের ১-৬ নং কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডে এবং ২ ও ৩ নং চার্জে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

অপর আসামি সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী ও আতাউর রহমান আতাকে তাদের বিরুদ্ধে গঠিত ১নং চার্জের ১-৬ নং কাউন্টে এ দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ ও ৩নং চার্জে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। তারাও আওয়ামী লীগের কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন পদে রয়েছেন।

আসামি মাহবুবউল আলম হানিফ, সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী ও আতাউর রহমান আতার বিরুদ্ধে গঠিত ৪ ও ৫নং অভিযোগ একসঙ্গে বিবেচনাক্রমে সব আসামিকে দোষী সাব্যস্তক্রমে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ অন‍্য প্রসিকিউটরা উপস্থিত ছিলেন। পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।

গত ৭ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি পাল্টা-যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

এ মামলায় ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহামদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ান প্রমুখ।

পরে প্রসিকিউটর তামিম বলেছিলেন, হানিফসহ চার জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা শেষ হয়েছিল। কিন্তু আমরা কিছু অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আমরা চার আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করেছি।

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন হানিফ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্তটি মেনে নিয়েছিলেন তিনি। একইসঙ্গে অধীনস্তদের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে সবকিছু বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিভিলিয়ান লিডার ছিলেন। এ কারণে অধীনস্তদের নির্দেশ বা টেলিফোনে কথোপকথন করে এসব বাস্তবায়ন করেছেন।

তামিম বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিমকেও একই অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। অতএব একই অবস্থানে থেকে মাহবুবউল আলম হানিফকেও ট্রাইব্যুনাল একই শাস্তি দেবেন বলে আমরা আশা করছি।

আসামিদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সব ধরনের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেছেন হানিফ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি ও সহায়তা করেছেন। এ ছাড়া ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন করেছেন। একইসঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথন করে কুষ্টিয়ার এসপি, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। টেলিফোনের সেসব কথোপকথন আমরা ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছি।

মামলায় হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চার জনই বর্তমানে পলাতক।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে প্রসিকিউশন থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

২০২৫ সালের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরদিন ৬ অক্টোবর তা আমলে নেওয়া হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।




ট্রাকচালক হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু

ট্রাকচালক হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু
ছবি সংগৃহীত।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ট্রাকচালক মো. হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ আসামির বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ আদেশ দেন। ২৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে নিহত হন ট্রাকচালক মো. হোসেন। এ ঘটনায় তার মা রীনা বেগম ওই বছরের ৩১ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন হোসেন। পরে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আকরামুজ্জামান শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

মামলার ৩৪ আসামির মধ্যে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, ফুরকান হোসেন ও শাহজাহান খান কারাগারে রয়েছেন। ১০ জন জামিনে আছেন। বাকি ২০ জন পলাতক।

পলাতক আসামিদের মধ্যে শেখ হাসিনার পাশাপাশি রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

মামলার নথি অনুযায়ী, পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গত ২৬ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত ৮ অক্টোবর মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য থাকলেও কারাগারে থাকা দুই আসামি সাজ্জাদ হোসেন ও নাইমুল হাসান রাসেলকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের শুনানি থাকায় কারা কর্তৃপক্ষ তাদের ওই দিন হাজির করতে পারেনি। পরে আদালত ২৬ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। 




সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ

সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
ছবি সংগৃহীত।

সাবেক স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) প্রধান ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজি মো. মনিরুল ইসলাম এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৮৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ আদেশ পাওয়া অন্যান্যরা হলেন— জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও মনিরুল ইসলামের স্ত্রী সায়লা ফারজানা, মনিরুলের শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন এবং শ্যালকের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পা।

এর আগে, দুদকের পক্ষে উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মোজাম্মিল হোসেন এসব আবেদন করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, মনিরুল ইসলামের নামে ১১ টি হিসাবে ৭৮ লাখ ৬০ হাজার ৭২৮ টাকা এবং ৩ হাজার ৯৭৮ ব্রিটিশ পাউন্ড, সায়লা ফারজানার ৫টি হিসাবে ৮ লাখ ২ হাজার ৬৭০ টাকা, শাহীনের নামে ৪০টি হিসাবে ১০ কোটি ৬০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৮২ টাকা এবং টুম্পার নামে ২৭টি হিসাবে ৮ কোটি ২২ লাখ ৫১ টাকা রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ২৫ কোটি টাকা লোপাট, জঙ্গিবাদের তকমা দিয়ে কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ ও শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল নামক এনজিওর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে আছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন মর্মে তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের নামে অসংখ্য ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। এই অর্থ তারা উত্তোলনের করে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। বর্ণিত সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। এমতাবস্থায়, তাদের এসব ব্যাংক হিসাবগুলো ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করা একান্ত প্রয়োজন।