লোহাগাড়ায় মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করল প্রাইম ইন্স্যুরেন্স

প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের চট্টগ্রাম কর্পোরেট জোন-৬-এর উদ্যোগে এক গ্রাহকের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) লোহাগাড়া উপজেলার বটতলী মোটর স্টেশনের মোস্তফা সিটি সেন্টারে কোম্পানির লোহাগাড়া জোনাল অফিসের হলরুমে এ চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
কোম্পানির ইভিপি-১ ও চট্টগ্রাম কর্পোরেট জোন-৬-এর লোহাগাড়ার ইনচার্জ মো. তারেক বিন কবিরের সভাপতিত্বে ও লোহাগাড়া এফপিআর সেন্টারের জিএম মোহাম্মদ ফারুখের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন-আখন্দ। বিশেষ অথিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ইভিপি-২ ও ইনচার্জ চট্টগ্রাম জোন-১৭ এ.বি.এম আনোয়ারুল হক, ইভিপি-২ ও ইনচার্জ চট্টগ্রাম-১৮ এস.এম ইব্রাহিম শামীম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন- লোহাগাড়া জোনাল অফিসরে এ.এম জাইতনু নীহা, জাহেদা বেগম, মর্তুজা বেলাল, লোহাগাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী মো. নুরুচ্ছফাও মো. জসিম উদ্দিন প্রমূখ।
এ ছাড়া কোম্পানির লোহাগাড়া জোনাল অফিসের ভিআইপি গ্রাহক মোহাম্মদ নুরুচ্ছফা ও জসিম উদ্দীনসহ কর্পোরেট জোনের কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী, গ্রাহক ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বায়েজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, বীমা মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কোনো পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হলে পরিবারটি হঠাৎ করে আর্থিক সংকটে পড়ে। এ ধরনের সময়ে বীমার অর্থ পরিবারকে কিছুটা হলেও সহায়তা দিতে পারে। তাই গ্রাহকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বীমা মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের অনিশ্চিত সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করে। গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখতে বীমা দাবির যথাযথ যাচাই শেষে দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বীমা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, কোনো গ্রাহকের মৃত্যুর পর তার পরিবারের কাছে বীমার অর্থ শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, বরং কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই গ্রাহকদের প্রতিশ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
পরে কোম্পানির লোহাগাড়া জোনাল অফিসের সুবিধাভোগী মরহুমা হাছিনা আক্তারের মৃত্যুদাবির ৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকার চেক তার স্বামী জসিম উদ্দীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। চেক গ্রহণকালে জসিম উদ্দীন কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।








