রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সহযোগী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাউজানে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে যুবদল নেতা আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তাঁর এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। গত শনিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম মুহাম্মদ রাজু (২৮)। তিনি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমত পাড়ার মৃত নুর নবীর ছেলে।
গত ২৫ অক্টোবর বিকেলে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজারসংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় আলমগীরকে। তিনি পাশের গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে অটোরিকশার পেছনে মোটরসাইকেলে করে বাড়িতে ফিরছিলেন। আলমের বাড়ি পার্শ্ববর্তী ঢালারমুখ এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কবরস্থানে লুকিয়ে থাকা আটজন অস্ত্রধারী আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন এবং তাঁর শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। অস্ত্রধারীরা হত্যার পর অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে রাঙামাটি সড়ক দিয়ে পালিয়ে যায়।
নিহত হওয়ার দুই দিন পর আলমের বাবা আবদুস সাত্তার বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করে রাউজান থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে রাজুর নাম ছিল না। তবে ঘটনার তদন্তে পুলিশ রাজুর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, "যখন অস্ত্রধারীরা আলমগীর আলমকে গুলি করার জন্য কবরস্থানে লুকিয়ে ছিলেন, তখন আলমগীর আলমের পেছনে একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন রাজু। তিনি আলমগীরের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তবে হত্যাকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।" রবিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।








