ফ্যাসিবাদের আমলে মানুষকে গুম করার আগে সংবাদ গুম করা হতো: পিআইবির মহাপরিচালক
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন

ফ্যাসিবাদের আমলে মানুষকে গুম করার আগে সংবাদ গুম করা হতো: পিআইবির মহাপরিচালক

ফ্যাসিবাদের আমলে মানুষকে গুম করার আগে সংবাদ গুম করা হতো: পিআইবির মহাপরিচালক
ছবি সংগৃহীত।

বর্তমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কক্সবাজারে কর্মরত সাংবাদিকদের তিন দিনব্যাপী ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সফল সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) আয়োজনে ও তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে কক্সবাজারে এই কর্মশালার সমাপনী পর্ব সম্পন্ন হয়।

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলীর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান।

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী ও সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাফর। সমগ্র কর্মশালাটি সমন্বয় করেন ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পিআইবির প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন।

গত ৩০ আগস্ট শুরু হওয়া এই নিবিড় কর্মশালায় কক্সবাজারে কর্মরত ৩৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন। তিন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণ দেন শিক্ষক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. জামিল খান, পিআইবির প্রোগ্রাম অফিসার আবু সুফিয়ান ও ফ্যাক্টচেকার রিদওয়ানুল ইসলাম।

কর্মশালায় সাংবাদিকদের আধুনিক সাংবাদিকতার নানা কৌশল ও ব্যবহারিক দিক শেখানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল:

  • প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ও এআই টুলস: প্রম্পট লিখনের কৌশল, নোটবুক এলএলএম, গুগল ট্রেন্ডস এবং এআই ব্যবহার করে সংবাদভিত্তিক ছবি ও ভিডিও তৈরি।

  • সাইবার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা: গণমাধ্যম সাক্ষরতা, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা এবং ডেটা ব্যাকআপ ও রিকভারি।

  • তথ্য যাচাই ও নৈতিকতা: ভুয়া তথ্য, ছবি ও ভিডিও যাচাইয়ের আধুনিক মাধ্যম, ডিপফেক শনাক্তকরণ এবং এআই ব্যবহারে সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক ওয়াসিফ বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের এই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন সংবাদ পরিবেশনে নতুন মাত্রা যোগ করছে, তেমনি গুজবের বিস্তারও বাড়াচ্ছে। এ অবস্থায় বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা বজায় রাখতে ফ্যাক্ট চেকিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের আমলে মানুষকে গুম করার আগে সংবাদ গুম করা হতো। অন্তত সেটাও এখন রক্ষা পেয়েছে। সরকার ও রাষ্ট্রকে ব্যর্থ দেখাতে সরকারবিরোধীরা বিভিন্নভাবে এআইয়ের মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এআই দিয়ে যেমন অপপ্রচার ছড়ানো যায়, তেমনি ভালো কাজও করা যায়। প্রযুক্তির এই যুগে একদিন হয়তো প্রিন্ট মিডিয়া থাকবে না, তবে গণমাধ্যম ও এআই থাকবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একসময় গণমাধ্যমের ওপর মানুষ ভরসা হারিয়ে ফেলেছিল; তাই আবারও সাংবাদিকদের সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। সত্য প্রকাশের মধ্য দিয়ে আবারও মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।

এই প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত সক্ষমতা আরও বাড়াবে বলে অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




চকরিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা আর তৃণমূল নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চকরিয়ায় মুখর হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা দলের ঐক্য বজায় রেখে আগামী দিনের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আবুল হাসেম, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু. ফখরুদ্দীন ফরায়জী ও চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “আজ ১ সেপ্টেম্বর, প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দীর্ঘ দুই দশক পর মুক্ত, গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন পরিবেশে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে এই ঐতিহাসিক দিনটি উদযাপন করছি। আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, যার আপসহীন সংগ্রাম আমাদের অন্ধকার সময়ে পথ দেখিয়েছে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের অভিভাবক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে, যার দূরদর্শী নেতৃত্বে সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে বাংলাদেশ আজ আলোর পথে। দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। এই বিজয়ের মুহূর্তে আমাদের আরও নম্র হতে হবে।”

বক্তারা বলেন, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরী) আসনের সংসদ সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জননেতা সালাউদ্দিন আহমদের স্পষ্ট নির্দেশ—দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি কোনো ধরনের অহংকার, ক্ষমতার অপব্যবহার বা শৃঙ্খলাভঙ্গ বরদাশত করা হবে না। আপনাদের জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে প্রমাণ করতে হবে যে, বিএনপিই এদেশের প্রকৃত জনবান্ধব ও কল্যাণকামী রাজনৈতিক দল।

বক্তারা আরও বলেন, রাজপথের যেকোনো ষড়যন্ত্র আমরা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করব। একই সাথে, আগামী দিনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর জন্য আমাদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের সামনে এনে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। দলীয় নির্দেশ মেনে কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী সামাজিক কর্মসূচি, বিশেষ করে বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ অভিযান সফল করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম গিয়াসউদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এস এম মনজুর, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল কাঁকন, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টোসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, বিএনপি চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ দলের নেতাকর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।




মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন
ছবি সংগৃহীত।

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে খতমে কোরআন, আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ৪টায় বদরখালীতে দলীয় কার্যালয় থেকে র‍্যালিটি বের করা হয়। পরে র‍্যালিটি বদরখালীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খতমে কোরআন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান চৌধুরী টিপু, সহসভাপতি আহসানুল কাদের সাব্বির, সহসভাপতি সাবের মেম্বার, সহসভাপতি আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শোআইবুল ইসলাম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম খিজির, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল আরিফ দুলাল ও মাস্টার রুকন উদ্দিন বাবুল।

এ ছাড়া মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। র‍্যালিতে দলীয় নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেন।




মাতামুহুরীতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা-লুটপাট, আহত ৬

মাতামুহুরীতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা-লুটপাট, আহত ৬
ছবি সংগৃহীত।

ধান রোপণে বাধা ও জায়গা দখলের চেষ্টায় কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খঞ্জনি ঘোনায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

হামলায় আহতরা হলেন—জান্নাতুল ফেরদৌস, সাইফুল মোস্তফা, নুরুল কাদের মামুন, তাসমিন সুলতানা, লায়লা বেগম ও শিবলী নোমান। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় (রেফার করেন) কর্তব্যরত চিকিৎসক।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বশির মেম্বার, ফিরোজ আহমদ ও ছিদ্দিক আহমদের নেতৃত্বে একদল লোক দা, কিরিচ, রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা মারধর ও ভাঙচুরের পাশাপাশি নগদ টাকা ও বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

অভিযোগে হামলাকারীদের মধ্যে এনামুল হক (মাতামুহুরী শ্রমিক দলের সভাপতি), মোহাম্মদ রিপন, মো. ইয়াসিন আরাফাত, মো. মোর্শেদ, সিফাত, আব্দুল মজিদ, শাহেদ ও রায়হানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১০-১৫ জন হামলায় অংশ নেয় বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, "উক্ত ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"