ফটিকছড়িতে বজ্রপাতে গরু ও মহিষের আকস্মিক মৃত্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত দুই খামারি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় পৃথক ঘটনায় একটি মহিষ ও একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এতে দুই ক্ষুদ্র খামারি ও পশুপালনকারী পরিবার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফটিকছড়ি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর সাফা (বালি) দীর্ঘদিন ধরে ছোট পরিসরে মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তাঁর খামারে ছয়টি মহিষ রয়েছে। সম্প্রতি ঘাস খাওয়ানোর জন্য জমিতে নামানোর পর হঠাৎ একটি মহিষ মারা যায়। এতে তাঁর প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
নূর সাফা বলেন, "মহিষটি আমার আয়ের বড় অবলম্বন ছিল। হঠাৎ মারা যাওয়ায় আমি অনেক ক্ষতির মুখে পড়েছি।"
এদিকে একই দিনে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের চামারদিঘি এলাকায় বজ্রপাতে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
গরুর মালিক মাদ্রাসাছাত্র রিয়াদ জানান, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তিনি গরুটি মোটাতাজা করেছিলেন। সকালে চামারদিঘি গরুর বাজারে গরুটি তুললে ক্রেতারা প্রায় এক লাখ টাকা দাম বলেন। পরে বৃষ্টির সময় সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় বজ্রপাতে গরুটির মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, "অনেক কষ্ট করে গরুটি লালন-পালন করেছি। বিক্রির আশায় বাজারে এনেছিলাম। কিন্তু বজ্রপাতে সব শেষ হয়ে গেল।"
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মমিন বলেন, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।








