ফটিকছড়িতে প্রতীক বরাদ্দ: প্রচারণায় নামছেন ৭ প্রার্থী, ঝুলে আছে ধানের শীষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতীক পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামছেন। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এ আসনে বর্তমানে 'ধানের শীষ' প্রতীক শূন্য রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী সাতজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বণ্টন করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুল আমিন পেয়েছেন ‘দাঁড়িপাল্লা’। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারি পেয়েছেন ‘একতারা’। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জুলফিকার আলী ‘হাতপাখা’, জনতার দলের গোলাম নওশের আলী ‘কলম’ এবং গণঅধিকার পরিষদের রবিউল ইসলাম তানজিন ‘ট্রাক’ প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আহম্মদ কবির করিম ‘ফুটবল’ এবং জিন্নাত আরা ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়বেন।
এদিকে, এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় ধানের শীষ প্রতীকের বরাদ্দ স্থগিত রয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রতীক পাওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুল আমিন এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। আশা করি, নির্বাচন কমিশন সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে।”
চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন। কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে ফটিকছড়ি আসনে নির্বাচনী উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।








