পঞ্চবটি চা বাগানের সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই: কথিত গডফাদার জাবেদ গ্রেপ্তার, উদ্ধার হয়নি লুটের অর্থ
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন

পঞ্চবটি চা বাগানের সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই: কথিত গডফাদার জাবেদ গ্রেপ্তার, উদ্ধার হয়নি লুটের অর্থ

পঞ্চবটি চা বাগানের সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই: কথিত গডফাদার জাবেদ গ্রেপ্তার, উদ্ধার হয়নি লুটের অর্থ
ছবি সংগৃহীত।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর থানাধীন পঞ্চবটি চা বাগানে ৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় কথিত গডফাদার মোহাম্মদ জাবেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে লুট হওয়া পুরো টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি। জাবেদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, যা ছিনতাই হওয়া অর্থের অংশ বলে ধারণা করছে পুলিশ।

গত ১৫ অক্টোবর গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের জামিনের জন্য আইনজীবী নিয়োগ এবং কারাগারে প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিতে আদালত ভবনে যান জাবেদ। এ সময় ভূজপুর থানা পুলিশের সাইবার টিমের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাবেদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তাঁর বাড়ি ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের পাগলিছড়ি, মোহন্তরখিল এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, ছিনতাইয়ের পুরো ঘটনা তিনি মুঠোফোনে মনিটরিং করেছিলেন।

গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চবটি চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাপ্তাহিক বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য বাগানের সহকারী ম্যানেজার নেপাল কান্তি দাশ (৬০) ও চিকিৎসক ডা. বাবুল দাশ (৫৫) নারায়ণহাট কৃষি ব্যাংক থেকে ৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা উত্তোলন করে ফেরার সময় ছিনতাইকারীরা তাঁদের পথরোধ করে ছুরিকাঘাত করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও চা বাগানের শ্রমিকেরা ধাওয়া করে মোহাম্মদ আবু (২৪), জিহান (২৬), সম্রাট (২৮) ও রাশেদকে (২৬) আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।

এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ১টি ছুরি, ২টি স্মার্টফোন, ৩টি বাটন ফোন এবং নগদ ৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা এখনো লুট হওয়া টাকা কোথায় রেখেছেন, তা স্বীকার করেননি। তবে জাবেদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৩ হাজার টাকা ছিনতাই হওয়া অর্থের অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় ভূজপুর থানায় মামলা হয়েছে (মামলা নম্বর: ১৫, তারিখ: ১৫/১০/২০২৬)। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে বলে জানান ও সি।

এদিকে, গত কয়েক মাস ধরে ভূজপুর থানা এলাকায় চুরি-ছিনতাই বেড়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এসব ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।




চুরি রোধে সমাবেশ: ফটিকছড়িতে কয়েক ঘণ্টার মাথায় ট্রান্সফরমার চুরি!

চুরি রোধে সমাবেশ: ফটিকছড়িতে কয়েক ঘণ্টার মাথায় ট্রান্সফরমার চুরি!
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও চুরি-ডাকাতি রোধে থানা পুলিশের মতবিনিময় সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গভীর রাতে লেলাং চম্পাতলী গ্রামে গহিরা-হেয়াকো সড়কের পাশে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থেকে এ ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়।

স্থানীয় সূত্রমতে, সম্প্রতি এলাকায় চুরি ও ডাকাতির উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তা প্রতিরোধের লক্ষ্যে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে এক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। ইসলামিয়া বাজার মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম খান।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন এবং এলাকা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে নানা দিকনির্দেশনা দেন। কিন্তু এ সমাবেশ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একই দিন গভীর রাতে চম্পাতলী এলাকায় ঘটে চুরির ঘটনা। দুর্বৃত্তরা অনায়াসে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমারটি সরিয়ে নেয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। থানা পুলিশের সমাবেশের পরপরই এমন চুরির ঘটনায় অনেকেই ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, চোরচক্র কতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে পুলিশি সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তারা এই দুঃসাহস দেখিয়েছে।

এলাকাবাসী দ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া ট্রান্সফরমার উদ্ধারের দাবি জানান। চট্টগ্রাম-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ফটিকছড়ি জোনাল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবুল বাসার শামছুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “শাহনগরে একটি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় আমরা হতবাক। থানায় জিডির প্রস্তুতি চলছে।”

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম খান বলেন, “স্থানীয়রা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন; অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




ফটিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রদল নেতার নিহত, আহত ২

ফটিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রদল নেতার নিহত, আহত ২
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. সজিব (২০) নামে এক ছাত্রদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রায়হান উদ্দিন নামে এক সংবাদকর্মী ও অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার গহিরা-হেয়াঁকো সড়কের বক্তপুর কড়ালিয়া পুকুর পাড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব রোসাংগিরী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড মনুর বাপের বাড়ি এলাকার মো. রফিকের ছেলে। তিনি ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আহত রায়হান উদ্দিন একই এলাকার  বাসিন্দা ও স্থানীয় সংবাদকর্মী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ধর্মপুর আজাদীবাজার থেকে ব্যক্তিগত কাজ সেরে মোটরসাইকেলে যোগে নানুপুর ফিরছিলেন রায়হান উদ্দিন ও মো. সজিব। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নাজিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাশেদা খানম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই সজিবের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল। আহত অপর ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খাঁন বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।




ফটিকছড়ির পঞ্চবটি চা বাগানে সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই, রাত পোহানোর আগেই জনতার হাতে আটক ৪

ফটিকছড়ির পঞ্চবটি চা বাগানে সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই, রাত পোহানোর আগেই জনতার হাতে আটক ৪
ছবি সংগৃহীত।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর থানাধীন ৩ নম্বর নারায়নহাট ইউনিয়নের পঞ্চবটি চা বাগানে সহকারী ম্যানেজার ও বাগানের চিকিৎসককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে ৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও বাগানের শ্রমিকদের সহায়তায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে নারায়নহাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চবটি চা বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

"আটক ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি স্থানীয়দের,

জামিনে মুক্তি পেলে জানমালের ক্ষতির আশঙ্কা"

সরেজমিনে জানা গেছে, চা বাগানের শ্রমিকদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাপ্তাহিক বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য সহকারী ম্যানেজার নেপাল কান্তি দাশ ও বাগানের চিকিৎসক ডা. বাবুল দাশ নারায়নহাট কৃষি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ব্যাগে নিয়ে বাগানে ফিরছিলেন। বাগানের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে ফ্যাক্টরির একটু আগে মসজিদের কাছে পৌঁছালে ওতপেতে থাকা একদল ছিনতাইকারী তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় তাদের হাতে ছুরি, কুড়ালসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র ছিল। তারা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় তাঁরা টাকার ব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তদের একজন মোহাম্মদ আবু তাঁর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে বাবুল দাশকে আঘাত করেন। সম্রাট তাঁর হাতে থাকা অস্ত্র নেপাল কান্তি দাশের মাথায় তাক করে ধরেন এবং রাশেদ তাঁদের দুজনকে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন।

এ ঘটনায় বাগানের সহকারী ম্যানেজার নেপাল কান্তি দাশ (৬০) ও চিকিৎসক ডা. বাবুল দাশ (৫৫) গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ডা. বাবুল দাশকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাঁর মাথায় একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাগানের ম্যানেজার অর্জুন জানান, সহকারী ম্যানেজার ব্যাংক থেকে ৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা উত্তোলন করেছিলেন। ওই টাকা পূজা উপলক্ষে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য আনা হচ্ছিল।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ও বাগানের শ্রমিকেরা ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে পাশের গ্রামের একটি পুকুরের কচুরিপানার মধ্য থেকে মোহাম্মদ আবু (২৪) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ভূজপুর ইউনিয়নের পাগলিছড়ি এলাকার জালাল আহমদের ছেলে।

পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিহান (২৬) নামের আরও একজনকে আটক করা হয়। তিনি নারায়নহাট ইউনিয়নের ইদিলপুর টিলাপাড়া এলাকার মাস্টারবাড়ির আবুল হাশেমের ছেলে বলে জানা গেছে।

আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জবানবন্দিতে তাঁদের সঙ্গে রাশেদ ও সম্রাট নামে আরও দুজনের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। রাশেদ ইদিলপুরের গুন্নারবিল এলাকার বশরের ছেলে এবং সম্রাট উত্তরটিলা এলাকার আইয়ুবের ছেলে।

অভিযোগ রয়েছে, রাশেদ ও সম্রাট ছিনতাই করা টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। পরে রাত ৯টার দিকে একই বাগানের পশ্চিম পাশের জঙ্গল থেকে এলাকাবাসী তাঁদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

এদিকে, আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় বাগানের শ্রমিকেরা বাধা দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড দেন বলে জানা গেছে। তাঁদের অভিযোগ, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি-ডাকাতি, হাইজ্যাক, গরু-ছাগল চুরি থেকে শুরু করে এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা তারা করেনি। তাদের অত্যাচার, হুমকি-ধমকি ও অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। এক কথায় এদের এলাকায় চোর ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে সবাই চেনে। এ ঘটনায় জড়িত সবার বিচার এবং চা বাগানের শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ফেরার পথে বাগানের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে এবং অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেয়।

পুলিশ সুপার তারেক আজিজ জানিয়েছেন, চা বাগানের শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ভূজপুর থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাঁদের দাবি, প্রায় প্রতি রাতেই বিভিন্ন গ্রাম ও সড়কে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। হাঁস-মুরগি থেকে শুরু করে নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র চুরির ঘটনাও বেড়েছে। এসব ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।