নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আমবাগান পোস্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার-৩২ থেকে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমবাগান পোস্ট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি স্থান থেকে ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০,০০,০০০ (ষাট লাখ) টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে অভিযানের সময় ইয়াবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।




লক্ষ্মীছড়িতে মধু পূর্ণিমা মহতি পুণ্যানুষ্ঠান পরিদর্শন করেন জোন কমান্ডার

লক্ষ্মীছড়িতে মধু পূর্ণিমা মহতি পুণ্যানুষ্ঠান পরিদর্শন করেন জোন কমান্ডার
ছবি সংগৃহীত।

লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার শিলাছড়ি পাড়ায় শুভ মধু পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মহতি পুণ্যানুষ্ঠান পরিদর্শন করেন লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল খান সজিবুল ইসলাম, পিপিএম, পিএসসি, জি।

২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিদর্শনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন জোন কমান্ডার। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় জোন কমান্ডার ধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার আয়োজকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং শুভেচ্ছাস্বরূপ স্মারক উপহার দেন। স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগণ জোন কমান্ডারের এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।




নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা

নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. আব্দুল হামিদের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা আমির মো. আবু নাছেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এস এম আব্দুচ সালাম আজাদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা জামায়াতের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক হামেদ হাসান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সহসভাপতি রফিক বশরী, নাইক্ষ্যংছড়ি শ্রমজীবী বিভাগের সভাপতি রফিক আহম্মেদ, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর জামায়াতের আমির মাস্টার আব্দুল গফুর ও বাইশারী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন।

এ ছাড়া বান্দরবান জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি নুরুল আবছার এবং ছাত্রশিবিরের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সভাপতি নূর সাদেকসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে জেলা আমির এস এম আব্দুচ সালাম আজাদ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আব্দুল মান্নান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে অ্যাডভোকেট কামরুল আমিন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সালমা আক্তারের নাম ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ঘুমধুম ইউনিয়নে মো. হামিদুল হক, দোছড়ি ইউনিয়নে নুরুল আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নে উপজেলা আমির মো. আবু নাছের এবং বাইশারী ইউনিয়নে মাওলানা রফিক বশরীর নাম ঘোষণা করা হয়। তবে সোনাইছড়ি ইউনিয়নে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি।

সমাবেশে ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষে এখন থেকেই সাংগঠনিকভাবে কাজ শুরু করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম আব্দুচ সালাম আজাদ বলেন, ইসলামের বিপরীতে যা কিছু রয়েছে, তা তাগুত। জামায়াতে ইসলামীর আকিদা কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফতোয়া ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দলে থাকার সময়ের তুলনায় বর্তমানে দলটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য ও ফতোয়া বেশি দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত না হয়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে নিজেদের আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।




৩৪ বিজিবির কে-নাইন স্কোয়াডের সহায়তায় ৫২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২

৩৪ বিজিবির কে-নাইন স্কোয়াডের সহায়তায় ৫২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের ​মেরিন ড্রাইভের রেজুখাল চেকপোস্টে বিজিবি কে-নাইন স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত কুকুরের সহায়তায় চালানো পৃথক দুটি অভিযানে ৫২ হাজার ইয়াবাসহ দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।

​কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি মোটরসাইকেল রেজুখাল চেকপোস্টে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। বিজিবির ‘জার্মান শেফার্ড’ ডগ ‘জন’ (বিজিডি-১০৮৩)-এর বিশেষ দক্ষতায় মোটরসাইকেলের এয়ার ক্লিনারের ভেতর লুকানো অবস্থায় ২৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় চালক মোঃ আয়াজকে (৩০) আটক করার পাশাপাশি ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি বাটন ফোন জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে একই চেকপোস্টে আরেকটি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে ব্যাটারির ভেতরে অভিনব কায়দায় রাখা আরও ২৬ হাজার পিস ইয়াবা সনাক্ত করে ডগ ‘জন’। এতে অটোরিকশাচালক মোঃ ফয়সালকে (২২) ইয়াবা, অটোরিকশা ও একটি স্মার্টফোনসহ আটক করা হয়।

​উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য মালামালসহ আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান।