নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা পাচার রোধে বিজিবির ‘হ্যান্ডহেল্ড রামান স্পেকট্রোমিটার’ প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু

শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর ১১ ব্যাটালিয়ন। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির আদর্শগ্রাম চেকপোস্টে আধুনিক ‘হ্যান্ডহেল্ড রামান স্পেকট্রোমিটার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাদক শনাক্তকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়। ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের দিকনির্দেশনায় আদর্শগ্রাম চেকপোস্টে এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সন্দেহভাজন পণ্য ও সামগ্রী পরীক্ষা করে দ্রুত মাদক শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদক পাচারকারীরা প্রায়ই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর আড়ালে ইয়াবাসহ নানা ধরনের নিষিদ্ধ মাদক পরিবহনের চেষ্টা চালিয়ে থাকে। এ ধরনের কৌশল নস্যাৎ করতে চেকপোস্টে সন্দেহভাজন যানবাহন ও মালামাল তল্লাশির পাশাপাশি এই প্রযুক্তিনির্ভর শনাক্তকরণ ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজিবি।
উল্লেখ্য, এর আগে আদর্শগ্রাম চেকপোস্টে লেবুভর্তি বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছিল বিজিবি। ওই ঘটনার পর মাদক পাচারের নতুন কৌশল প্রতিরোধে নিয়মিত তল্লাশি ও নজরদারির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়।
১১ বিজিবির এই তৎপরতার মূল লক্ষ্য হলো সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, মাদক পাচার ও চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অবৈধ পণ্য পরিবহন বন্ধে বিজিবির এই কঠোর তল্লাশি, নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।










