জামায়াতের আমির: একসময় যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

জামায়াতের আমির: একসময় যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে

জামায়াতের আমির: একসময় যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে
ছবি সংগৃহীত।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ যারা চায় না, তারা পুরোনো বন্দোবস্তই চায়। একসময় মুখ লুকিয়ে যারা থাকতেন, কোনো কথা বলতেন না, এখন তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে কথা বলতে। কিন্তু আমরা চাই, মুখের কথাই যেন তাদের বুকের কথা হয়। ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে যারা অবস্থান নেবেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ ধরে নেবে—তারা আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চান।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের পদুয়া এ সি এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের যুবসমাজ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার দাবি জানিয়ে আসছে। বিশ্ব দরবারে মর্যাদার সঙ্গে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের প্রথম ভোটটি যেন ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষেই হয়—সে আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি ১২ তারিখ তরুণ সমাজকে দাঁড়িয়ে থেকে জয় নিয়ে নতুন বাংলাদেশ বুঝে নেওয়ার কথাও বলেন।

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে সবার বিজয় হবে। আমিও তার বাইরে থাকব না। কিন্তু দল, পরিবার বা গোষ্ঠীর বিজয় হলে পরে জাতির ওপর তাণ্ডব চালানো হয়। ওই বিজয়কে আমি ধিক্কার জানাই। এমন বিজয় আমাদের প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘যুবকেরা কখনো বলেনি—আমাদের বেকার ভাতা দাও। তারা বলেছে, আমাদের হাতে কাজ দাও। আমরা আমাদের দেশ ও জাতিকে গড়তে চাই। এ জন্য যুবসমাজের হাতে আমরা অপমানজনক বেকার ভাতা তুলে দেব না; তুলে দেব সম্মানের কাজ। এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই একসঙ্গে কাজ করবে। এখানে দল বা ধর্ম নয়, গুরুত্ব পাবে দক্ষতা ও দেশপ্রেম।’ এই চেতনা নিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতের নায়েবে আমির আনম শামশুল ইসলাম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ব্যারিস্টার হামিদ হোসেন আজাদ।




তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা

তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন, সম্পর্ক জোরদারের আশা
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় সরকারপ্রধান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। অভিনন্দন বার্তায় তিনি দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

কিয়ার স্টারমারের পাঠানো অভিনন্দন বার্তাটি বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি পাঠানো আনুষ্ঠানিক বার্তায় তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যর মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা পারস্পরিক সহযোগিতা, জনগণের বন্ধন ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্তরাজ্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রোধ এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন কিয়ার স্টারমার।
চিঠিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করা হয় এবং এ বিষয়ে সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়। দুই দেশের অংশীদারত্বের নতুন অধ্যায় শুরু হবে বলেও বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।




মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ

মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ
ছবি সংগৃহীত।

বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস, রুহুল কবির রিজভী, নজরুল ইসলাম খানসহ ১০ জনকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’ এর রুল৩(বি)-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে ১০ ব্যক্তিকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ করেন।

মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ পেয়েছেন- মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

এছাড়া প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হয়েছেন হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদুর রহমান, ড. মাহাদী আমিন এবং রেহান আসিফ আসাদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে মঙ্গলবার বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করলো বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।




তারেক রহমান সংসদীয় নেতা নির্বাচিত

তারেক রহমান সংসদীয় নেতা নির্বাচিত
ছবি সংগৃহীত।

সরকারি দলের প্রথম সভায় সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে নতুন সাংসদদের শপথ অনুষ্ঠান শেষে সরকারের সংসদীয় দলের প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।