চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেছেন তাঁরা।

এ কর্মসূচির ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পাঠদান, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ শেষে তাঁরা উপাচার্য ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘ সময় পর তাঁরা একজন শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য পেয়েছিলেন। কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। দ্রুত অধ্যাপক সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানান তাঁরা।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় সোমবার তাঁকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলম।

উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবার সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিও। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবারের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘ভিসির চেয়ার কারে চায়, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’ এবং ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্কতামূলক অবস্থানে আছে।’




চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেছেন তাঁরা।

এ কর্মসূচির ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পাঠদান, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ শেষে তাঁরা উপাচার্য ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘ সময় পর তাঁরা একজন শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য পেয়েছিলেন। কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। দ্রুত অধ্যাপক সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানান তাঁরা।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় সোমবার তাঁকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলম।

উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবার সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিও। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবারের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘ভিসির চেয়ার কারে চায়, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’ এবং ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্কতামূলক অবস্থানে আছে।’




রাউজানে ৪ রেস্তোরাঁকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

রাউজানে ৪ রেস্তোরাঁকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রধান ফটক এলাকার খাবার দোকানগুলোতে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় ৪টি রেস্তোরাঁকে সর্বমোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে চুয়েট গেট সংলগ্ন বাচা বাবা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং আইমিন’স কিচেনকে ৩০ হাজার, জেস্টো রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার এবং চাঁদপুর হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, রেস্তোরাঁ গুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ, বাসি খাবার পরিবেশন, খাবারে ক্ষতিকর রঙ ও পোড়া তেলের ব্যবহার এবং শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণ বিক্রির প্রমাণ মেলে।

অভিযান পরিচালনাকালে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন, রাউজান উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. ইলিয়াস এবং নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনিছুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।




গরুর রশিতে পঁচিয়ে সিএনজি অটোরিকশা দুর্ঘটনা: মালিকপক্ষের হামলায় পুলিশের এএসআইসহ আহত ৪

গরুর রশিতে পঁচিয়ে সিএনজি অটোরিকশা দুর্ঘটনা: মালিকপক্ষের হামলায় পুলিশের এএসআইসহ আহত ৪
ছবি সংগৃহীত।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর থানা সংলগ্ন গহিরা-হেয়াকো সড়কের ওপর গরু চরানোর সময় গরুর সঙ্গে বাঁধা রশিতে একটি সিএনজি অটোরিকশা আটকে উল্টে যায়। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া আরেকটি অটোরিকশাও উল্টে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গরুর মালিকপক্ষের হামলায় তিন যাত্রী ও এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ চারজন আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আছরের পর ভূজপুর থানা সংলগ্ন উত্তর পাশে গহিরা-হেয়াকো সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সড়কের ওপর অবৈধভাবে গরু চরানোর সময় গরুর রশিতে চলন্ত একটি সিএনজি অটোরিকশা আটকে যায়। এতে সিএনজিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে পড়ে। একই সময় সেটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে পাশ দিয়ে যাওয়া আরেকটি অটোরিকশাও উল্টে যায়।

এ নিয়ে উভয় গাড়ির যাত্রীদের সঙ্গে স্থানীয় গরুর মালিকপক্ষের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে গরুর মালিক ও তাঁর কয়েকজন প্রতিবেশী লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে যাত্রীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় আলী আহাম্মদ (পিতা: আবুল হাসেম), মো. জিহান (পিতা: মো. জামাল) ও মো. পারভেজ (পিতা: আমির হোসেন) আহত হন। এ ছাড়া এক অন্তঃসত্ত্বা যাত্রীও আহত হয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের সঙ্গেও তর্কে জড়ায় এবং গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টাকালে ভূজপুর থানার এএসআই মো. মিজান আহত হন। পুলিশের দাবি, হামলাকারীদের হাতে থাকা কাঁচির আঘাতে তাঁর হাতের বাহু কেটে যায়। পরে তাঁর বাহুতে সেলাই দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মো. ফুল মিয়া (৪০), হুসাইন আহমদ গুরু (২৫) ও মোহাম্মদ নয়ন (২২) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মধ্যে ফুল মিয়া ও হুসাইন আহমদ গুরু পূর্ব ভূজপুর সওদাগরপাড়া এলাকার শামছুল আলমের ছেলে এবং মোহাম্মদ নয়ন একই এলাকার আবুল আজিজের ছেলে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় ভূজপুর থানায় মামলা হয়েছে (মামলা নং-০৬, তারিখ: ২০/০৯/২০২৬ খ্রি.)।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ভূজপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে নাজিরহাট ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহতদের মাথা, ঘাড়, পা ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও ফাটা জখম হয়েছে। কয়েকজনকে সেলাই দেওয়া হয়েছে এবং একজনের পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ সময় গরুর মালিকপক্ষ পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ায় এবং গ্রেপ্তারকৃতদের থানায় নিয়ে আসতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হবে।’