চকরিয়া-পেকুয়া আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন

চকরিয়া-পেকুয়া আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

চকরিয়া-পেকুয়া আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
ছবি সংগৃহীত।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

দুপুর ২টার দিকে আব্দুল্লাহ আল ফারুক দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ারের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।

আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, “পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত থেকে বেরিয়ে আমরা একটি নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চাই। বিশেষ করে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুক্ত, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।” তিনি এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্থানীয় ভোটার ও সর্বস্তরের জনগণের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আব্দুল্লাহ আল ফারুকের এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মাধ্যমে চকরিয়া-পেকুয়া আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলো।




অনুমোদন নাটকীয়তা শেষ, ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে এমভি বার আউলিয়া

অনুমোদন নাটকীয়তা শেষ, ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে এমভি বার আউলিয়া
ছবি সংগৃহীত।

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল নিয়ে প্রতিবছর চলে নানা নাটকীয়তা। অনুমোদন পেতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের আবেদন আদালত পর্যন্ত গড়াতে হয়। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেনদরবারে ভোগান্তির অন্তত থাকে না। ১ নভেম্বর জাহাজ চলাচলের কথা থাকলেও মেলেনি অনুমোদন। অবশেষে ধোঁয়াশা কেটেছে। অনিশ্চয়তা ও নাটকীয়তার পর কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় এমভি বার আউলিয়া জাহাজটি শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। সমুদ্রপথে প্রবাল দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা।

অনুমতি পাওয়া বাকি দুইটি জাহাজ 
এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ শুক্রবার থেকে চলাচল করার কথা রয়েছে।

বিলম্বে হলেও সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ অনুমোদন পাওয়ায় পর্যটন খাতের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য করলেন পর্যটনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) এর সাধারণ সম্পাদক আকতার নূর।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আ. মান্নান জানান, আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ করা অনেক পর্যটকের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকেই সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরুর কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, নৌযানের চলাচলের ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল শুরু করা যায়নি। পরে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ায় সেই বাধা কাটে।

জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, এবার পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে তিনটি জাহাজ। তবে প্রথম দিনে যাত্রা শুরু করেছে বার আউলিয়া জাহাজটি। পর্যটক পরিবহনের সুযোগ সীমিত থাকলেও জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় আশাবাদী পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সবার প্রত্যাশা, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে দ্বীপকেন্দ্রিক পর্যটন কার্যক্রম।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাত্রা হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় এবার পাঁচ দিন পিছিয়ে ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে জাহাজ চলাচল। যাত্রার আগে অগ্নিনিরাপত্তাসহ জাহাজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করে প্রশাসন।

সুত্র মতে, এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ-এই তিনটি জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০, এমভি কর্ণফুলির ৭৩২ এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বারো আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দ্বীপ থেকে ফিরবে বেলা আড়াইটায়। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে ফিরবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে। আর এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় দ্বীপ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। তিনটি জাহাজই নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে যাত্রী পরিবহন করবে।

সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। এ সময় দ্বীপে ভ্রমণের পাশাপাশি রাত্রিযাপনও করতে পারবেন পর্যটকেরা। তবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটককে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তও নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রত্যেক পর্যটককে দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি। পাশাপাশি সংগ্রহ করতে হবে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট।

নির্দেশনা অনুযায়ী, রাতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি কিংবা বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও নিষিদ্ধ।
এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র বলছে, প্রথম দিন একটি জাহাজ চলাচল করলেও পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে অনুমোদন পাওয়া অন্য জাহাজগুলো।

দীর্ঘ বিরতির পর পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় সেন্টমার্টিনের পর্যটননির্ভর ব্যবসায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন টুয়াক সভাপতি আনোয়ার কামাল।

পর্যটক বাড়লে দ্বীপের হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, স্থানীয় পরিবহনসহ বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। এতে পর্যটননির্ভর স্থানীয় বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সেন্টমার্টিনের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটন কার্যক্রমের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা না গেলে অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।




রামুতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বর্জ্য অপসারণ অভিযান উদ্বোধন করলেন এমপি কাজল

রামুতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বর্জ্য অপসারণ অভিযান উদ্বোধন করলেন এমপি কাজল
ছবি সংগৃহীত।

‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিচ্ছন্ন রামু গড়ে তুলি’—এ স্লোগানকে সামনে রেখে আজ ৫ নভেম্বর রামু চৌমুহনী স্টেশনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার লক্ষ্যে বর্জ্য অপসারণ অভিযান উদ্বোধন করেছেন কক্সবাজার-৩ (রামু-কক্সবাজার-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।

এ সময় রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান, রামু উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল বশর বাবু এবং ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ার এই উদ্যোগকে স্থানীয় প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ স্বাগত জানান। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করার জন্য স্থানীয়রা সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।




চকরিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন বৈঠক পণ্ড, গ্রেপ্তার ৯: জব্দ ১৪টি মোটরসাইকেল

চকরিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন বৈঠক পণ্ড, গ্রেপ্তার ৯: জব্দ ১৪টি মোটরসাইকেল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি গোপন বৈঠক পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় ৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৪টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উলুবুনিয়া বওনাঘোনা এলাকার মালুমঘাট হাইওয়ে-সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের মাছের প্রজেক্টে এ অভিযান চালানো হয়।

চকরিয়া থানা-পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস পালনের আড়ালে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে গোপন বৈঠকে সমবেত হয়েছেন। চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে চকরিয়া থানার একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এজাহারনামীয় ১০০ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জন নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, রড ও ইটের টুকরা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন। এ সময় তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশকে ধাওয়া করেন এবং রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী স্লোগান দেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

পরে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘেরাও করেন। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে ৯ জনকে আটক করে। তাঁরা হলেন—ইমতিয়াজ আহমেদ আবতাহি (২০), নাজমুল হক (২১), সাকিবুর রহমান (২১), মো. নেজাম উদ্দিন (৩৪), রায়হান উদ্দিন (৩০), ইলিয়াছ উদ্দিন (১৯), জসিম উদ্দিন বাবুল (৪২), রবিউল হোসেন (২৮) ও রেজাউল করিম টিটু (৪২)।

চকরিয়া থানা-পুলিশ আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির দিকনির্দেশনায় এবং কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ. এন. এম. সাজেদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) মো. আবদুল আজিজ ও ওসি মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমুক্ত চকরিয়া গড়ে তুলতে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।