ইসলামি শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

ইসলামি শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামি শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় উন্নয়ন, নৈতিকতা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের মূলধারায় নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ইসলামি শিক্ষার মূল লক্ষ্য মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। এ খাতকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গবেষণা, দক্ষ শিক্ষক এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে শুধু প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এমনভাবে এই খাতকে গড়ে তুলতে হবে, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, গবেষণানির্ভর ও পরিকল্পিত ভূমিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, অতীতে মাদ্রাসা শিক্ষার কাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফাজিল–কামিল শিক্ষাকে মূলধারার উচ্চশিক্ষার সঙ্গে আরও শক্তভাবে যুক্ত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা এখন আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। ইসলামি শিক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, আধুনিকায়িত শিক্ষাব্যবস্থা এবং বাস্তবমুখী কারিকুলাম।

মাদ্রাসা খাতে শিক্ষক সংকটের বিষয় তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ইসলামি শিক্ষায় দক্ষ শিক্ষক পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিকুলাম উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া কিছু মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতনসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে এবং তা সমাধানে কাজ চলছে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেতন পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ অর্জন নয়, জ্ঞান, গবেষণা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ইসলামি শিক্ষার শিক্ষার্থীদেরও দেশের সব খাতে অবদান রাখার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। ফাজিল–কামিল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, বিসিএসসহ বিভিন্ন জাতীয় সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ অতীতেও নেওয়া হয়েছে এবং তা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহীনুল ইসলাম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।




এইচএসসির রুটিন নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক করলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

এইচএসসির রুটিন নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক করলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
ছবি সংগৃহীত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের নামে ছড়িয়েপড়া বিজ্ঞপ্তিকে সম্পূর্ণ ভুয়া, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির নামে একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আগামী ২৭ জুলাই ২০২৬ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ দাবির কোনো সত্যতা নেই।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রচারিত ওই বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কিংবা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সম্পর্ক নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা-সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা বা বিজ্ঞপ্তি শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। পাশাপাশি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।




এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না, সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড

এসএসসির ফল ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না, সম্ভাব্য সময় জানালো বোর্ড
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের কথা ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের প্রস্তুতিও নিচ্ছিল। তবে প্রশাসনিক ব্যস্ততায় তা কিছুটা পিছিয়ে যাচ্ছে। নতুন দিনক্ষণ জানা না গেলেও চলতি মাসে এ ফল প্রকাশ করা হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে তিনি  বলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা বোর্ডগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। বোর্ডও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে অংশীজনরা ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজ প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে খুব বেশি দেরি হবে না।
চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ সম্ভব কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘আশা করছি, সেটা আমরা পারবো। এ মাসের মধ্যেই আমাদের কাজ গুছিয়ে ফল প্রকাশ করতে পারবো।’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।




আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি

আন্দোলনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিত ২০ হাজারের বেশি
ছবি সংগৃহীত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।

এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।

অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।

অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ‍শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।