সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
ছবি সংগৃহীত।

বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরগুলো এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে হবে। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনেরও পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে

হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদ্যমান হাইটেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি একটি বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তিনি বলেন, আজকের এই সামিটে আমি আবারও নিশ্চিত করতে চাই, সরকার ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সর্বাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। বিনিয়োগবান্ধব নীতি, কর সুবিধা, বন্ডেজ সুবিধা দেওয়া ও বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস আরও কার্যকর করতে সরকার কাজ করছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানী তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেক্ট্রনিক্স, এআই অ্যান্ড রোবোটিক্স (বিইএআর) সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিট আয়োজন করা হয়।

তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি মিলেমিশে চতুর্থ এবং পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের ভিত্তি রচনা করেছে। বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর শুধু একটি শিল্পই নয়, এটি সম্ভবত আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার এই সময়ে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে কম্পিউটার, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কৃষি প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, ডাটা সেন্টার কিংবা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আধুনিক কল কারখানা কিংবা মহাকাশের স্যাটেলাইট—প্রতিটি ক্ষেত্রেই সেমিকন্ডাক্টর অপরিহার্য। সবকিছুর কেন্দ্রেই রয়েছে একটি সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রো-চিপ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বাজার বর্তমানে দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং, ইলেকট্রিক ভেহিকল, স্মার্ট ডিভাইস, 5G এবং 6G যোগাযোগব্যবস্থা, ডাটা সেন্টার এবং অটোমেশন প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে চিপের চাহিদা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।সুতরাং, নিজেদের মেধা এবং উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বাংলাদেশের সামনেও সম্মানজনক অবস্থান তৈরির এখনই সময়।

২০৩০ সালের দিকে বিশ্বে গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর বাজার ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাবে সংশ্লিষ্টরা এমনটিই ধারণা করেছিলেন। তবে ২০২৬ সালের মধ্যেই সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে। সুতরাং, এই মার্কেটে প্রবেশ করার জন্য বাংলাদেশের সামনেও এক অপার সুযোগ এবং সম্ভাবনা বিদ্যমান।

তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প থেকে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশ সেটি পূরণ করতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের তিন হাজারেরও বেশি সেমিকন্ডাক্টর পেশাজীবী বর্তমানে আমেরিকা, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর এবং ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা তাদের যোগ্যতার প্রমাণ রেখে চলেছেন। ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, গবেষক, ম্যানেজার, উদ্যোক্তা হিসেবে অবদান রাখছেন।

প্রবাসে বিশ্বস্বীকৃত এইসব মেধাবীদের দিয়ে বাংলাদেশের সমৃদ্ধির পথে আরও গভীরভাবে যুক্ত করার ব্যাপারেও সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায় থেকেই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, ট্রেনিং, এমবেডেড সিস্টেম, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স এবং অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং- এইসব ক্ষেত্রে কাজ শুরু হয়েছে। দেশের কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছে।

সেমিকন্ডাক্টর খাতকে সরকার একটি জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে এই খাতের উন্নয়ন কোনো একক মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়। এটি একটি সম্মিলিত জাতীয় মিশন।

তিনি বলেন, লক্ষ্য পূরণে বর্তমান সরকার বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে এগিয়ে নিতে চলতি বাজেটে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের চাহিদা অনুযায়ী সব সুবিধা নিশ্চিত করেছে। সেমিকন্ডাক্টর শিল্প তৈরির সব কাঁচামালের ওপর সব ধরণের শুল্ক প্রত্যাহার করেছে।

সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের ওপর নগদ প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবন বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো বছরে ৫০০ কোটি টাকা স্টার্ট আপ অনুদান বরাদ্দ রেখেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি স্টার্ট আপ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে যারা সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত আপনারাও সম্প্রতি মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকায় রোডশো আয়োজন করে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছেন, এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের সামনে নিঃসন্দেহে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রয়েছে দক্ষতার ঘাটতি, ল্যাবের সীমাবদ্ধতা, বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা। আন্তর্জাতিক বাজারে কঠিন প্রতিযোগিতা আছে। তবে সব সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছাও কিন্তু আমাদের রয়েছে। তবে আমি কথা দিচ্ছি, আপনাদের সে অদম্য ইচ্ছেকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সাধ্য এবং সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে বর্তমান সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে।




সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি, বিশেষ অধিবেশন নয় : আইনমন্ত্রী

সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি, বিশেষ অধিবেশন নয় : আইনমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি হয়নি বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী জানান, আগের রাষ্ট্রপতি মামলা নিয়ে এখনই মন্তব্য নয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনে আহত ৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা যদি মিথ্যা হয়, তাহলে তা প্রত্যাহার করা হবে।’

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সীমান্তে এক্সট্রা কিলিং শূন্যের কোটায়। এছাড়া যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

মো. সাহাবুদ্দিনের প্রায় তিন বছরের দায়িত্বকাল ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময়। তার মেয়াদকালেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল শেষ হলে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই সময়ের মধ্যে তিনি তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।




পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
ছবি সংগৃহীত।


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। একটু আগে (বিকেল সাড়ে চারটা) স্পিকার বরাবর পদত্যাগ করেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। বঙ্গভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি লেখেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

ইতোপূর্বে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি (অঁঃড়হড়সরপ ঘবঁৎড়ঢ়ধঃযু) নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে; যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যেই কিছু সময় অচেতন হয়ে পড়েন।

তিনি আরও লেখেন, এসব রোগের প্রাদুর্ভাব ও শারীরিক-মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না এবং তার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে বিকেল ৫টার পর সংবাদ সম্মেলন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদের ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি ও অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।