শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে লামায় বিক্ষোভ
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন

শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে লামায় বিক্ষোভ

শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে লামায় বিক্ষোভ
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে বান্দরবানের লামা উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। — বেলাল আহমদ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যু এবং দেশব্যাপী নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে বান্দরবানের লামায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লামা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

উপজেলা মডেল মসজিদ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। লামা উপজেলা জামায়াতের আমির কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবু সাঈদ মো. সুজা উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী বা আধিপত্যবাদী কোনো শক্তির উত্থান ঘটলে ছাত্র-জনতা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বান্দরবান জেলা সভাপতি অধ্যাপক ফারুক আহমেদ, উপজেলা সভাপতি মো. আকবর হোসেন, সহ-সভাপতি মো. শামসুল হক ও প্রচার সম্পাদক মো. আজগর আলী। এ ছাড়া এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক মো. নাজমুল হাসান এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক উপজেলা সভাপতি মো. আদহাম আহমেদসহ জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশ নেন।
 




রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে

রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে
ছবি সংগৃহীত।

রাজনীতির আড়ালে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ও চুনতি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাতদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে জাহেদুল ইসলাম জহির ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে সরকারি জমি, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আশপাশের এলাকা, কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুটিবিলা এলাকার ইব্রাহিম ও মোহছেন (প্রকাশ মহাসিন ডাক্তার)-এর দখলীয় জমি, সরকারি পিএফ জমি, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রিজার্ভ এলাকা, নলুবিল, ডলুখাল, হরি খাল, আন্দারি খাল ও পুলং খালসহ অন্তত ১৫-২০টি পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দিন-রাত সমানতালে এসব পয়েন্ট থেকে বালু তুলে ডাম্পার ও ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে অভিযোগ রয়েছে, চুনতি ইউনিয়ন ছাত্রদলের পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জহির ও তার সহযোগীরা এসব বালু উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসব অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রন করছেন ছাত্রদল নামধারী জহির।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে কৃষিজমি, খালপাড় ও আশপাশের ভূমিতে ভাঙন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কোথাও কোথাও বসতবাড়িও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

এদিকে বালু পরিবহনে ব্যবহৃত ভারী ডাম্পার ও ড্রাম ট্রাকের কারণে স্থানীয় গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচলে বিভিন্ন সড়কে গর্ত সৃষ্টি ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলেও দুর্ভোগ বাড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না বলেও দাবি করেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা করার সুযোগ অভিযুক্ত জাহেদুল ইসলাম জহিরকে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা ২০০ টাকার মালিক, এমবি খরচ লাগলে বলেন, আমি দিবো। আমার বিরুদ্ধে নিউজ লিখেন, দেখি আমার কী করতে পারেন। বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমির আশপাশে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন। তারা অবিলম্বে সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হলে সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় সড়ক ও জনজীবনও সুরক্ষিত হবে।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যেকোনো দলের বা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
 




লক্ষ্মীছড়িতে দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াতের নতুন সেতুবন্ধন, সাঁকো বানাল সেনাবাহিনী

লক্ষ্মীছড়িতে দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াতের নতুন সেতুবন্ধন, সাঁকো বানাল সেনাবাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুল্যাতলী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ছয়টি পাড়ার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে খালের ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোনের দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্প।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার প্রায় ৩০০ মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন প্রয়োজনে ওই পথ দিয়ে চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের পানির ছড়া পার হয়ে যাতায়াত করতে হতো। বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে এ দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করত। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো।

বিশেষ করে দুল্যাতলী হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন বাঁশের সাঁকো নির্মাণের ফলে এখন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল অনেকটা সহজ হয়েছে।

দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে নির্মিত সাঁকোটি ছয়টি পাড়ার মানুষের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সেতুবন্ধন তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সাঁকোটি দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

দুল্যাতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ত্রিলন চাকমা বলেন, এটি একটি মহতী উদ্যোগ। পাহাড়ের মানুষ অনেক কষ্ট করে যাতায়াত করেন। সেনাবাহিনী বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করে দেওয়ায় স্থানীয় মানুষের অনেক উপকার হয়েছে।

দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার মেজর নাহিয়ান ইমতিয়াজ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে স্কুলপড়ুয়া ছেলে-মেয়েরা এবং প্রয়োজনের তাগিদে বাজার কিংবা অফিসের জরুরি কাজে যাতায়াতকারীরা এখন আর পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে না।




ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে গণসমাবেশ ও মানববন্ধন

ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে গণসমাবেশ ও মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

প্রস্তাবিত কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে সদরের ভারুয়াখালীকে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ব্যাপক গণসমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী ও ভারুয়াখালীর কৃতি সন্তান মোহাম্মদ নেজামুল হক।

তিনি বলেন, ভারুয়াখালীকে প্রস্তাবিত কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তি আমাদের ন্যায্য দাবি। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদেরকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অন্যায়ভাবে সিটি কর্পোরেশনের জুরিডিকশন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশন হচ্ছে জেনে আমরা আনন্দিত, উদ্বেলিত ছিলাম। কিন্তু ভারুয়াখালীকে বাদ দেওয়ার সংবাদে এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, রামু উপজেলার অনেক দুর্গম এলাকাকে সিটি কর্পোরেশনভুক্ত করা হলেও নানা সম্ভাবনাময়ী ভারুয়াখালী কেন আবহেলার শিকার? অথচ কক্সবাজার শহরসহ পুরো জেলার বিভিন্ন স্তরে এই এলাকাবাসীর অবদান রয়েছে।

এড. মোহাম্মদ নেজামুল হক বলেন, সিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মাননীয় এমপি লুৎফুর রহমান কাজল আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন। আমরা এখনো আশায় বুক বেঁধে আছি। আশা করি ভারুয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণে তিনি আন্তরিক ভূমিকা পালন করবেন।

মাওলানা মোঃ সায়েমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর নাজিমউদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল আলম, মাওলানা আব্দুল হাকিম সিদ্দিকী, এডভোকেট শওকত ওসমান, জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আবুল হোসাইন, দলিল লেখক মাহমুদুর রহমান, আলহাজ্ব মুস্তাফিজুর রহমান সিকদার, মো. ফজলুল হক মেম্বার, মাস্টার শেফা উদ্দিন, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, শ্রমিক নেতা সৈয়দ নূর, বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল, এডভোকেট রেবেকা সুলতানা, এডভোকেট আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক জহিরুল হক, ব্যাংকের মোহাম্মদ নূর, এনজিওকর্মী মোঃ আব্দুল্লাহ, এডভোকেট শাফায়েত, ইঞ্জিনিয়ার রমিজুর রহমান, হাফেজ আব্দুস শুকুর, শাহীন চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কক্সবাজার সদরের সমৃদ্ধ জনপদের মধ্যে অন্যতম এলাকা ভারুয়াখালী। লবণ, মৎস্যশিল্পসহ নয়নাভিরাম একটি গ্রামীণ জনপদ। প্রায় অর্ধ লক্ষ জনগণের বসতিপূর্ণ এই এলাকাকে সরকারের মহাপরিকল্পনার স্রোতে মেলাতে পারলে পাল্টে যাবে উন্নয়নের চিত্র।

সোমবার দুপুরের তীব্র রোদ উপেক্ষা করে ডিসি অফিস প্রাঙ্গণ মিছিল শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে। ভারুয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান সমৃদ্ধ ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে অংশগ্রহণ করে এলাকার স্বতঃস্ফূর্ত জনতা।

তারা জানায়, প্রাকৃতিক সম্পদের ভরপুর প্রাচীন গ্রামীণ জনপদ ভারুয়াখালী প্রস্তাবিত কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হলে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে সরকার।

ভারুয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্তরের দাবিটি এখন জনদাবিতে পরিণত হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই করে সরকারি সিদ্ধান্তেই সমৃদ্ধির সোপানে পৌঁছবে। স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ জনপদ প্রতিনিধিদের ভূমিকায় স্বপ্ন পূরণ হবে এলাকাবাসীর।