রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরাপত্তার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ক্যাম্প ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ ও সমধানের কৌশল নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

মানবিক থাকতে হবে, তবে নিরাপত্তার বিষয়ে উদাসীন হওয়া যাবে না। আমাদের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে হবে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর চারপাশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যেমন উপযুক্ত বেড়া (ফেন্সিং) ও নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে ক্যাম্পের ভেতরে চলাচল আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমানো এবং শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা জোরদার করা যাবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কোনো জনগোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশে নয়, বরং অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাসকারী একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার অংশ।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের মানুষ অসাধারণ সহনশীলতা দেখিয়েছে। তারা নিজেদের ভূমি ও সম্পদ ভাগ করে নিয়েছে। এর ফলে তাদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পরিবেশের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় জনসেবাগুলোর ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে।

তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা যেন কোনোভাবেই স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থের বিনিময়ে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগণের জন্যও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা প্রয়োজন, কিন্তু এর পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই রাজনৈতিক সমাধান এবং তাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।




সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লার ঘটনা মর্মান্তিক। সারাদেশবাসী এতে মর্মাহত। তার (নিহত অপ্রতীম) বয়স সম্ভবত ১৩ বছর। সে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা যে অপরাধী, সেটাও স্বীকার করেছে। এটার আইনানুগ কার্যক্রম চলমান।

তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো। তাদের বয়স নিহত কিশোরের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছর বেশি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আলামতও পাওয়া গেছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে দাফন করা হয়েছে।

পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে আমরা পুলিশের প্রশংসা করতে পারি যে তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরেনসিক অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম করে তার দাফন হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের মতো কুমিল্লার এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত শেষ হবে। বিচার বিভাগ মামলাটিকে রামিসা হত্যা মামলার মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে তাকালে অনেক ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। এ সমস্যা সমাধানে মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্কুলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে, যাতে তারা সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটিত হলে সেটার বিচার হচ্ছে কি না, এটাও দেখতে হবে। আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিটি জঘন্য অপরাধের দ্রুততম সময়ে উদঘাটন করতে পেরেছি। আর যেগুলো সময়সাপেক্ষ, সেগুলোর কার্যক্রম চলছে।




২৪ সেপ্টেম্বর জা‌তিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

২৪ সেপ্টেম্বর জা‌তিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়ো‌জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পররাষ্ট্রস‌চিব আসাদ আলম সিয়াম।

পররাষ্ট্রস‌চিব জানান, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। নিউইয়র্কে পৌঁছে তিনি ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করবেন। সকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য দেওয়া স্বাগত প্রাতঃরাশে যোগ দেবেন। এরপর তিনি এবারের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন।

আসাদ আলম সিয়াম জানান, ওই‌দিন সন্ধ্যায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন।

তি‌নি জানান, এরপর তিনি ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে এবং স্পেন কর্তৃক আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক একটি সভায় বক্তব্য রাখবেন। বিকেলে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাই‌মেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্যা জাস্ট ট্রান্স‌টিশন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের সভায় যোগ দেবেন।

পররাষ্ট্রস‌চিব জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি এবারের অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন। এসব সভায় তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, লস্ট অ্যান্ড ড্যামেজ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন।  

তি‌নি জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তার বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।  

তি‌নি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আয়োজনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন। ২৩ সেপ্টেম্বরে তিনি রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক সাইড ইভেন্টে রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন।

পররাষ্ট্রস‌চিব জানান, ২৪ সেপ্টেম্বরে তিনি মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক আরেকটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। এ সময় তিনি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন সরকারের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন এবং স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করবেন।  

আসাদ আলম সিয়াম ব‌লেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একই অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। তাই এটি আমাদের জন্য একদিকে যেমন বিরল ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত, অন্যদিকে তেমনি বিশেষ মর্যাদা ও গৌরবের বিষয়।  

তি‌নি ব‌লেন, সামগ্রিকভাবে এই সফর বাংলাদেশের নতুন সরকারের নতুন যাত্রাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে একটি গণতান্ত্রিক, আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল, শান্তিপ্রিয় ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের বার্তা দিতে চাই।

নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন।




সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি
ছবি সংগৃহীত।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। নতুন প্রজ্ঞাপনটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন কাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোয় নির্ধারিত বাড়তি মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হবে।

নতুন বেতন কাঠামো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতনও পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর অন্যান্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।

নতুন বেতন কাঠামোয় ১ম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বাড়ানো হবে।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আজ (শনিবার) প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিই নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করে।