মেরিন খাতকে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

মেরিন খাতকে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

মেরিন খাতকে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সম্ভাবনাময় মেরিন খাতকে সরকার কোনোভাবেই বিনা পদক্ষেপে, বিনা যতে, বিনা চেষ্টায় ব্যর্থ হতে দিতে চায় না। সরকার মেরিন খাতের সমস্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায়। দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপদ নেভিগেশন, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু সমুদ্রগামী নাবিক তৈরির মধ্যে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। শিপ ম্যানেজমেন্ট, বন্দর পরিচালনা, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত, জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, মেরিন ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন শোর-বেইজড মেরিটাইম সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। তাই এই খাতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সরকারকে জানালে সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিতে বিশ্ব মেরিটাইম দিবস ও একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এবিএম শামীম বলেন, 'নীতি থেকে বাস্তবায়ন এবং সম্ভাবনা থেকে উৎকর্ষের পথে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে টেকসই অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।'

জানা যায়, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি গত ৬৪ বছর ধরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে আসছে। একাডেমির প্রশিক্ষিত পাঁচ হাজারের বেশি মেরিনার বর্তমানে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ও বিশ্বের বিভিন্ন মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ও ঊর্ধ্বতন পদে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক আয় ও রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। একই সঙ্গে নারী ক্যাডেটদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ১২৫ জনের বেশি নারী মেরিনার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

বৃহস্পতিবার দিবসটি উপলক্ষে গার্ড অব অনার প্রদান, প্যারেড পরিদর্শন, র‌্যালি, বেলুন ওড়ানো, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।




বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার সহায়তা দিল সরকার

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার সহায়তা দিল সরকার
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারের ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে এসব চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপিকে হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর কোনো প্রয়োজন নেই এবং জনগণের পাশে থেকেই কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও-বিষয়ক প্রধান ও বাঁশখালীর কৃতি সন্তান ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে মোট প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, সরকারের উদ্যোগে বাঁশখালীর সড়ক, কালভার্ট ও বেড়িবাঁদের উন্নয়নকাজ দ্রুত শুরু হবে। একই সঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির চট্টগ্রাম সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত পুনর্বাসনের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন পটিয়া-আনোয়ারার হাজারো মানুষ, সেতু নির্মানের দাবি

ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন পটিয়া-আনোয়ারার হাজারো মানুষ, সেতু নির্মানের দাবি
ছবি সংগৃহীত।

দুই প্রান্তের সংযোগ সড়ক ভাঙা, কোথাও সড়কের অস্তিত্ব নেই। নিচে খরস্রোতা চানখালী খাল। সেতুতে ওঠার পথটুকুও অনেক জায়গায় ভেঙে গেছে। কোথাও বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে নড়বড়ে সেতুতে উঠতে হচ্ছে। এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন টাঙ্গারপুল সেতু পার হচ্ছেন পটিয়া ও আনোয়ারা উপজেলার হাজারো মানুষ।

স্থানীয়দের কাছে শতবর্ষের পুরোনো এই সেতুটি এখন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কুলশিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন সেতুটি ব্যবহার করেন। তবে জরাজীর্ণ সেতু ও ভাঙা সংযোগ সড়কের কারণে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। স্থানীয়দের দাবি, পুরোনো সেতুর পরিবর্তে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ করা হোক।

সরেজমিনে দেখা যায়, চানখালী খালের এক পাশে পটিয়ার আশিয়া ইউনিয়ন, অন্য পাশে আনোয়ারার পরৈকোড়া ইউনিয়ন। 
দুই উপজেলার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম টাঙ্গারপুল সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়কের বড় অংশ খালে বিলীন হয়েছে। কোথাও বাঁশের সাঁকো তৈরি করে মানুষ পারাপার করছেন। সেতুর বিভিন্ন অংশও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে খালে পানি ও স্রোত বেড়ে গেলে পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এরপরও বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই মানুষ সেতুটি ব্যবহার করছেন। কৃষিপণ্য ও মালামাল পরিবহনে দুর্ভোগের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে।

পটিয়ার আশিয়া ইউনিয়নের বাথুয়া এবং আনোয়ারার পরৈকোড়া ইউনিয়নের মাহাতা, দীঘিরপাড়সহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল। দুই প্রান্তে রয়েছে বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও বাজার।

আশিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেন রনী বলেন, টাঙ্গারপুল সেতু উন্নত হলে পটিয়া ও আনোয়ারার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। 

বর্তমানে কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নতুন সেতু নির্মাণ হলে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ কমবে।

পটিয়া উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ বলেন, টাঙ্গারপুল সেতুটিকে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নেওয়ার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এলজিইডির ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেতুটিকে প্রস্তাবিত ৯৯ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু হিসেবে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।  প্রকল্প প্রস্তাবটি এলজিইডির সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।  অনুমোদন প্রক্রিয়া এগিয়ে গেলে বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও জানান, প্রস্তাব পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ দল সেতুর স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে।  সেতুর অবস্থান, সংযোগ সড়ক ও সম্ভাব্য নির্মাণকাজের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের জুনে এলজিইডির ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি অ্যান্ড প্রিপারেশন অব সাসটেইনেবল অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় একটি বিশেষজ্ঞ দল টাঙ্গারপুল এলাকা পরিদর্শন করে। তারা সেতুর সামাজিক ও পরিবেশগত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের মতামত সংগ্রহ করে নতুন সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সেতু ও সংযোগ সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। তাই এলজিইডির প্রস্তাবিত ৯৯ মিটার নতুন সেতুর প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন পটিয়া-আনোয়ারার এলাকাবাসী।




বাঁশখালীতে ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাটির আঘাতে প্রতিবেশী নিহত

বাঁশখালীতে ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাটির আঘাতে প্রতিবেশী নিহত
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাটির আঘাতে মোহাম্মদ রাশেদ (৩৫) নামে এক প্রতিবেশী নিহত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংঘটিত এই ঘটনায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাশেদ মারা যাওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্ত জমিলা আক্তার (৩০) কে গ্রেফতার করেছে। বাঁশখালী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ধূইল্যাঝিরি এলাকা এই ঘটনা ঘটে। নিহত রাশেদ ওই এলাকার মৃত নুরুল আলমের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডস্থ ধূইল্যাঝিরি এলাকায় জমিলা আক্তারের সঙ্গে তার শাশুড়ি হোসনে আরা বেগমের (৬০) পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন নারী-পুরুষ ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝগড়া থামাতে আসা প্রতিবেশী রাশেদকে বড় একটি গাছ দিয়ে আঘাত করেন জমিলা আক্তার। এতে রাশেদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে রাশেদের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় ফরিদা বেগম (৩০), রুফিয়া বেগমসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিহত রাশেদের স্ত্রী জিয়াসমিন আক্তার তার স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত জমিলা আক্তারের দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, জমিলা আক্তার দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ বছর ধরে তার স্বামী মো. আব্দুল্লাহ প্রবাসে থাকার সুযোগে শাশুড়ি হোসনে আরা বেগমকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করে আসছিলেন। পারিবারিক বিরোধ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিচার-সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও বিরোধ পুরোপুরি থামেনি বলে জানিয়েছেন তারা।

হোসনে আরা বেগম জানান, মঙ্গলবার সকালে তার নাতনিকে দুষ্টুমি করার কারণে তিনি একটি বেতের বাড়ি দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমিলা আক্তার তার ওপর চড়াও হন এবং তাকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে বলে তিনি জানান।

এদিকে জমিলা আক্তারের স্বামী মো. আব্দুল্লাহ বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

বাঁশখালী থানার এসআই সুমন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত জমিলা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।