বড়বাজারের বিরাজমান সমস্যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের আলোচনা সভা, শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর সিদ্ধান্ত
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন

বড়বাজারের বিরাজমান সমস্যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের আলোচনা সভা, শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর সিদ্ধান্ত

বড়বাজারের বিরাজমান সমস্যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের আলোচনা সভা, শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর সিদ্ধান্ত
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার শহরের বড় বাজারের বিরাজমান নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে নেওয়া হয়েছে নানা কঠোর সিদ্ধান্ত।

২৫ অক্টোবর রাতে অনুষ্ঠিত সভায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা তাদের অধিকার রক্ষায় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করে বক্তব্য রাখেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় পৌর কর্তৃপক্ষের কিছু অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভের কথাও জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

বড় বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী একতা সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাশেম সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুকুল, কক্সবাজার দোকান মালিক ফোরামের সভাপতি আবু জাফর ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল গফুর, ফেডারেশনের আজীবন সদস্য সাংবাদিক ইমাম খাইর।

তারা বলেন, বাজারের সকল স্তরের ব্যবসায়ীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অন্যায় কোন দাবি মেনে নেওয়া হবে না। ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থহানি হয় এমন কোন সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বড়বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী একতা সমিতির সহ সভাপতি এহেছান উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, সংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রহিম উল্লাহ, সদস্য নুরুল ইসলাম, মাংস ব্যবসায়ী রাজু, নুরুল আলম, পান ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন, নুরুল আলম, ছাগল ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম, মুরগি ব্যবসায়ী নাসির, সুপারি ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, ইব্রাহিম, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, শফিউল আলম।

তারা বলেন, পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন বড় বাজারে যুগযুগ ধরে পৈত্রিকভাবে অনেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছেন। বিশেষ করে পান সুপারি, তরি তরকারি, মাছ মাংস, মুরগি, গরু-ছাগল, শুটকি, শাক বিক্রেতাসহ অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবন চলার একমাত্র মাধ্যম এই বাজার। পৌরসভার নিয়ম মেনে তারা দাদার আমল থেকে এখানে ব্যবসা করে সংসার চালাচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, ২০২৩ সালে বহুতল ভবন করার পরিকল্পনার কথা বলে ব্যবসায়ীদের দোকানপাট সরিয়ে নিতে বলেন তৎকালীন পৌর মেয়র। সেই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, মার্কেট নির্মিত হলে যার দোকান তাকে প্রাপ্য মতে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মার্কেট নির্মাণ শেষ হওয়ার পর দোকান বরাদ্দ পেতে প্রতি বর্গফুটে অস্বাভাবিক টাকা দাবি করা হচ্ছে। যা সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষে বহন করা মোটেও সম্ভব নয়।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষই এই মার্কেট নির্মাণ করছে প্রচার পায়। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হলে তারা জানতে পারে, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এই মার্কেট করা হয়েছে। যার কোন রেকর্ডপত্র পৌরসভায় সংরক্ষিত নাই বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে। ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, পৌরসভার জায়গায় নির্মিত মার্কেটে দোকান বরাদ্দ পেতে তৃতীয় পক্ষকে কেন টাকা দিতে হবে? ইতোপূর্বে পৌরসভার অন্যান্য দোকানগুলো যেমন মাছের শেড, তরকারির শেড পৌরসভার অর্থায়নে নির্মাণ করে ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, একই নিয়মে এই মার্কেটে দোকান পাওয়ার দাবি প্রকৃত ব্যবসায়ীদের।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারের নানা সমস্যা নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের সঙ্গে তারা সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। বর্তমান চিত্র স্পষ্ট করেছেন। দাবির কথাও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এরপরে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল পৌরসভার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বাজার পরিদর্শন করেছেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য শুনেছেন। তিনি বিরাজমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

নিয়ম বহির্ভূত হাটবাজারের কারণে বাড়ছে যানজট। নষ্ট হচ্ছে সৌন্দর্য। পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও পর্যটনবান্ধব বাজার গড়ে তোলতে হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করেও যাদেরকে বঞ্চিত করার পাঁয়তারা চলছে তাদের জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বড় বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী একতা সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা।




কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। 
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মন্ত্রী কেন্দ্রের পৌঁছলে উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার এর নেতৃত্বে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে কেন্দ্রের নিবাসী শিশুরা। এরপরই তিনি শিশুদের তৈরিকৃত আলোর পথযাত্রী শিরোনামে দেয়ালিকার চর্তুবিংশ সংখ্যা উন্মোচন করেন। অতঃপর সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার স্লাইড প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কেন্দ্রের সার্বিক সেবা কার্যক্রম এর প্রবাহ চিত্র উপস্থাপন করেন। কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার এর উপস্থাপনায় ও নিবাসী শিশু নিজাম উদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যেদিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ। আয়োজনে নিবাসী শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উশু ডেমো প্রদর্শনী উপভোগ করে ভূয়সী প্রসংশা করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিশুরা মন্ত্রীর হাতে তাদের তৈরিকৃত পুঁতির তৈরি তাজমহল শোপিস উপহার দেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে দেওয়া হয় বিশেষ সন্মাননা ক্রেস্ট। এছাড়া ও মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ,আবাসন ব্যবস্থা অফিস ব্যবস্থাপনাসহ নানাবিধ সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং কেন্দ্রের ছাদবাগানের জন্য আমলকির চারা রোপণ করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর এই পরিদর্শন কেন্দ্রের সেবা কার্যক্রমকে অধিক সমৃদ্ধ ও বেগবান করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি-মর্মে মন্তব্য করেন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার।

এ সময় চট্রগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইফুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আবুল কালাম চৌধুরী, প্রিন্টেড ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক পরিচালিত কক্সবাজার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, বিপন্ন,পথ শিশুদের সমাজের মূলস্রোত ধারায় ফিরিয়ে আনার প্রয়াসে নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য, বস্ত্র ,মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা, জীবন দক্ষতা উন্নয়ন, মনোসামাজিক সহায়তা, কারিগরি প্রশিক্ষন চিত্ত বিনোদন, চাকুরীতে নিযুক্তকরণ, পুনর্বাসন/পুনএকত্রীকরণ ইত্যাদি নানাবিধ সেবা প্রদানের মাধ্যমে সমন্বিত সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।




ফের কক্সবাজারের হোটেলে আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক

ফের কক্সবাজারের হোটেলে আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিন্সেস’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পরপরই তারা সবাই নিরাপদে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পার্কিং এলাকার জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন  জানান, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুতই নিকটবর্তী ফায়ারসার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট সেখানে উপস্থিত হয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ধারণা করা হচ্ছে জেনারেটরের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে, তবে কেউ হতাহত হননি।

দ্য সি প্রিন্সেস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, আমাদের যথেষ্ট অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মীদের দক্ষতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, পর্যটকেরা নিরাপদে আছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ অক্টোবর (শনিবার) উখিয়ার ইনানী এলাকায় ‘টুপটুপ’ নামের একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়।




অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম সভাপতি ও মাওলানা শফিউল হক জিহাদী সেক্রেটারি: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠন

অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম সভাপতি ও মাওলানা শফিউল হক জিহাদী সেক্রেটারি: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠন
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম সভাপতি এবং ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শফিউল হক জিহাদীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

গত ২১ অক্টোবর কক্সবাজার পাবলিক হলে সম্মেলনে এই কমিটি ঘোষণা করেন শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মাদানী।

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতি একটি অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি ড. আবদুছ ছুবুর মাতুব্বর এবং কক্সবাজার জেলার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যাপক ফরিদুল আলম ও আলির জাহাল ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা রফিক বিন ছিদ্দিকীর যৌথ সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মাদানী আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলিয়া মাদ্রাসার ইতিহাস ও অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে বক্তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অতিথিবৃন্দ বলেন, দেশের শিক্ষা ও সমাজ গঠনে আলিয়া মাদ্রাসার দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। এ শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থ উপেক্ষা করা হলে শিক্ষকসমাজ তা মেনে নেবে না। মাদ্রাসা শিক্ষার অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সম্মেলনে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়।

নবগঠিত জেলা কমিটির নেতারা মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন, শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের কর্মকাণ্ড শক্তিশালী এবং সুসংহত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত ছালাম ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শফিউল হক জিহাদী।