বোয়ালখালীতে ওয়ালটনের ‘সিজন-২৬ হাউসফুল অফার’-এর পুরস্কার বিতরণ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

বোয়ালখালীতে ওয়ালটনের ‘সিজন-২৬ হাউসফুল অফার’-এর পুরস্কার বিতরণ

বোয়ালখালীতে ওয়ালটনের ‘সিজন-২৬ হাউসফুল অফার’-এর পুরস্কার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের অন্যতম ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ‘সিজন-২৬ হাউসফুল অফার’-এর আওতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালী ইলেকট্রনিক্স বাজারে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ সেলস অফিসার ফিরোজ আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক আমান রেজা, মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবং বোয়ালখালী ইলেকট্রনিক্স বাজারের স্বত্বাধিকারী এস এম জামাল উদ্দিন। এ ছাড়া ওয়ালটনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমবেত ক্রেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বোয়ালখালী ইলেকট্রনিক্স বাজার থেকে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ‘হাউসফুল অফার’-এর সৌভাগ্যবান বিজয়ী হয়েছেন চরণদ্বীপের আসমা সুলতানা রিমা। তিনি অফারের আওতায় ঘরভর্তি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্য উপহার হিসেবে পেয়েছেন। বিজয়ী আসমা সুলতানা রিমার পক্ষে তাঁর মেয়ে নাহিয়ান হাসান বিন্দু পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া ফ্রিজ কিনে অফারের আওতায় পুরস্কার লাভ করেন রূপক দাস।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা ওয়ালটনের এ ধরনের আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং ক্রেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাতে ওয়ালটন নিয়মিত এমন আকর্ষণীয় অফার ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে আসছে।

জমকালো এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হলে উপস্থিত ক্রেতা ও অতিথিদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়।




বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা অনুদান জাইকার, হবে নতুন ল্যান্ডফিল

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা অনুদান জাইকার, হবে নতুন ল্যান্ডফিল
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিতে যাচ্ছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। এ অর্থে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য ৫০টির বেশি আধুনিক যানবাহন এবং ল্যান্ডফিল পরিচালনার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নগরে আধুনিক স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণেও সহযোগিতা করবে সংস্থাটি।

বুধবার (৪ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নগর ভবনে প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে জাইকা প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত অনুদান প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অনুমোদন দিয়েছে জাপান সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বর মাসে জাইকার সদর দপ্তর থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল চট্টগ্রামে আসবে। তাদের সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে ফতেয়াবাদ নন্দীরহাট এলাকায় ল্যান্ডফিল নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে ২৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্লটে ১৮ একর এবং পাশের অন্য একটি প্লটে ১০ একর জমি রয়েছে।

জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র রিপ্রেজেন্টেটিভ হিদেকি ওসাওয়া জানান, নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) দ্রুত প্রস্তুতের জন্য নকশা ও প্রাক্কলন (বিওকিউ) তৈরিতে জাইকার কারিগরি সহায়তা দলের বিশেষজ্ঞরা চসিকের সঙ্গে কাজ করছেন।

বৈঠকে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন জাইকার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে চসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান ল্যান্ডফিলগুলোর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নেও জাইকার কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, জাইকা বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আব্দুল্লাহ বিন হোসেন এবং জাইকার বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য তাকাতোশি আরাই, হিরোফুমি মিয়োশি, সাতোশি হিগাশিনাকাগাওয়া ও প্রকৌশলী গোলাম সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তাবিত অনুদান ও কারিগরি সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে নগরের বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করছে চসিক। এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় নতুন অগ্রগতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।




১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালুর কথা, নির্ধারিত সময়েই চালু হবে

১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালুর কথা, নির্ধারিত সময়েই চালু হবে
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়েই কারখানাটি চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় শিল্পাঞ্চলটির দেশি-বিদেশি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

বিজন কান্তি সরকার বলেন, মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট সবাই উপস্থিত ছিলেন। তারা আমাদের জানিয়েছেন, খুব দ্রুত চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের কার্যক্রম শুরু করবেন। এ ছাড়া পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গেও আমাদের কথা হয়েছে।

প্রথম কারখানা চালুর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ১৮ মাসের মধ্যে যে প্রথম কারখানা চালু হওয়ার কথা ছিল, সেটি নিয়েও কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়েই প্রথম কারখানা চালু হবে।

এর আগে আজ বেলা ১১টার দিকে আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) পরিদর্শন করেন বিজন কান্তি সরকার। গত রাতে তিনি কেইপিজেডে অবস্থান করেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন পরিদর্শনে যান। পরিদর্শন ও মতবিনিময় শেষে তিনি চট্টগ্রাম ইপিজেডের উদ্দেশে রওনা দেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নুর জাহান খানমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




৩৬ দিন পর চুয়েটে ক্লাস শুরু, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

৩৬ দিন পর চুয়েটে ক্লাস শুরু, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
ছবি সংগৃহীত।

দীর্ঘ ৩৬ দিন স্থবির থাকার পর অবশেষে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ক্লাস শুরু হয়। পরে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে ক্লাস কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, ১২টি বিভাগের মধ্যে একটি ছাড়া অন্য কোনও বিভাগের ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।

নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ তালবী বলেন, আজ স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়েই আমাদের ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। রুটিন অনুযায়ী ল্যাব হওয়ার কথা ছিল। তবে আজকের ল্যাবটি আমরা বিভাগের সঙ্গে কথা বলে স্থগিত করিয়েছি।

ওই বিভাগের প্রধান ফৌজিয়া গুলশানা রশিদ লোপা বলেন, আমাদের সকাল ৯টায় ক্লাস হয়েছে। ২১, ২২ ও ২৩ ব্যাচের ক্লাস হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম ছিল। সব ব্যাচেরই ক্লাস হয়েছে। ২১ ও ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেশি ছিল। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হয়তো আগামীকাল আসতে পারে।

তবে শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও উপাচার্যকে ঘিরে সৃষ্ট সংকটের সমাধান হয়নি। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, একাডেমিক কার্যক্রম চলবে, পাশাপাশি চলবে আন্দোলনও।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে ইউজিসির গঠিত ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। দুপুরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে প্রতিনিধি দলটির।

এর আগে, গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর থেকেই প্রতিবাদে নামেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা। পরদিন শুরু হয় কমপ্লিট শাটডাউন। নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচির একপর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা।