বান্দরবানের লামায় পে ফিক্সেশন ও সার্ভিস বুক হালনাগাদে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

বান্দরবানের লামায় পে ফিক্সেশন ও সার্ভিস বুক হালনাগাদে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ

বান্দরবানের লামায় পে ফিক্সেশন ও সার্ভিস বুক হালনাগাদে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় বান্দরবানের লামা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে পে ফিক্সেশন ও সার্ভিস বুক হালনাগাদের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাসসহ শিক্ষা অফিসের কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন একাধিক সহকারী শিক্ষক।

অভিযোগ অনুযায়ী, লামা উপজেলার ৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ জন সহকারী শিক্ষকের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪০০ টাকা করে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। জনপ্রতি ৪০০ টাকা হিসাবে ৫০০ শিক্ষকের কাছ থেকে মোট ২ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কয়েকটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রথমে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিতে বলা হয়। পরে কেউ ৫০০ টাকা দিতে রাজি না হলে জনপ্রতি ৪০০ টাকা করে জমা দেওয়ার কথা জানানো হয় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

শিক্ষকদের অভিযোগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস, হিসাব সহকারী রতন বড়ুয়া, উচ্চমান সহকারী জাহেদুল ইসলাম, হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কামরুল হাসান এবং অফিস সহকারী হারাধন এই টাকা আদায়ের সঙ্গে জড়িত।

এ ছাড়া কয়েকজন শিক্ষক জানিয়েছেন, পে ফিক্সেশনের ফরম পূরণ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় কেউ বিকাশের মাধ্যমে, আবার কেউ সরাসরি টাকা দিয়েছেন। তবে এসব অর্থের প্রকৃত প্রাপক, আদায়ের উদ্দেশ্য এবং কোনো সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী টাকা নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কামরুল হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে কামরুল হাসান নন বলে পরিচয় দিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে কলটি কেটে দেন।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পে ফিক্সেশন ও সার্ভিস বুক হালনাগাদের জন্য এ ধরনের অর্থ আদায়ের কোনো বিধান রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকেরা।




পাহাড়ে ৭৮০ পরিবারের হাতে ২ লাখের বেশি ফলদ ও বনজ চারা বিতরণ

পাহাড়ে ৭৮০ পরিবারের হাতে ২ লাখের বেশি ফলদ ও বনজ চারা বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

পাহাড়ে কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের ফলদ ও বনজ গাছের চারা। কারও হাতে নারিকেল, কারও হাতে আম কিংবা লিচুর চারা। বিনামূল্যে পাওয়া এসব চারা ঘিরে কৃষকদের চোখেমুখে স্বস্তি ও আশার ঝিলিক। পাহাড়ের মাটি ও জলবায়ুকে কাজে লাগিয়ে ফলদ ও বনজ বাগান গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং বাড়তি আয়ের স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেলার সাতটি উপজেলার ৭৮০টি পরিবারের মধ্যে দুই লাখের বেশি ফলদ ও বনজ চারা-কলম বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ করা চারার মধ্যে রয়েছে নারিকেল, সুপারি, আম (আম্রপালি), লিচু, মিষ্টি তেঁতুল, টক তেঁতুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ চারা। শুধু চারা নয়, সেগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও উৎপাদন নিশ্চিত করতে উপকারভোগীদের মধ্যে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জৈব সার, কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকও বিতরণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের ঘোষণা বাস্তবায়নে কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনকে (বিএডিসি) উন্নত জাতের চারা ও কলম উৎপাদনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের ৮৩টি হর্টিকালচার সেন্টারকে উন্নত মান ও জাতের চারা-কলম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থবছরের শুরুতেই বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রয়োজনীয় চারা ও কলমের চাহিদা জানায়। সে অনুযায়ী বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারসহ দেশের বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টার এবং বিএডিসি সরকারি মূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও বনজ চারা সরবরাহ করে। পরে জেলা পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের মধ্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়।

বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ জানান, এ বছর বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও বনজ চারার পাশাপাশি কৃষকদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উন্নত জাতের ৩ হাজার ৫০০টি নারিকেল চারাও বিতরণ করা হয়েছে।

বিনামূল্যে উন্নত জাতের চারা পেয়ে রুমা উপজেলার কৃষক লালথালানপিয়াং বম বলেন, “হর্টিকালচার সেন্টার থেকে পাওয়া উন্নত জাতের এসব চারা দ্রুত ফল দেবে বলে আশা করছি। বাড়ির চারপাশে চারা রোপণ করেছি। এসব গাছ থেকে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ফল বিক্রি করে বাড়তি আয়ও করা সম্ভব হবে।”

বান্দরবান সদর উপজেলার কৃষক দিল চন্দ্র তংচংগ্যা বলেন, “একসঙ্গে ফলদ ও বনজ গাছের চারা পাওয়া আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। এসব চারা রোপণের মাধ্যমে পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী সঞ্চয় গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।”

থানচি উপজেলার কৃষক মেনপয় ম্রো বলেন, “সরকারের এই উদ্যোগে চারা পেয়ে আমরা যেমন বাড়তি আয়ের পথ খুঁজে পাচ্ছি, তেমনি পাহাড়ের সবুজ প্রকৃতি রক্ষারও সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বলেন, “সারা দেশের মতো সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ি অঞ্চলেও গরমের তীব্রতা ও তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রভাব। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে বান্দরবান জেলায় ব্যাপকভাবে ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এসব চারার যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে একদিকে পাহাড়ে সবুজ বনায়ন সম্প্রসারিত হবে, অন্যদিকে ফল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।”

পরিবেশবিদ ও কৃষিসংশ্লিষ্টদের মতে, পাহাড়ে পরিকল্পিতভাবে ফলদ ও বনজ বনায়ন সম্প্রসারণ করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। তবে শুধু চারা বিতরণ নয়, রোপণ-পরবর্তী পরিচর্যা, টিকে থাকার হার এবং ফলন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করাই হবে এ কর্মসূচির প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি।




বান্দরবান সদর সেনা জোনের উদ্যোগে বেতছড়া বাজার যুবসংঘকে ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান

বান্দরবান সদর সেনা জোনের উদ্যোগে বেতছড়া বাজার যুবসংঘকে ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান
ছবি সংগৃহীত।

পার্বত্য অঞ্চলের যুবসমাজকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করা এবং পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বান্দরবানের বেতছড়া বাজার যুবসংঘের মাঝে ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর সেনা জোন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বান্দরবান সদর সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সায়েম আহমেদ, পিএসসি-এর পক্ষ থেকে বেতছড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন বেতছড়া বাজার এলাকার যুবকদের হাতে একটি ফুটবল ও এক সেট জার্সি তুলে দেওয়া হয়।

জোন কমান্ডারের পক্ষে বেতছড়া ক্যাম্প কমান্ডার স্থানীয় যুবকদের হাতে এসব ক্রীড়াসামগ্রী তুলে দেন। আসন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টে যুবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত খেলাধুলায় উৎসাহিত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

ক্রীড়াসামগ্রী পেয়ে বেতছড়া বাজার যুবসংঘের সদস্যরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবান সদর সেনা জোন স্থানীয় যুবসমাজের ইতিবাচক বিকাশ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।




থানচির বলিপাড়ার গর্বিত সন্তান সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরার যাজক অভিষেক ৬ নভেম্বর

থানচির বলিপাড়ার গর্বিত সন্তান সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরার যাজক অভিষেক ৬ নভেম্বর
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিপাড়ার গর্বিত সন্তান সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরা আগামী ৬ নভেম্বর যাজক হিসেবে অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন। তাঁর এই যাজক অভিষেককে ঘিরে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

আয়োজক কমিটির সহসভাপতি ও ক্যচু পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাফায়েল মনিরাম ত্রিপুরা বলেন, “একজন ধর্মীয় সেবক হিসেবে সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরার এই নতুন পথচলা শুধু তাঁর পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের অর্জন নয়, বরং বলিপাড়াসহ পুরো থানচি এলাকা ও সকল ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়। তাঁর যাজক হওয়ার মধ্য দিয়ে এলাকার তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ধর্মীয় জীবন, মানবসেবা, নৈতিকতা ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে।”

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাজক অভিষেক অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন ও সাফল্যমণ্ডিত করতে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অতিথিদের অভ্যর্থনা, অনুষ্ঠানস্থল সাজসজ্জা, শৃঙ্খলা রক্ষা, ছবি ও ভিডিও ধারণসহ বিভিন্ন দায়িত্ব ভাগ করে নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে এই অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। এতে বিভিন্ন এলাকার ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় জনসাধারণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হবে।

সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরার যাজক অভিষেককে ঘিরে বলিপাড়ার মানুষের মধ্যে যে আনন্দ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা স্থানীয় ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, আগামী ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় এই যাজক অভিষেকের মধ্য দিয়ে সাধুমনি ফ্রান্সিস ত্রিপুরা ধর্মীয় সেবার এক নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ করবেন। তাঁর আগামী দিনের পথচলা মানবকল্যাণ, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের সেবায় নিবেদিত হোক—এমনই প্রত্যাশা সবার।