বন পাহারায় মানবেতর জীবন: ভূজপুর নারায়ণহাট রেঞ্জে জনবল, আবাসন ও যানবাহন সংকট
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

বন পাহারায় মানবেতর জীবন: ভূজপুর নারায়ণহাট রেঞ্জে জনবল, আবাসন ও যানবাহন সংকট

বন পাহারায় মানবেতর জীবন: ভূজপুর নারায়ণহাট রেঞ্জে জনবল, আবাসন ও যানবাহন সংকট
ছবি সংগৃহীত।

দেশের বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সরকারি রাজস্ব আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বন বিভাগ। কিন্তু মাঠপর্যায়ে বন রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই আজ নানা সংকটে জর্জরিত। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন নারায়ণহাট রেঞ্জের বিভিন্ন বিটে সরেজমিন পরিদর্শনে জনবল, আবাসন, স্যানিটেশন ও যানবাহন সংকটের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অধীনে এসিএফ এবং নারায়ণহাটে কর্মরত সহকারী বন সংরক্ষকের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় নারায়ণহাট, হাজারীখিল ও হাসনাবাদ রেঞ্জের মাধ্যমে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ব্যবস্থাপনা করা হয়।

নারায়ণহাট রেঞ্জের অধীনে রয়েছে নারায়ণহাট বিট, বালুখালী বিট, দাঁতমারা বিট, ধুরুং বিট এবং ফটিকছড়ি এসএফপিসি। হাজারীখিল রেঞ্জের অধীনে রয়েছে হাজারীখিল বিট, বারমাসিয়া বিট ও ফটিকছড়ি বিট। হাসনাবাদ রেঞ্জের অধীনে রয়েছে হাসনাবাদ বিট ও তারাকো বিট। এসব বিটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশাল বনাঞ্চল, সামাজিক বনায়ন এলাকা এবং সংরক্ষিত বনভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উল্লিখিত প্রায় সব বিটেই তীব্র জনবলসংকট রয়েছে। অনেক বিটে অনুমোদিত পদের তুলনায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা অত্যন্ত কম। কোথাও একজন কর্মকর্তা বা কয়েকজন বনপ্রহরীকে বিশাল এলাকা তদারক করতে হচ্ছে। ফলে নিয়মিত টহল, অবৈধ গাছ কাটা প্রতিরোধ, বনভূমি দখল রোধ, সামাজিক বনায়ন তদারকি এবং বন মামলা পরিচালনা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জনবলসংকটের পাশাপাশি আবাসনসংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে। যেসব বিটে কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন, সেসব স্থানে পর্যাপ্ত আবাসিক ভবন নেই। অনেক স্থানে জরাজীর্ণ ভবনে বসবাস করতে হচ্ছে। কোথাও আবার আবাসনের অভাবে অফিস কক্ষেই রাতযাপন করতে হয়। বেশ কয়েকটি বিটে মেঝেতে গাদাগাদি করে ঘুমানোর বাস্তবতাও দেখা গেছে। এতে একদিকে যেমন মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে, অন্যদিকে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অনেক বিটে ন্যূনতম স্যানিটেশন ব্যবস্থাও নেই। স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট কিংবা নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে কোনো কোনো স্থানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জঙ্গলের ঝোপঝাড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অন্যতম বড় অভিযোগ হলো যানবাহনসংকট। বিস্তীর্ণ পাহাড়ি বনাঞ্চল ও দুর্গম এলাকা তদারকের জন্য প্রয়োজনীয় মোটরসাইকেল, জিপ কিংবা টহলযানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে বনাঞ্চলের কোথাও অবৈধভাবে গাছ কাটার খবর পাওয়া গেলেও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। অনেক সময় বন কর্মকর্তারা পৌঁছানোর আগেই কাঠ পাচারকারীরা গাছ কেটে ট্রাক বা অন্যান্য যানবাহনে তুলে পালিয়ে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিট কর্মকর্তা বলেন, বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা রাষ্ট্রের অমূল্য সম্পদ রক্ষায় দিনরাত কাজ করলেও দীর্ঘদিন ধরে নানা ক্ষেত্রে অবহেলার শিকার। বন রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়, কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল, আবাসন, যানবাহন কিংবা মৌলিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি দূর করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের উদ্যোগে দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশের বন সংরক্ষণে বন আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইনসহ বিভিন্ন আইন কার্যকর রয়েছে। এসব আইনে অবৈধ গাছ কাটা, বনভূমি দখল, বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজ সম্পদ ধ্বংসের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে জনবল ও লজিস্টিক সহায়তার অভাবে এসব আইনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন অনেক ক্ষেত্রেই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বন বিভাগ কেবল পরিবেশ রক্ষার institution বা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদেরও রক্ষক। পরিকল্পিত সামাজিক বনায়ন, বনভূমির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় সম্ভব। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা যাবে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ, আধুনিক আবাসন নির্মাণ, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত যানবাহন সরবরাহ, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর টহল ব্যবস্থা চালু এবং সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে বন বিভাগের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। অন্যথায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বনসম্পদ রক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়বে।

রাষ্ট্রের অন্যতম আয়ের উৎস এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রধান ভিত্তি বন বিভাগ। অথচ বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হলে বন সংরক্ষণের জাতীয় লক্ষ্য অর্জনও কঠিন হয়ে উঠবে। তাই চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের নারায়ণহাট, হাজারীখিল ও হাসনাবাদ রেঞ্জের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।




ফটিকছড়ি উত্তরের গজারিয়া স্কুলের সভাপতি হলেন এড. ইউচুপ আলম মাসুদ

ফটিকছড়ি উত্তরের গজারিয়া স্কুলের সভাপতি হলেন এড. ইউচুপ আলম মাসুদ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার গজারিয়া জেবুন্নেছা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চার সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বোর্ড মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট ইউচুপ আলম মাসুদ।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বোর্ডের প্রবিধান অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস অথবা নিয়মিত পরিচালনা কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ কমিটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

অনুমোদিত কমিটিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন এ জেড এম আলমগীর, অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে খোরশেদ আলম এবং সদস্য সচিব হিসেবে পদাধিকারবলে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রবিধান অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি পরিচালনা কমিটির সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করতে পারবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী এ কমিটি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

নবনিযুক্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউচুপ আলম মাসুদ বলেন, এই দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় আমানত। শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং কমিটির সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, সুশাসন, শৃঙ্খলা, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য হবে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার মেধা ও সম্ভাবনার সর্বোচ্চ বিকাশের সুযোগ পাবে।




উত্তর ফটিকছড়িতে কথিত প্রেমিকসহ যুবলীগ নেত্রী আটক

উত্তর ফটিকছড়িতে কথিত প্রেমিকসহ যুবলীগ নেত্রী আটক
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে এক যুবলীগ নেত্রী ও তাঁর কথিত প্রেমিককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাবারড্যাম ডলু আড়ালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন—নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির মহিলা সদস্য রাশু বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রী। তাঁর সঙ্গে আটক হন একই ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া নাজিরখিল এলাকার বাচা মিয়ার ছেলে মো. হাসেম (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে হাসেম রাশু বেগমের বাড়িতে গেলে বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা। পরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে দুজনকে আটক করে ভুজপুর থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোহেল মুন্সি বলেন, “রাশু বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তাঁকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তা আমলে নেননি। সর্বশেষ একই ধরনের ঘটনার অভিযোগে স্থানীয়রা তাঁকে ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।”

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”




ফটিকছড়ির হাইদচকিয়ায় উচ্চ বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ফটিকছড়ির হাইদচকিয়ায় উচ্চ বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির অভিষেক সভা এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সরওয়ার হোসেন স্বপন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুনব বড়ুয়া, অভিভাবক সদস্য জাহেদ হাসান গণি, শিক্ষক প্রতিনিধি কাজী মুহাম্মদ মাহতাব উদ্দিন, মো. জসিম উদ্দিন, মাস্টার রতন কান্তি চৌধুরী, আব্দুল মতিন, কৃষকদল নেতা নাজমুল হাসান চৌধুরী লিটনসহ গভর্নিং বডির সদস্য, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তুলতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

নবনিযুক্ত সভাপতি ও চেয়ারম্যান এ কে এম সরওয়ার হোসেন স্বপন বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, পরিবেশবান্ধব ও সচেতন নাগরিক গড়ে তোলার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।