পাইপলাইন বন্ধ: সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন

পাইপলাইন বন্ধ: সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই

পাইপলাইন বন্ধ: সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই
ছবি সংগৃহীত।

মরুভূমির বুক চিরে তেল পৌঁছে দিত যে পাইপলাইন, ড্রোন হামলার কারণে সেটিই এখন বন্ধ। এত দিন এ পাইপলাইন দিয়ে সৌদি আরবের তেল পৌঁছেছে লোহিত সাগরের বন্দরে। এখন দ্রুত পাইপলাইনটি চালু করা না গেলে কয়েক দিনের মধ্যেই রপ্তানির জন্য সৌদি আরবের তেলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তেল ব্যবসায়ীরা।

গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। ছবিতে স্টেশনটির একটি অংশ পুড়ে কালো হয়ে যেতে দেখা যায়।

গত শুক্রবার ড্রোন হামলার পর থেকেই পাইপলাইনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে এবং এটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সৌদি আরব এখনো বিস্তারিত জানায়নি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের জন্য এই পাইপলাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ছয় মাস ধরে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার কারণে তেল পরিবহনে এটিকে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

এ পাইপলাইন দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া সম্ভব হতো। এ পরিমাণ বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় ৪ শতাংশ।

তবে, পাইপলাইনটি বন্ধ থাকায় ইয়ানবু বন্দরে থাকা তেলের মজুত দিয়ে আর মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিন রপ্তানি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সৌদি তেল রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্র।

মিসরের আইন সোখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও সৌদি আরবের কিছু তেল মজুত রয়েছে। সেখান থেকেও কয়েকদিন রপ্তানি চালানো সম্ভব হবে। তবে, পাইপলাইনটি আবার চালু না হলে এসব মজুতও শেষ হয়ে যাবে।

গত শুক্রবারের হামলার জন্য ইরাক থেকে আসা ড্রোনকে দায়ী করেছে সৌদি আরব। তবে, সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতি এবং মেরামতের সময় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দুই সৌদি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাইপলাইনটি কয়েক সপ্তাহ ধরে বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকতে পারে। তবে, এটি কত দিনে পুরোপুরি চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে আরেকটি সূত্রের ধারণা, এর আগেই মেরামতের কাজ শেষ করা সম্ভব। একই সঙ্গে, মেরামতের কাজ চলার সময় পাইপলাইনের কিছু অংশ দিয়ে আংশিকভাবে তেল সরবরাহ শুরু করা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
 




মক্কায় ড্রোন ছুড়ল হুথিরা, আটকে দিয়ে ধ্বংস করল সৌদি

মক্কায় ড্রোন ছুড়ল হুথিরা, আটকে দিয়ে ধ্বংস করল সৌদি
ছবি সংগৃহীত।

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি, তবে সেই ড্রোন মক্কার কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মাধ্যমে সেই ড্রোন ধ্বংস করেছে সৌদির প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সৌদি-ইয়েমেন সামরিক জোটের মুখপাত্র তুরকি আল মালকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, গত কাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫০ মিনিটে) মক্কার আকাশসীমায় একটি আক্রমণাত্মক ড্রোন শনাক্ত করে সেটি সেটি ধ্বংস করেছে।

“কাবা, মসজিদে নববি এবং দুই পবিত্র মসজিদে আগত মুসল্লিরা সৌদি আরবের রেড লাইন। যে কোনো মূল্যে আমরা তাদের রক্ষা করব”, বিবৃতিতে বলেছেন তুরকি আল মালকি।

সৌদি জোটের মুখপাত্র আরও বলেন, এবারই প্রথম নয়; এর আগেও মক্কায় হামলার চেষ্টা করেছে হুথিরা। ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কা লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল হুথি বাহিনী এবং সেই ক্ষেপণাস্ত্রটিকেও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই আটকে দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল।

এদিকে মক্কায় ড্রোন হামলা সংক্রান্ত অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে হুথি বাহিনী। তুরকি আল মালকি এ বিবৃতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার রাতেই হুথি গোষ্ঠীর একটি বিবৃতি প্রচার করে ইয়েমেনি বার্তাসংস্থা সাবা নিউজ এজেন্সি। বিবৃতিতে হুথি বাহিনীর হাইকমান্ড বলেছে, “মক্কায় হুথি বাহিনীর হামলার যে তথ্য প্রচার হয়েছে— তা পুরোপুরি ভুয়া এবং অসত্য। ইয়েমেনের তরফ থেকে মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থানে হামলার হুমকি রয়েছে— এমন অভিযোগ আমরা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি।”

এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সৌদি আরবের তিন শহর খামিস মুশাইত, আবহা এবং তাইফে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছিল হুথিরা। এতে ১৩ জন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের সঙ্গে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব ২০১৪ সাল থেকে। সে বছর ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তারপর মাত্র এক বছরের মধ্যে  ২০১৫ সালে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেন-সৌদি সেনাবাহিনী।

২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেছিল হুথিরা। তারপর প্রায় চার বছর স্থিতিশীল থাকলেও গত ১৩ জুলাই ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পর ফের উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে দু’পক্ষের মধ্যে।

সূত্র : আলজাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি




ভারতে নতুন দেওয়ানি আইন, বিপাকে মুসলিমরা

ভারতে নতুন দেওয়ানি আইন, বিপাকে মুসলিমরা
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) শাসিত সব রাজ্যে বিতর্কিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি সরকারের এই উদ্যোগে ভারতে বসবাসকারী বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভারতে ১৪০ কোটি মানুষের জন্য ফৌজদারি আইন এক হলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারের মতো ব্যক্তিগত বিষয়গুলো বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ের নিজস্ব রীতি ও আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এই বৈচিত্র্যময় ব্যবস্থার পরিবর্তে সবার জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লক্ষ্য।

এরই মধ্যে ভারতের অন্তত চারটি রাজ্যে এই আইন চালু হয়েছে।
রোববার অমিত শাহ বলেন, কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট শাসিত ২১টি রাজ্যের সবকটিতেই এই আইন কার্যকর করা সম্ভব হবে।
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর এই উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিম নাগরিকদের মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিজস্ব পারিবারিক রীতি অনুসরণের অধিকার নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে।

তবে এই আইনের সমর্থকদের দাবি, ইউসিসি চালু হলে বহুবিবাহ প্রথা বন্ধ হবে, সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়েদের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে এবং আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ বাধ্যতামূলক হওয়ায় মুসলিম নারীদের অধিকার অন্য সম্প্রদায়ের নারীদের সমপর্যায়ে আসবে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত মূলত হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে দেশটিতে প্রায় ২২ কোটি মুসলিম বসবাস করেন। জনসংখ্যার হিসাবে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠী।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই




হুথির হাতে পেরিম দ্বীপ, বন্ধ হবে লোহিত সাগরও?

হুথির হাতে পেরিম দ্বীপ, বন্ধ হবে লোহিত সাগরও?
ছবি সংগৃহীত।

ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো অংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে হুথি বিদ্রোহীরা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাদের সর্বশেষ অগ্রগতির পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছাকাছি এলাকাও তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এর একদিন আগে ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগর মোখা দখল করে হুথিরা।

ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীর দ্রুত অগ্রগতি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন এনেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশেষ করে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য এই অগ্রগতি নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে।

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব
বাব আল-মান্দেব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। এই সংকীর্ণ প্রণালি লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালকে এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ প্রতিদিন এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করে। হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার পর বাব আল-মান্দেবের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

কারণ পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর পণ্য লোহিত সাগর দিয়ে পরিবহনের সুযোগ রয়েছে।

সৌদি তেলের জন্য কেন বিপদ
হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের পর সৌদি আরব ইস্ট-ওয়েস্ট ক্রুড অয়েল পাইপলাইনের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এই পাইপলাইনটি দেশটির পূর্বাঞ্চলের আবকাইক তেলক্ষেত্র থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পৌঁছে দেয়। এর ফলে পারস্য উপসাগরের বদলে লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি করা সম্ভব হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর পাইপলাইনটির সক্ষমতা দিনে ৭০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করেছে সৌদি আরব। যুদ্ধের আগে সক্ষমতা ছিল প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল।

ফলে আগে তুলনায় সৌদি তেলের আরও বড় অংশ এখন বাব আল-মান্দেব হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যাচ্ছে। এই নৌপথও যদি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তাহলে সৌদি তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

হুথিরা কি সত্যিই লোহিত সাগর বন্ধ করতে পারবে?
এ প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এতটা সরল নয়।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, হুথিদের পক্ষে পুরো লোহিত সাগর দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে রাখা কঠিন। তবে তাদের জন্য পুরো প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করারও প্রয়োজন নেই।

বাব আল-মান্দেব দিয়ে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ—এমন ধারণা তৈরি করতে পারলেই জাহাজ চলাচলে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

জাহাজ কোম্পানি ও বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকি বাড়লে ওই পথ এড়িয়ে যেতে পারে। ফলে সামরিকভাবে পুরো নৌপথ বন্ধ না করেও হুথিরা কার্যত জাহাজ চলাচল কমিয়ে দিতে পারে।

এতে পরিবহন ব্যয়, বিমা খরচ এবং পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

সৌদি আরবের পাল্টা ব্যবস্থা
হুথিদের অগ্রগতি থামাতে সৌদি বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মোখাসহ হুথিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো এসব হামলার লক্ষ্য ছিল।

তবে এসব হামলা এখন পর্যন্ত হুথিদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারেনি বলে বক্তব্য বিশ্লেষকদের।

সূত্র: আল-জাজিরা