পটিয়া হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ, জনবল ও ওষুধ সংকট নিরসনের আশ্বাস
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

পটিয়া হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ, জনবল ও ওষুধ সংকট নিরসনের আশ্বাস

পটিয়া হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ, জনবল ও ওষুধ সংকট নিরসনের আশ্বাস
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের ওয়ার্ড, চিকিৎসকদের উপস্থিতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন।

এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর অতিরিক্ত চাপ, জনবল, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন সংকটের কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পটিয়ার প্রায় সাত লাখ মানুষের পাশাপাশি বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলীসহ আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ এ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নেন।

প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। ফলে সীমিত অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের জনবল সংকট মোকাবিলায় চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পাঁচজন মেডিকেল অফিসার, চারজন নার্স, একজন মিডওয়াইফ, একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট, একজন রেডিওগ্রাফার, একজন বাবুর্চি ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দরপত্র (টেন্ডার) কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে পাঁচুরিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র পুনর্নির্মাণের জন্য স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং খাবারের মান উন্নত করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম হাসপাতালের উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় রসদগত (লজিস্টিক সাপোর্ট) সহায়তার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, পটিয়া হাসপাতালের ওপর আশপাশের কয়েকটি উপজেলার মানুষেরও চিকিৎসার চাপ রয়েছে। তাই বর্তমান অবকাঠামো ও জনবল দিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগীর সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়বসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প সড়কে ৩৫ বছরেও সংস্কার নেই

পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প সড়কে ৩৫ বছরেও সংস্কার নেই
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। বর্ষায় কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় সড়কটি। আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে নাকাল হতে হয় পথচারীদের। বর্তমানে অনেক স্থানে যানবাহন তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দরবেশহাট ডিসি সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হাসনাপাড়া ব্রিজ থেকে উত্তর পহরচাঁদা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার এ সড়কটি পুটিবিলা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। নোয়াপাড়া, পহরচাঁদা, হানিফার পাড়া, নতুনপাড়া, আশ্রয়ণ পাড়া, খনির পাড়া, পূর্বপাড়া ও বড়ুয়া পাড়ার মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৩৫ বছর ধরে সড়কটি ব্যবহৃত হলেও এখনো স্থায়ীভাবে সংস্কার বা পাকাকরণ করা হয়নি। ২০২২ সালে সড়কটি এলজিইডির আইডিভুক্ত হলেও দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ শুরু হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

গত সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত। কোথাও কাদা, কোথাও ভাঙা সড়কের ওপর ছড়িয়ে রয়েছে মাটি। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো কাদাপানিতে ভরে যায়। সড়কের এমন অবস্থায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে কাদা মাড়িয়ে চলতে গিয়ে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের ভোগান্তির শেষ থাকে না।

স্থানীয়রা জানান, এ সড়কের আশপাশে রয়েছে হাসনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৌড়স্থান উচ্চ বিদ্যালয়, গৌড়স্থান আখতারিয়া পাড়া দাখিল মাদ্রাসা, পহরচাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পহরচাঁদা এবতেদায়ী মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বর্ষায় কাদার কারণে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা দুর্ভোগে পড়েন। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের জুতা হাতে নিয়ে কাদা মাড়িয়ে চলতে হয়।

সড়কটির দুরবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাঠ থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে গিয়ে তাদের বাড়তি সময় ও পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও যানবাহন যেতে না পারায় মাথায় বা কাঁধে করে কৃষিপণ্য বহন করতে হচ্ছে।

নোয়াপাড়ার বাসিন্দা কৃষক মোহাম্মদ আবু ছালেক ও মোস্তফিজুর রহমানসহ স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির একই অবস্থা। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু পরে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বর্ষায় কাদা আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকাকরণ না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতে সমস্যা সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে সড়কের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নও জরুরি বলে মনে করছেন তারা। স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে পহরচাঁদা পর্যন্ত সড়কটি উন্নয়নের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।
 




লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় ছিটকে পড়ল শিশু, চমেকে মৃত্যু

লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় ছিটকে পড়ল শিশু, চমেকে মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়ায় মহাসড়ক পারাপারের সময় বাসের ধাক্কায় মোহাম্মদ সুরাইম (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে চুনতি ইউনিয়নের নলবনিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দারুল কোরআন ইবতেদায়ী মাদরাসা গেইট সংলগ্ন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুরাইম ওই এলাকার মোহাম্মদ বেলালের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মাদরাসা গেইটের সামনে মহাসড়ক পার হচ্ছিল শিশু সুরাইম। এ সময় চট্টগ্রামমুখী হানিফ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-২৯৭১) তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুটি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লোহাগাড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান। পরে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুরাইমকে মৃত ঘোষণা করেন।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বলেন, ঘটনার বিষয় শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 




লোহাগাড়ায় খরিদা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, প্রবাসীকে গুম-খুনের হুমকির অভিযোগ

লোহাগাড়ায় খরিদা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, প্রবাসীকে গুম-খুনের হুমকির অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়ায় খরিদা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সৌদি প্রবাসীকে গুম-খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তার জমিতে প্রবেশ করে সীমানা চিহ্নিত খুঁটি উপড়ে ফেলার চেষ্টারও অভিযোগ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে প্রবাসী আকতার হোসেন (৩৭) বাদী হয়ে আব্দুস শুক্কুর (৪৪) ও অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরম্বা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাজঘাটা এলাকায় ২০ শতক জমি নিয়ে এ বিরোধের সূত্রপাত। আকতার হোসেন দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর আধুনগর এসআর অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ৪২৭০ নম্বর কবলা দলিলের মাধ্যমে মজিলিশ খাতুনের কাছ থেকে তিনি ২০ শতক জমি ক্রয় করেন। পরে নামজারি করে খাজনা পরিশোধসহ জমিটি ভোগদখলে রয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুস শুক্কুর ওই জমি নিজের দাবি করে জবরদখলের চেষ্টা করছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি।

গত ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে আব্দুস শুকুরসহ কয়েকজন ওই জমিতে গিয়ে সীমানা চিহ্নিত খুঁটি উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন আকতার। বাধা দিলে তাকে গালিগালাজ ও মারধরের জন্য তেড়ে আসা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গুম-খুনের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্তের ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ফুফি মজিলিশ খাতুনের নামে করা কবলার বৈধতা নিয়ে একটি মামলা করা হয়েছিল। তবে মামলার বিষয়টি আমরা আদালতে প্রমাণ করতে পারিনি। নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। মূলত কাগজপত্র অনুযায়ী মজিলিশ খাতুনই ওই জায়গার মালিক। তিনি ইতোমধ্যে জায়গাটি বিক্রি করে দিয়েছেন। এরপরও শুক্কুর বিভিন্নভাবে তাদের হয়রানি করছেন বলে আমরা মনে করি। এটি তার স্বভাবগত বিষয়।

মজিলিশ খাতুন বলেন, তার পালক বাবা গুনু মিয়া তাকে জায়গা দান করেছিলেন। এ নিয়ে তার ভাতিজা শুক্কুরে পরিবার আদালতে মামলা করেন। পরে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। এরপর তিনি ২০ শতক জমি বিক্রি করে ক্রেতা আক্তার হোসেন গং কে দখল বুঝিয়ে দেন।

অভিযুক্ত আব্দুস শুক্কুর বলেন, মজিলিশ খাতুনকে তার দাদা জায়গাটি দানপত্র করেছেন দাবি করলে তারা কবলার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন। আদালতে হাজির হতে না পারায় মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।

লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রবাসীকে হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।