পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের সঙ্গে কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষ, ৩ বগি লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন

পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের সঙ্গে কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষ, ৩ বগি লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের সঙ্গে কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষ, ৩ বগি লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়ায় যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সঙ্গে একটি মিনি কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ট্রেনটির পেছনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার কমল মুন্সির হাট বাজারসংলগ্ন চক্রশালা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস চক্রশালা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা অতিক্রম করার সময় রেললাইনের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অবস্থান করা একটি মিনি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে কাভার্ডভ্যানটি ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনের অংশে আটকে যায়। পরে ট্রেনটি ভ্যানটিকে টেনেহিঁচড়ে আনসার ক্যাম্পসংলগ্ন মোল্লাপাড়া এলাকা পর্যন্ত নিয়ে যায়। সংঘর্ষের ধাক্কায় ট্রেনের পেছনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আবদুস সালাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রেললাইনের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঘটনাস্থলে আটকা পড়ে আছে। লাইনচ্যুত বগিগুলো উদ্ধারের জন্য চট্টগ্রাম থেকে রিলিফ ট্রেনকে খবর দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ হলে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।




লোহাগাড়ায় মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করল প্রাইম ইন্স্যুরেন্স

লোহাগাড়ায় মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করল প্রাইম ইন্স্যুরেন্স
ছবি সংগৃহীত।

প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের চট্টগ্রাম কর্পোরেট জোন-৬-এর উদ্যোগে এক গ্রাহকের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) লোহাগাড়া উপজেলার বটতলী মোটর স্টেশনের মোস্তফা সিটি সেন্টারে কোম্পানির লোহাগাড়া জোনাল অফিসের হলরুমে এ চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কোম্পানির ইভিপি-১ ও চট্টগ্রাম কর্পোরেট জোন-৬-এর লোহাগাড়ার ইনচার্জ মো. তারেক বিন কবিরের সভাপতিত্বে ও লোহাগাড়া এফপিআর সেন্টারের জিএম মোহাম্মদ ফারুখের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন-আখন্দ। বিশেষ অথিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ইভিপি-২ ও ইনচার্জ চট্টগ্রাম জোন-১৭ এ.বি.এম আনোয়ারুল হক, ইভিপি-২ ও ইনচার্জ চট্টগ্রাম-১৮ এস.এম ইব্রাহিম শামীম। 

এছাড়া বক্তব্য রাখেন- লোহাগাড়া জোনাল অফিসরে এ.এম জাইতনু নীহা, জাহেদা বেগম, মর্তুজা বেলাল, লোহাগাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী মো. নুরুচ্ছফাও মো. জসিম উদ্দিন প্রমূখ।
এ ছাড়া কোম্পানির লোহাগাড়া জোনাল অফিসের ভিআইপি গ্রাহক মোহাম্মদ নুরুচ্ছফা ও জসিম উদ্দীনসহ কর্পোরেট জোনের কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী, গ্রাহক ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বায়েজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, বীমা মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কোনো পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হলে পরিবারটি হঠাৎ করে আর্থিক সংকটে পড়ে। এ ধরনের সময়ে বীমার অর্থ পরিবারকে কিছুটা হলেও সহায়তা দিতে পারে। তাই গ্রাহকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বীমা মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের অনিশ্চিত সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করে। গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখতে বীমা দাবির যথাযথ যাচাই শেষে দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বীমা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, কোনো গ্রাহকের মৃত্যুর পর তার পরিবারের কাছে বীমার অর্থ শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, বরং কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই গ্রাহকদের প্রতিশ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

পরে কোম্পানির লোহাগাড়া জোনাল অফিসের সুবিধাভোগী মরহুমা হাছিনা আক্তারের মৃত্যুদাবির ৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকার চেক তার স্বামী জসিম উদ্দীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। চেক গ্রহণকালে জসিম উদ্দীন কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
 




পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩

পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩
ছবি সংগৃহীত।

চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রামের পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা।  এ সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া মডেল মসজিদের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে তাঁরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। সড়কের দুই পাশে আটকা পড়ে বেশ কিছু যানবাহন। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় আন্দোলনকারীদের ওপর কয়েক দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং চাকরিচ্যুতদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে এবার মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি দেওয়া হয়।

কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি হয়। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। তবে পুলিশের দাবি, ঘটনাটি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।

দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধের পর দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে যান পটিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান। আধাঘন্টা উভয় পক্ষের আলোচনা শেষে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের দাবি ও পরিস্থিতির বিষয়টি আগামী বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় উপস্থাপনের আশ্বাস দেন। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।

ইউএনও ফারহানুর রহমান বলেন, “আশা করি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসবে। প্রশাসনের আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। পরে তাঁরা ধীরে ধীরে মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনকারী আশরাফুল আলম তৌকির বলেন, চাকরিতে পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় না হলে রাজপথেই প্রাণ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।

পরে আন্দোলনকারীরা আলটিমেটাম দিয়ে জানান, আগামী বুধবারের মধ্যে ইতিবাচক সমাধান না এলে এবং তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।




আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী

আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে নতুন এ অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা হলেন, যথাক্রমে- অনুমোদিত কমিটিতে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত সভাপতি এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী, জেলা শিক্ষা অফিসার মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি মো. ওসমান গণি এবং জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীত অভিভাবক প্রতিনিধি মোহাম্মদ আবদুল আলম রয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদাধিকারবলে কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের প্রবিধানমালা-২০২৪-এর বিধান অনুসারে বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নতুন কমিটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে, আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরীর মনোনয়নের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী বলেন, আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এ দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর ও কার্যকর করা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

আমি আশা করি, অ্যাডহক কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নয়নে আমরা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারব। দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিদ্যালয়ের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।